মাসুদ রানা, খানসামা (দিনাজপুর)
প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৩, ০১:০৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

চিনির দাম বাড়ায় আখ চাষে ঝোঁক

খানসামায় বাম্পার ফলন
চিনির দাম বাড়ায় আখ চাষে ঝোঁক

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অন্যতম হলো চিনি। সেই চিনির উৎপাদন হয় আখ থেকে। চিনির দাম বাড়ায় ভালো দাম পাওয়ার আশায় দিনাজপুরের খানসামার কৃষকরা ঝুঁকছেন আখ চাষে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আখের বাম্পার ফলনও হয়েছে। ন্যায্য দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। খানসামার বিভিন্ন বাজারে আখের বেশ চাহিদা রয়েছে। এ উপজেলায় উৎপাদিত আখ সুস্বাদু ও সুমিষ্ট হওয়ায় এর কদর অনেক বেশি। পাইকাররা এসব আখ উপজেলার বিভিন্ন বাজার থেকে কিনে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করেন। কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৭ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আখের আবাদ হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আখের ফলন ভালো। ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের কৃষক রণজিত রায় বলেন, লাভজনক হওয়ায় এ বছর ২০ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। এতে খরচ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। আগামীতে আরও বেশি চাষ করার পরিকল্পনা করেছি। ভেড়ভেড়ী ডাঙ্গাপাড়ার আখচাষি মোস্তফা কামাল বলেন, ৩ বছর ধরে আখের চারা চাষ করছি। এ বছর ১৬ শতক জমিতে ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা শও বিক্রি করেছি এবং করছি। একই এলাকার আরেক চাষি আব্বাস আলী বলেন, আমি অল্প কিছু জমিতে আখ চাষ করি। এখান থেকে কিছু আখ পাইকারের কাছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। বাকি আখ নিজেই খুচরা দরে বিক্রি করি। ছোট আখ ৫০ থেকে ৬০ এবং বড় আখ ৬৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করি। বিক্রির টাকা থেকে সব খরচ বাদ দিয়ে লাভ হয়েছে ১৫ হাজার টাকা। খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ভৌগোলিক ও মাটির উর্বরতার কারণে উপজেলায় বিভিন্ন ফসলসহ আখ চাষ উপযোগী। তাই দিন দিন উপজেলায় বাড়তি লাভের আশায় আখ চাষে ঝুঁকছেন অনেক কৃষক। আখ চাষে উদ্যোগী কৃষকদের কৃষি দপ্তর থেকে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X