কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৪, ০৪:৩৭ পিএম
আপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৪, ০৫:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেরিয়ে যেতে টেক্সাসে স্বাধীনতা আন্দোলন

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন দেশ গড়তে চাইছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেক্সাস। এক সময়ের স্বাধীন এ দেশটি আবারও ফিরে পেতে চাইছে তার হারানো মর্যাদা।

এখন থেকে ২০০ বছর আগেও একটি স্বাধীন দেশ ছিল টেক্সাস। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটি ছিল মেক্সিকোর একটি অংশ। ১৮৩৬ সালে টেক্সাস বিপ্লবের পর স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে জন্ম নেয় টেক্সাস। তার মাত্র ৯ বছর পর ২৮তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয় এটি।

এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ চাইছেন, টেক্সাস যেন আবারও স্বাধীন দেশের মর্যাদা ফিরে পায়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে টেক্সাসের বিচ্ছিন্ন হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে তারা নাম দিয়েছেন ‘টেক্সিট’। ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রক্রিয়া ব্রেক্সিট থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে এমন নাম দিয়েছেন তারা। সম্প্রতি মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ অভিবাসনপ্রত্যাশী ঢুকে পড়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বিরোধ বাড়ছে টেক্সাস প্রশাসনের। এর জেরেই আরও জোড়ালো হয়েছে স্বাধীন টেক্সিট আন্দোলন।

টেক্সাসের স্বাধীনতার দাবি করা টেক্সাস ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট (টিএনএম) প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল মিলার বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, টেক্সাসের বাসিন্দারা জানে, সীমান্তকে নিরাপদ করতে এবং বিশ্বের অন্য ২০০টি দেশের মতো করে স্বাধীন দেশ হিসেবে গ্রহণযোগ্য অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার টেক্সিটই একমাত্র পথ। ২০০৫ সাল থেকে টেক্সাসের স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে যাচ্ছেন মিলার।

স্বাধীনতাকামী এ নেতা জানান, টেক্সাস যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অংশের ইতিহাস এবং স্বার্থগুলোকে ধারণ করে। তবে স্পেনের কাতালান অঞ্চলের স্বাধীনতার দাবিদারদের মতো করে তারাও মনে করেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সমস্যাগুলো বোঝে না। টেক্সিট আন্দোলনের কর্মীরা অঙ্গরাজ্যটির আইন সভায় এমন একটি আইন পাস করতে চাইছেন, যার মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আলাদা হওয়ার প্রশ্নে গণভোটের আয়োজন করতে পারবেন। যদিও মার্কিন সংবিধানে এমন সুযোগ নেই।

১৮৬১ সালে টেক্সাসসহ দক্ষিণাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্যগুলোর আলাদা হওয়ার উদ্যোগকে কেন্দ্র করে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সেটি ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। অঙ্গরাজ্যটির বাসিন্দারা মনে করেন তারা প্রথমত টেক্সান তারপর আমেরিকান। টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সাস পলিটিকস প্রজেক্টের এক জরিপে এমনটা দেখা যায়। যদিও চলতি মাসে নিউজ উইকের এক জরিপে দেখা গেছে, টেক্সাসের ৬৭ শতাংশ বাসিন্দা চায় অঙ্গরাজ্যটি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবেই থাকুক।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভাতে ক্যানসারের ঝুঁকি! নতুন গবেষণার তথ্য জানুন

ব্রাজিলের তারকা ফুটবলারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

নুরের সবশেষ অবস্থা জানালেন চিকিৎসক

নুরের খোঁজ নিলেন রাষ্ট্রপতি

গ্রামবাংলার জনপ্রিয় হাডুডু খেলা দেখতে মানুষের ঢল

দুপক্ষের সংঘর্ষে ইউপি সদস্যসহ নিহত ২

সমালোচনার শিকার পাকিস্তানি অভিনেত্রী

ডাকসু নির্বাচনে ফরহাদের জিএস প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

১২ বলে ১১ ছক্কা হাঁকালো, শেষ ওভারে এলো ৪০ রান

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত

১০

ব্যাংকে গরুর মাংস খাওয়া নিষেধ, প্রতিবাদে কর্মীদের ‘পার্টি’

১১

ব্যাংকিং টিপস / ঋণ নেওয়ার আগে যেসব চিন্তাভাবনা জরুরি

১২

বাংলা সিনেমায় মুগ্ধ অনুপম খের

১৩

ফের ছোট পর্দায় ফিরছেন মধুমিতা

১৪

প্রকৃতির আশীর্বাদপুষ্ট ঔষধি নিম

১৫

বিসিবির নির্বাচন জিতলে কী কী পদক্ষেপ নেবেন, জানালেন তামিম

১৬

৫০০ সাংবাদিককে ছাঁটাই করছে ট্রাম্প প্রশাসন

১৭

ধূমপানের ক্রেভিং কমাতে সাহায্য করে যে ফল

১৮

‘ফ্যাসিস্টদের দৃশ্যমান বিচার ছাড়া নির্বাচন উৎসবমুখর হবে না’

১৯

স্থানীয়দের সঙ্গে চবি শিক্ষার্থীদের রাতভর সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

২০
X