কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৬:০৪ পিএম
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৬:২১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ কোটি ডলারের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে ইরান

মার্কিন উন্নত মানের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (থাড)। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন উন্নত মানের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (থাড)। ছবি : সংগৃহীত

ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১২ দিন সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই সংঘাতে ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আদতে ইসরায়েলের পরাজয়ের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন সামরিক পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, দেশটি সহায়তা দিতে গিয়ে উন্নত মানের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র (থাড) হারিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের প্রকাশিত নথি থেকে জানা যায়, ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের ইসরায়েলি আগ্রাসনের সময় ওয়াশিংটন তেল আবিবকে সহায়তা দিতে গিয়ে প্রায় ৫০ কোটি ডলারের উন্নত মানের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র হারিয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বলছে, এ নিয়ে সম্প্রতি পেন্টাগনের বাজেট নথি প্রকাশিত হয়েছে, যা বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে।

ইসরায়েলের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সদ্য প্রকাশিত পেন্টাগনের বাজেট নথিতে দেখা গেছে, গত জুনে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ১২ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পক্ষে মোট প্রায় ৫০ কোটি ডলার মূল্যের ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়ার জোন’ এবং ‘বিজনেস ইনসাইডার’এর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, নথিগুলোর একটিতে ৪৯৮ দশমিক ২৬৫ মিলিয়ন ডলার জরুরি তহবিল চাওয়া হয়েছে, যা দিয়ে থাড ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করা হবে।

নথিতে আরও বলা হয়েছে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরাইলকে সমর্থন দিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ওই ১২ দিনের আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্র ‘১০০ থেকে ১৫০টি থাড ক্ষেপণাস্ত্র’ নিক্ষেপ করেছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিস্থাপনের জন্য আরও বাজেট বরাদ্দ করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে।

সূত্র : মেহের নিউজ এজেন্সি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মোটরসাইকেল-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পরীক্ষার্থী নিহত

রজার্সকে কিনতে ট্রান্সফার ফির যে রেকর্ড ভাঙল চেলসি

ইরানের ৪ ড্রোন ভূপাতিত করল জর্ডান

পিকআপ নিয়ে গরু চুরি করে বেড়াতেন তারা

মাদ্রাসাছাত্রকে রড দিয়ে পিটিয়ে নির্যাতন, শিক্ষক আটক

বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের কণ্ঠ খুঁজছে ‘ভয়েস অব বাংলাদেশ’

জাবি মেডিকেলে ওষুধ কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন

পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তিশালী জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইল চিটাগং চেম্বার

১০

বিদ্যুৎ বিল আদায় করবে বেসরকারি খাত: জ্বালানি মন্ত্রী

১১

দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: হাইওয়ে পুলিশপ্রধান

১২

এক পায়ে দাঁড়িয়ে থাকার আশ্চর্যজনক ৪ উপকারিতা

১৩

এমপি পদ হারানো নিয়ে কী বলছে সংবিধান?

১৪

বরিশালের গল্পে জামিল-মুনমুনের নাটক ‘আজব শহর’

১৫

৩ দেশকে লোহিত সাগর এড়িয়ে চলার পরামর্শ ইইউ নৌবাহিনীর

১৬

বিচারক না হলে প্রতিযোগী হিসেবেই অংশ নিতাম : ফাহমিদা নবী

১৭

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়

১৮

সৌদি আরবের ওপর হুতিদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া

১৯

শাপলা চত্বর থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: সানাউল্লাহ খান

২০
X