বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩৩
রাজকুমার নন্দী
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সা ক্ষা ৎ কা র

সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকারের নিশ্চয়তা বিএনপিই দিচ্ছে

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

নুরুল ইসলাম মনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। বরগুনা-২ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। একই আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি থেকে নির্বাচন করছেন তিনি। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, বিএনপির প্রার্থিতা, তরুণদের নিয়ে বিএনপির ভাবনাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কালবেলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রাজকুমার নন্দী

বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নির্বাচনের মাঠে জামায়াতে ইসলামীই এখন বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াতকে কীভাবে দেখছেন?

নুরুল ইসলাম মনি: রাজনীতির মাঠে অনেক খেলোয়াড় থাকবে। সেই খেলোয়াড়ের মধ্যে যিনি ভালো করবেন, তিনিই জয়ী হবেন—এটাই হলো সত্য। জামায়াতে ইসলামী এক সময় বিএনপির কাঁধে চড়ে এ দেশে আঠারোটা সিট পেয়েছে, তখন বিএনপির জোটে ছিল তারা। এখন যদি মনে করে, তারা আলাদাভাবে নির্বাচন করবে, করতেই পারে। পতিত আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের দোসররা ছাড়া সব রাজনৈতিক দলের কাছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বান এ রকম—

সমগ্র দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটা দেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করবে। তাদের তিনি বলেছেন, চলুন, নির্বাচনের পরে আমরা একটা জাতীয় সরকার গঠন করি। এই জাতীয় সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটটা এ রকম যে, ধরুন, এই দেশটা নষ্ট হয়েছে, আমরা সবাই মিলে এ দেশটা বিনির্মাণ করব।

একাত্তর সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক মানুষ মেরে জামায়াত এখন বলছে যে, আমাদের ভুল হয়ে গেছে, আমরা ক্ষমা চাই। আবার এই কার্যক্রমের (বিএনপির বিরোধিতা, সমালোচনা) জন্য একদিন তারা জাতির কাছে ক্ষমা চাইবে। এই দেশটা বিনির্মাণ করার সুযোগ ছিল, সেটা নষ্ট করছে।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আসন্ন নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের ভোটকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। এই ভোট পেতে জামায়াত নানা কৌশল নিচ্ছে। বিএনপি কী ভাবছে?

মনি: বিএনপি সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করে না। আমরা বিশ্বাস করি, এ দেশের সব মানুষ এ দেশের নাগরিক। সংবিধান যে স্বীকৃতি দিয়েছে, একজন নাগরিকের জন্য যে অধিকার সংরক্ষণ করেছে, সে অনুযায়ী দেশে একজন হিন্দু, একজন বৌদ্ধ, একজন খ্রিষ্টান, একজন মুসলমান একই অধিকার ভোগ করবে। এ রকম অধিকার ভোগ করার নিশ্চয়তা একমাত্র বিএনপিই দিচ্ছে। তাই আমি মনে করি, দল-মত নির্বিশেষে তারা বিএনপির পাশেই দাঁড়াবে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে কথা বলেছেন যে, দেশে কোনো সংখ্যালঘু নেই। এই রাষ্ট্র তারা বিনির্মাণ করবেন এবং সেটা বাস্তবায়নের জন্য আজকে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আরেকটা হলো—ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। সুতরাং সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র একটা মানুষের পাশে দাঁড়াবে।

দুঃসময়ে-অসুবিধায়, বিপদে-আপদে রাষ্ট্র পাশে থাকবে, এ কথা তারেক রহমান বলেছেন। তবে স্ট্যান্ডবাজি কিন্তু করা যায়, স্ট্যান্ডবাজি যে কোনো লোক করতে পারে। আপনি একজন হিন্দু প্রার্থীকে দাঁড় করিয়ে দিলেন যে, আমরা হিন্দুদের পক্ষে। জামায়াত ফান্ডামেন্টাল দল, তারা ইসলামের শাসন কায়েম করবে। কিন্তু হিন্দুরা ইসলামের শাসন কায়েম করবে কেন? এটা সাধারণ প্রশ্ন। মূলত স্ট্যান্ডবাজি করার জন্য তারা একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে প্রার্থী করেছে, এটা তো খুব দুঃখজনক। আমাদের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ভাইয়েরাও এটা বোঝার চেষ্টা করবেন। বলা হচ্ছে, জামায়াতে ভোট দিলে তিনি জান্নাতে যাবেন। আচ্ছা ধরুন, জান্নাতে যাবে সব মুসলমান। তাহলে এই হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ভাইয়েরা যাবে কোথায়? কাজেই এই স্ট্যান্ডবাজি করার কোনো মানে হয় না। আর স্ট্যান্ডবাজিতে বোঝা যায়—

