ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে কার্যত স্থবির সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। জুলাই অভ্যুত্থানের কারণে স্থগিত হওয়া বিসিএসসহ অন্য চাকরির নিয়োগ ও পদোন্নতি পরীক্ষাগুলো এখনো শুরু করতে পারেনি কমিশন। এর ফলে কয়েক লাখ চাকরিপ্রার্থী চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। পিএসসি পুরোপুরি সচল না হওয়ায় তাদের শঙ্কা আরও বাড়ছে। এদিকে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে একেবারে নিচের স্তর পর্যন্ত ঢেলে সাজানো হচ্ছে পিএসসি। আওয়ামীপন্থি হিসেবে পরিচিতদের সরিয়ে অন্যদের দায়িত্বে আনার প্রক্রিয়া চলমান। সে কারণে আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পাওয়া পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনসহ সব সদস্যের পদত্যাগের দাবি উঠেছে। তবে চেয়ারম্যান মানসিকভাবে পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত থাকলেও সদস্যদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে অনেক প্রতিষ্ঠানে রদবদল হলেও পিএসসিতে তেমনটি ঘটেনি। তবে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটির অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যেও এক ধরনের চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক সদস্য ও কর্মকর্তা দৃশ্যত কোনো কাজই করছেন না। ফলে বিসিএসসহ চাকরির সব ধরনের পরীক্ষা একের পর এক স্থগিত করা হচ্ছে।
জানা গেছে, কোটা সংস্কার আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে গত ১৮ জুলাই থেকে বিসিএসসহ নিয়োগ পরীক্ষাগুলো স্থগিত করতে শুরু করে পিএসসি। প্রথমে পরীক্ষা চলাকালীন ৪৪তম বিসিএসের ভাইভা স্থগিত করা হয়। এরপর ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। এ ছাড়া ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শেষ হলেও খাতা মূল্যায়নসহ অন্য কাজগুলো থমকে আছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা, চাকরিরতদের বিভাগীয় পদোন্নতির পরীক্ষাগুলোও স্থগিত করে রেখেছে পিএসসি। সর্বশেষ গত ১৪ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে বিসিএস ক্যাডার ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রথম অর্ধবার্ষিকী বিভাগীয় পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ‘ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (দশম গ্রেড)’ পদের ব্যবহারিক পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন প্রশাসনে চাকরিরত বিভিন্ন ক্যাডারের কয়েক হাজার কর্মকর্তা।
স্থগিত এসব নিয়োগ ও পদোন্নতির পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি এখনো ঘোষণা করতে পারেনি পিএসসি। অনেক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলও আটকে গেছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে জুনিয়র ইন্সট্রাক্টরের প্রায় এক হাজার পদে দীর্ঘদিন আগে পরীক্ষা শেষ হলেও ফল প্রকাশ করা হয়নি। আটকে আছে নার্সিং-মিডওয়াইফারি নিয়োগের পরীক্ষার ফলও।
আবার ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি যথাসময়ে প্রকাশ করা নিয়েও দেখা দিয়েছে সংশয়। পিএসসি থেকে ৩০ নভেম্বরেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আশ্বাস দেওয়া হলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মুখে কুলুপ এঁটে বসে আসে। আবার বিজ্ঞপ্তি দেরিতে হলে বয়সের ছাড় মিলবে কি না, তা নিয়েও রয়েছে ধোঁয়াশা।
৪৪তম বিসিএসের ভাইভা ও ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার অপেক্ষায় থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী কালবেলাকে বলেন, ‘নিয়োগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, সেই চাকরির কথাই যেন সবাই ভুলে গেছে। ৪৩-এর গেজেট আটকে আছে, ৪৪-এর ভাইভা আধাখেঁচড়া হয়ে আছে, ৪৫-এর লিখিত পরীক্ষার ফল ও ৪৬-এর লিখিত পরীক্ষার তারিখ হিমঘরে। নিয়োগ পরীক্ষাকে ভয়াবহ অনিশ্চয়তা ঘিরে ধরেছে। আমরা কি পিএসসিকে নিয়ে হতাশার বৃত্ত থেকে বের হতে পারব না?’
