কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পাল্টাপাল্টি হামলায় আবারও অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার পর দুই দেশের সংঘাত আবারও নতুন মোড় নিয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় উভয় পক্ষই ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করেছে। এতে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এপ্রিলে দুই দেশ একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর জুনে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল স্থায়ীভাবে সংঘাতের অবসান। তবে সাম্প্রতিক হামলার পর সেই উদ্যোগ বা শান্তিচুক্তি কার্যত ভেঙে পড়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে ইরানও কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে পাল্টা জবাব দিচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতেও পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ। সাম্প্রতিক হামলা ইরানের সামুদ্রিক রুটে হুমকি সৃষ্টির সক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট করতে পারেনি।

যদিও সর্বশেষ হামলাগুলোর তীব্রতা ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় কিছুটা কম, তবুও শান্তি প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় কমান্ডের সাবেক গোয়েন্দা কেন্দ্রের পরিচালক কার্ল শুস্টার বলেন, যুদ্ধবিরতির টিকে থাকার সম্ভাবনা শুরু থেকেই খুব কম ছিল। কারণ, যে ইরানি সরকার সমঝোতায় সই করেছে, তাদের ওপর দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেই।

তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তারা সরাসরি সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে জবাবদিহি করে। ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে বাহিনীটির আগ্রহ খুবই সীমিত।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশে আসছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা সাজ্জাদ নোমানী

চট্টগ্রামে ৫৯ স্থানে এআই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা

পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি

ফেনীর উত্তর আনন্দপুর যেন এক টুকরো ‘আর্জেন্টিনা’ 

এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে মেসি

চট্টগ্রামে বন্যা ও ভূমিধসকবলিত এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বিরোধীদলীয় নেতা

হেরে যাওয়ায় ব্রাজিলের সমর্থকরা হতাশ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী 

‘ওয়ারিশ সূত্রে’ কে ইনকিলাব সেন্টারের দাবি করেছে, প্রশ্ন ওসমান হাদির বোনের

আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

বিশেষ ‘পেশাজীবী প্যাকেজ’ চালু করল টেলিটক

১০

জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হার, অবিশ্বাস্য ব্যাটিং বিপর্যয়ে লজ্জায় ডুবল বাংলাদেশ

১১

অপচিকিৎসায় পঙ্গুত্বের ঝুঁকিতে একাধিক নারী ও শিশু, তদন্তে প্রশাসন

১২

স্থানীয় সরকারের চার প্রতিষ্ঠানের তথ্য চাইল ইসি

১৩

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

১৪

পে-স্কেলে হঠাৎ পরিবর্তন, ইনক্রিমেন্ট থেকে বেতন- যা যা বদল হচ্ছে

১৫

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ায় প্রথমবার আনসার-ভিডিপির অংশগ্রহণ

১৬

খুলনা জেলা কারাগার থেকে বন্দি পালানোর ৩ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার

১৭

কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স-মরক্কোর ম্যাচ অনলাইনে দেখবেন যেভাবে

১৮

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

১৯

বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের উপযুক্ত সময়: ইতালির রাষ্ট্রদূত

২০
X