এটা ধাপ্পাবাজি, এটা ভণ্ডামি। আপনি যা, সেটাই বলেন। আপনি ময়ূরকে ময়ূরই বলেন, কাককে কাকই বলেন। কিন্তু ময়ূরকে কাক কিংবা কাককে ময়ূর বলবেন না। যদি আপনি ইসলামের শাসনই কায়েম করতে চান এবং সেটাই করেন, তাহলে সেটা তো আপনি অন্য কোনো ধর্মের লোক দিয়ে নয়, সেটা আপনার নিজের ধর্মের লোক দিয়েই কায়েম করবেন। হিন্দুদের ভোট নেওয়ার জন্য এটা জামায়াতের একটা স্ট্যান্ডবাজি। আমি বিশ্বাস করি, সারা দেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ভাইয়েরা বিশেষ করে হিন্দু ভাইয়েরা এ বিষয়টা বুঝবে যে, এটা জামায়াতের ধাপ্পাবাজি-চালবাজি।

অনেক জামায়াত নেতা বেহেশতের টিকিট বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাতে যাবে, আর দাঁড়িপাড়ায় ভোট না দিলে জাহান্নামে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?

মনি: পৃথিবীতে ৫২টি মুসলিম দেশ আছে। এর মধ্যে ৫১টি দেশে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নেই। দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে যদি জান্নাত নিশ্চিত হয়, তাহলে এসব মুসলিম দেশের লোকজন কোথায় যাবে? এটা জাস্ট স্ট্যান্ডবাজি। যদি দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশত নিশ্চিত হয়, তাহলে আপনি ২০১৮ সালে কেন ধানের শীষে নির্বাচন করলেন? আপনার এত ক্ষমতা যে, কেউ মারা গেলে আপনি তাকে জান্নাতে পাঠাতে পারবেন। এত ক্ষমতা যদি আপনার থাকে, তাহলে পৃথিবীতে ক্ষমতার দরকার কী? তাছাড়া আপনি যদি জান্নাত দিতেই পারেন অর্থাৎ আপনার যদি জান্নাতের এতো গ্যারান্টি থাকে, আপনি যদি জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেন, আপনার কাছে এত জান্নাত আছে—

তাহলে আপনার নামাজ পড়া কিংবা রোজা রাখার দরকার কী? জান্নাত তো আপনার কাছেই আছে। মূলত এ কথা বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, ধর্মভিরু মানুষকে নরম বানানোর চেষ্টা করা এবং তার ভোটটা নেওয়া। আমরা একটা লিবারেল ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাস করি। সেখানে সব ধর্মের, সব মতের লোকের জায়গা আছে। আমরা ডেমোক্রেসিতে বিশ্বাস করি এবং আমাদের দেশকে বিশ্বাস করি।

বরগুনা-২ আসনে দল আপনাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এই আসনে ডা. সুলতান আহমেদকে প্রার্থী করেছে জামায়াত। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীকে কীভাবে দেখছেন?