৪৪তম বিসিএসের আরেক ভাইভা প্রার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, ‘নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পিএসসির সব কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। ৪৪তম বিসিএসের স্থগিত ভাইভা কবে নাগাদ শুরু হবে তার কোনো হদিস নেই। এমন পরিস্থিতিতে আমরা বেকাররা দিন দিন হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছি। পরীক্ষার শিডিউল না থাকায় স্বাভাবিক পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। আমরা এই অচলাবস্থা থেকে মুক্তি চাই।’
জানতে চাইলে পিএসসি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইন গত সোমবার কালবেলাকে বলেন, পটপরিবর্তনের কারণে বেশ কিছুদিন পিএসসিতে কার্যক্রমে কিছুটা স্থবিরতা ছিল। সে কারণে অনেক কাজ জমে গেছে। আমরা এখন কার্যক্রমে গতি আনার উদ্যোগ নিয়েছি। যেহেতু প্রার্থীদের প্রস্তুতি নেওয়া আছে, বোর্ডগুলোর প্রস্তুতি নিতেও খুব বেশি সময় লাগবে না। আমরা আশা করছি, ৪৪তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে শুরু করতে পারব।
৪৫তম বিসিএসের বিষয়ে তিনি বলেন, এই বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার মূল্যায়ন চলছে। যদি দ্বিতীয় পরীক্ষকের মূল্যায়নে ২০ শতাংশের বেশি ব্যবধান হয়, তাহলে আমরা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে পাঠাব। আশা করছি, এটিতেও খুব বেশি সময় লাগবে না।’ তবে ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরু করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানান তিনি। পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘লিখিত পরীক্ষার জন্য মডারেশন লাগবে। পরীক্ষার কেন্দ্র ঠিক করা লাগবে। প্রেসের সঙ্গে বসতে হবে। সবমিলিয়ে দুই মাসের মতো সময় লাগতে পারে।
৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, আমরা প্রস্তুত আছি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলে জেনেছি। সেজন্য তারা একটি সভাও করেছে। যদি মন্ত্রণালয় থেকে ঠিক সময়ে চাহিদাপত্র পাই, তাহলে আগামী ৩০ নভেম্বরেই ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে। অন্য নিয়োগ ও পদোন্নতির পরীক্ষাগুলোও দ্রুত নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পিএসসি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমরা চাচ্ছি, আন্দোলনের ফলে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, সেটির কারণে প্রার্থীরা যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ে। সে কারণে আমরা দ্রুতই এসব পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাচ্ছি।
পিএসসির সার্বিক কার্যক্রমের বিষয়গুলো দেখভাল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, পদোন্নতি ও প্রেষণ অনুবিভাগ। এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে অনুবিভাগটির অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুর রউফকে কল করা হলে তিনি কেটে দিয়ে মেসেজ দিতে বলেন। হোয়াটসঅ্যাপে তাকে মেসেজ পাঠানো হলে তিনি সেটি দেখেও কোনো মন্তব্য করেননি। মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান এবং অতিরিক্ত সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোনো মতামত পাওয়া যায়নি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সংযোগ নেই পিএসসির!
পিএসসি সূত্র জানায়, ৫ আগস্টের পর পিএসসি থেকে যতগুলো পত্র জনপ্রশাসনে পাঠানো হয়েছে, এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশের প্রত্যুত্তর মেলেনি। পিএসসির পরিস্থিতি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হলেও জনপ্রশাসন থেকে কোনো সাড়া নেই। এমনকি চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ ও তাদের দাবি-দাওয়া বিষয়ে জানানো হলেও করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ ও নির্দেশনা মন্ত্রণালয় দেয়নি। অন্যদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মাঠপর্যায় থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়ার পুরোটাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে করতে হচ্ছে। সে কারণে মন্ত্রণালয়ের সব স্তরের কর্মকর্তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। এমন অবস্থায় পিএসসি নিয়ে এখনো আলোচনা বা করণীয় ঠিক করতে পারেনি মন্ত্রণালয়। এজন্য স্বাভাবিক যোগাযোগে কিছুটা ভাটা পড়েছে। দ্রুত সেটা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করবে মন্ত্রণালয়।
