খুলনা ব্যুরো
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনে উদ্ধার বাঘের অবস্থা আশংকাজনক

খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। ছবি : কালবেলা
খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। ছবি : কালবেলা

সুন্দরবনে হরিণ শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে পড়া বাঘটির অবস্থা আশংকাজনক। খুলনায় বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা চলছে। গাজীপুর সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি অফিসার হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইন বাঘটির চিকিৎসা করছেন।

এর আগে রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করে বাঘটিকে ফাঁদ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে বাঘটি খাঁচায় বন্দি করে খুলনা আনা হয়। রাতে খুলনা বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে বাঘটিকে আনার পর সেখানেই শুরু হয়েছে চিকিৎসা।

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া পুরুষ বাঘটি পূর্ণবয়স্ক। বাঘের সামনের বাম পা ফাঁদে আটকে ছিল। ফলে পায়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। ৪/৫ দিন বা তারও বেশি দিন ধরে বাঘটি ফাঁদে আটকে ছিল বলে ধারণা বনবিভাগের বিশেষজ্ঞ টিমের। মূলত শনিবার দুপুরের পর বনবিভাগের কাছে খবর আসে মোংলার শরকির খাল দিয়ে আধা কিলোমিটার ভেতরে হরিণ শিকারের ফাঁদে একটি বাঘ আটকা পড়েছে।

এরপর থেকে বাঘটি উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে তারা। বাঘটি উদ্ধারের জন্য ঢাকা থেকে ভেটেরিনারি অফিসারসহ বিশেষজ্ঞ দল আসে রোববার দুপুরে। এ ছাড়া, উদ্ধারকাজে আসে খুলনা থেকে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী স্টেশনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, বাঘটিকে উদ্ধার করে খুলনায় বনবিভাগের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেস্কিউ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাঘটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার শরীরে ওষুধ ও স্যালাইন দেওয়া হচ্ছে।

হাতেম সাজ্জাত মো. জুলকার নাইন কালবেলাকে বলেন, আমাদের প্ল্যান অনুযায়ী আমরা উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। বাঘটিকে আমরা পানিশূন্য অবস্থায় পেয়েছি, ওর বাম পায়ে ফাঁদ লেগেছিল। এর ফলে রক্তনালি বন্ধ হয়ে কোষগুলো পচে গিয়েছিল। শরীরের মধ্যে মাংস খুবই কম। বডির মধ্যে চর্বি ছিল না। দীর্ঘদিন অভুক্ত থাকার কারণে প্রচুর ডিহাইড্রেশন তৈরি হয়। বাঘটি এখন আশংকাজনক অবস্থায় রয়েছে। আমরা প্রায়োরিটি বেসিস একটি আইভি স্যালাইন দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু উৎসুক জনতার কারণে আমরা আমাদের কার্যক্রম সঠিকভাবে করতে পারিনি। খুলনায় বসেই চিকিৎসা দেওয়া হবে। আমরা হাল ছাড়ছি না, আশা করি সুস্থ হয়ে যাবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্রে দুই বন্দুকধারীর মধ্যে গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ ১২

হাইকোর্টে নথি পৌছালে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ নেয়া হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 

রামিসা হত্যা মামলা: আদালতের রায়কে স্বাগত জানাল জনতা

নদীর চরে পড়ে ছিল জেলের মরদেহ 

সিলেট সীমান্তজুড়ে বিজিবির টহল জোরদার

রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ সেই শিশুর বাবার, দ্রুত কার্যকরের দাবি

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা নিহত

মধ্যস্থতার বার্তা নিয়ে তেহরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নতুন বাজেটে পে-স্কেল নিয়ে বড় ধামাকা

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / বড় অঙ্কের জরিমানাও দিতে হবে সোহেল-স্বপ্নাকে

১০

 বাহরাইন-কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

১১

ঈদযাত্রায় প্রাণ হারালেন ৪৩৮ জন

১২

নতুন উড়োজাহাজ কিনছে আমিরাতের ইতিহাদ এয়ারওয়েজ

১৩

চট্টগ্রামজুড়ে ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা

১৪

গাজায় শৌচাগার সংকটে মানবেতর জীবন, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

১৫

চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

১৬

‘শুধু ফাঁসির আদেশ দিলেই হবে না, কার্যকরও করতে হবে’

১৭

পল্লবীর সেই ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : আদালতে যা প্রমাণিত হলো

১৮

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / রায়ের পর কাঁদছেন স্বপ্না, নির্বাক সোহেল

১৯

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা / আসামি সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

২০
X