রফিকুল ইসলাম, রংপুর
প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ০৩:৩৫ এএম
আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ০৭:৩৫ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

আবু সাঈদকে জাতীয় বীরের মর্যাদা চায় পরিবার

কোটাবিরোধী আন্দোলন
আবু সাঈদকে জাতীয় বীরের মর্যাদা চায় পরিবার

কোটাবিরোধী আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষে গুলিতে নিহত রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে জাতীয় বীরের মর্যাদা চান তার পরিবার ও স্বজনরা। একই সঙ্গে তাকে যারা গুলি করে হত্যা করেছে এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি জানান তারা। গতকাল মঙ্গলবার পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়ায় সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন সাঈদের বাবা-মা ও ভাই। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবু সাঈদের কবরে কয়েক সেনাসদস্যের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লেও সেটি সত্যি নয় বলে জানান সাঈদের পরিবার।

গত ১৬ জুলাই সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে আবু সাঈদকে গুলি করেন এক পুলিশ সদস্য। ওই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সারা দেশে ব্যাপক আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

আবু সাঈদের পরিবারের দাবি, সে অত্যন্ত মেধাবী ছিল, তাকে বাঁচতে দেয়নি আওয়ামী লীগ সরকার। সরকারের নির্দেশে পুলিশ তাকে গুলি করে। মা মনোয়ারা বেগম বলেন, ‘আমার ছৈলের অনেক মেধা আছিল। সে সৎ ছিল, মানুষের উপকার করছে, নিজে প্রাইভেট পড়ে গ্রামের ছৈলদের বই কিনে দিছে। সে বলছিল, বড় হয়ে অনেক বড় সৎ অফিসার হবে; কিন্তু ওরা হতে দিল না। মেরেই ফেলল। আমার ছৈলের মতো যেন আর কেউ মারা না যায়। যাই মারছে তার বিচার চাই, তার যেন ফাঁসি হয়। এত মানুষ থাকতে কেমন করি পালেয়া গেল হাসিনা। মুই ওমার বিচার চাও। নতুন সরকারের কাছে একটাই দাবি, সাঈদকে যেন ওমরা জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা দেয়।’ সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমি ছেলে হারা হয়েছি, আমি তো আর ছেলেকে ফিরে পাব না। আমার একটা দাবি হলো, আমার ছেলেকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুনলাম ছেলেটাক গুলি করিয়া মারা পুলিশকে বরখাস্ত করছে। শাস্তি কি বরখাস্ত?। হাসিনাসহ যে পুলিশ সদস্য খুন করেছে, সবার ফাঁসি চাই।’

সাঈদের ভাই আবু হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই ন্যায্য দাবি নিয়ে আন্দোলন করেছে। তাকে ডাইরেক্ট গুলি করে মারা হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ। তাকে জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে।’

ছোট বোন সুমি খাতুন বলেন, ‘ভাইকে গুলি করে মারা হলো। শেখ হাসিনা আমাদের গণভবনে ডেকে নিয়ে সবার সামনে বলেছিলেন, তুমি তো শুধু তোমার ভাইকে হারাইছ। কিন্তু আমার পুরো পরিবারকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই শোক নিয়ে আমি বেঁচে আছি। তিনি ওই সময়ে কেঁদেছিলেন; কিন্তু এসব হচ্ছে তার অভিনয়।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সৈকতে ৩ প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

যশোরে আদ্-দীন হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

পুশইনের প্রতিবাদে বিভিন্ন জেলায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

ফেসবুক বিভ্রাটে ব্যক্তিগত তথ্য হারানোর শঙ্কা কতটা

তারকাদের নিয়ে ক্রিটিসিজমটা বেশিই হয় : নুসরাত ফারিয়া

নামে সোনা, কিন্তু সোনা নয়! বিশ্বকাপের তিন অমূল্য পুরস্কারের বিশেষত্ব কী?

দুই দশক পর তারেক রহমানের কক্সবাজার সফর ঘিরে উচ্ছ্বাস

‘আগস্টের শেষে রূপপুর থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলবে’

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডের দল ঘোষণা করল বাংলাদেশ

১০

রাত ১টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১১

বিভ্রাটের পর সচল হচ্ছে ফেসবুক-মেসেঞ্জার, যে তথ্য জানাল মেটা

১২

পুলিশ সদস্যদের ফুটবল ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ব্রাজিলের জয়

১৩

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের তালিকায় শীর্ষে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কোথায়?

১৪

নোবিপ্রবি শিক্ষক সালামের পিএইচডি অর্জন 

১৫

চট্টগ্রামকে সুবজ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে : সিডিএ চেয়ারম্যান

১৬

ক্ষমার পরেও শপথ নিতে পারছেন না চাকসু প্রতিনিধি

১৭

সংসদ নির্বাচনে পরাজিত মোতাহার ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রথম চেয়ারম্যান

১৮

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে রক্তাক্ত : ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

১৯

আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি মহিলা জামায়াতের

২০
X