পদত্যাগের বিষয়ে দুই পক্ষ: পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ নানা কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠায় পিএসসি সংস্কারের দাবি তুলেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তারা পিএসসি পুনর্গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। চেয়ারম্যানসহ সব সদস্যের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। অবশ্য সরকার পতনের পর সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও সদস্যরা ধরে নিয়েছেন তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে। যেহেতু তাদের রাষ্ট্রপতি সরাসরি নিয়োগ দিয়ে থাকেন, সেজন্য তারা পদত্যাগ না করে সরকারের নির্দেশনার দিকে চেয়ে আছেন। অনেকে নিয়মিত অফিসও করছেন না। পরিস্থিতি জানিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হলেও কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন পিএসসির কর্মকর্তারা।
তবে পিএসসি চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইন পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছে কমিশনের একটি সূত্র। সেই সূত্র জানিয়েছে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পিএসসিতে থাকতে চাননি চেয়ারম্যান। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।
অবশ্য পদত্যাগের জন্য প্রস্তুত রয়েছেন বলে কালবেলাকে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান নিজেই। তিনি বলেন, ‘আমরা যে কোনো সময় পদত্যাগ করতে প্রস্তুত আছি। সেটি আমরা সরকারকেও জানিয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা এলে আমরা যে কোনো সময় পদত্যাগ করব।’
তবে কমিশন সূত্র জানিয়েছে, পদত্যাগ বিষয়ে দুটি পক্ষ তৈরি হয়েছে সদস্যদের মধ্যে। একটি পক্ষ শিক্ষকদের। যারা মনে করছেন, পিএসসির যেসব আমলা সদস্য রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ বেশি। সে কারণে পদত্যাগ করানো বা সরিয়ে দেওয়ার চিন্তা করা হলে তাদের সবার আগে করানো উচিত। এই পক্ষের দাবি, শিক্ষকরা আওয়ামী লীগ আমলে নিয়োগ পেলেও তারা দুর্নীতি করেননি। সে কারণে শিক্ষকদের মেয়াদ শেষ করতে দেওয়া উচিত। নয়তো ধাপে ধাপে সরানো উচিত। অন্যদিকে, আমলা সদস্যরা চেয়ারম্যান পদত্যাগ করলে একসঙ্গে পদত্যাগ করতে রাজি।
পিএসসির একজন সদস্য (অধ্যাপক) কালবেলাকে বলেন, পিএসসির সদস্য হিসেবে যেসব আমলা আছেন, আওয়ামী লীগের দোসর বলতে তাদেরই বুঝায়। কারণ, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী ছিলেন। সচিব ছিলেন, ডিজি ছিলেন। কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল। এখন পদত্যাগ করতে চাইলে তারা করতে পারেন। আমরা তো এই পদ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে অন্য কোনো সুবিধা নিইনি। সে ক্ষেত্রে যদি কয়েকজনকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় এবং ধাপে ধাপে অন্যরা পদত্যাগ করে কিংবা মেয়াদ শেষ করে, তাহলে পিএসসির ওপর চাপ পড়বে না। একসঙ্গে সবাই পদত্যাগ করলে পিএসসি কার্যত অকেজো হয়ে যাবে। তার পরও সরকার যদি চায়, তাহলে আমাদের ছেড়ে দিতে কোনো আপত্তি নেই।
আরেক সদস্য (অধ্যাপক) বলেন, কমিশনে আরও কিছু পদ ফাঁকা রয়েছে। সেখানে নতুন করে সদস্য নিয়োগ করা যেতে পারে। এ ছাড়া সব সদস্য একসঙ্গে পদত্যাগ করলে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সে কারণে ধাপে ধাপে এটি করানো যায়। সরকার পিএসসির সবার সদস্য হওয়ার আগের ও পরের রেকর্ড যাচাই করে দেখতে পারে। আশা করি সরকার সেটি বিবেচনা করবে। এরপর সিদ্ধান্ত নেবে।
পিএসসির আরেক সদস্য ও সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব কালবেলাকে বলেন, এটা স্বাভাবিক যে, পটপরিবর্তনের পরে অনেক জায়গাতেই পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমরা এই বিষয়ে একমত, সরকার চাইলে আমরা একসঙ্গে পদত্যাগ করব।
তবে পদত্যাগের বিষয়টিই ভাবছেন না আরেক সদস্য। তিনি বলেন, কেউ ব্যক্তিগতভাবে পদত্যাগের কথা বলতে পারে, তবে সামষ্টিকভাবে বিষয়টি এমন নয়। পদত্যাগের বিষয়ে ভাবছি না। আমরা পিএসসিকে সচল করার উদ্যোগ নিয়েছি।