মনি: ডা. সুলতান আহমেদকে একজন প্রার্থী হিসেবেই দেখি। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থী উনি—নির্বাচনের মাঠে থাকবেন, উনি উনার কথা বলবেন, আমি আমার কথা বলব। মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে, তারা কাকে ভোট দেবে। আমি আমার দলের ম্যানুফেস্টো তুলে ধরব, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কথা বলব, দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলব, বেকারদের কথা বলব, মানুষের কল্যাণের কথা বলব, তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার কথা বলব। অন্যদিকে একমাত্র বেহেশত ছাড়া এ ব্যাপারে উনাদের (জামায়াত) কোনো বক্তব্য নেই। সুতরাং আমি বিশ্বাস করি যে, মানুষ দল-মত নির্বিশেষে আমাদের সমর্থন করবে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির প্রার্থীরা এরই মধ্যে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছে। প্রার্থিতা কেমন হলো, দলের একজন ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে আপনার মূল্যায়ন কী?

মনি: প্রার্থিতা অনেক ভালো হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক যাচাই-বাছাই করে প্রার্থিতা নির্ধারণ করেছেন। আসন্ন নির্বাচনে উনি তাদের প্রার্থী করেছেন—প্রথমত, মানুষের সঙ্গে যাদের সংযোগ আছে; দ্বিতীয়ত, যিনি মানুষের সমস্যা বুঝতে পারেন এবং সমাধান করার সক্ষমতা রাখেন; তৃতীয়ত, মানুষের সঙ্গে যিনি চলাফেরা করেন অর্থাৎ মানুষের কাছাকাছি থাকেন। এ ছাড়া দলের জন্য তার ত্যাগ, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রয়েছে, দেশের জন্যও তার অবদান রয়েছে। সবকিছুই বিবেচনা করে তারেক রহমান সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীকেই মনোনয়ন দিয়েছেন। সেই হিসেবে বিএনপির মনোনয়ন অনেক ভালো হয়েছে। এখন সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রকে নতুন করে বিনির্মাণ করতে হবে। রাষ্ট্র বিনির্মাণ বা রাষ্ট্র পুনর্গঠন বা রাষ্ট্র মেরামত—এটা একটা বিরাট বড় কাজ। এখানে বিএনপির নেতারা, যারা যেখানে যে অবস্থায় আছে, তাদের সবারই কাজ করার এবং কন্ট্রিবিউট করার সুযোগ থাকবে।

মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবার নির্বাচন হতে যাচ্ছে, যেখানে একটা বড় সংখ্যক তরুণ ভোটার এবার ভোট দেবে। তারা কেন বিএনপিকে বেছে নেবে?

মনি: আমি মনে করি, তরুণ ভোটাররা বিএনপিকেই ভোট দেবে। প্রথমত কারণ হলো, তারেক রহমান তরুণদের ব্যাপার নিয়ে ভাবেন এবং তরুণদের জন্য তার স্পেসিফিক প্রোগ্রাম আছে। তরুণদের শিক্ষিত করা, স্কিলড করা, রেসপেক্টিভ ক্ষেত্রে স্কিলড করে তাদের কাজে লাগানো—

এ প্রোগ্রাম শুধু তারেক রহমানের আছে। তারপর তিনি বেকার ভাতা দেবেন এ তরুণদের জন্য, যারা এখন বেকার আছে। তবে আমরা তো দীর্ঘদিন বেকার ভাতা দিতে পারব না, সে পরিস্থিতি তো দেশে নেই। কিন্তু এর মধ্যেই শিক্ষাকে তিনি এই পর্যায়ে নিয়ে যাবেন যে, তরুণদের শিক্ষিত করে ট্রেনিং দিয়ে দেশে অথবা বিদেশে কাজে লাগানোর ব্যবস্থা করবেন। আমি মনে করি, এটা করতে পারলে তরুণদের বিরাট মুক্তি আসবে। নতুবা তরুণরা হয়তো অন্ধকারে হারিয়ে যাবে। তরুণরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়েছে। সেখান থেকে বের করে এনে তরুণদের দায়িত্বশীল করে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য যতটুকু স্কিলড করা দরকার, সেভাবে করে আমরা তরুণদের কাজে লাগাব। এ কারণেই আমরা প্রত্যাশা করি, তরুণরা বিএনপিকে ভোট দেবে। তরুণদের মুক্তির পথ তো আমরাই দেখাতে চেষ্টা করি; আর তো কেউ মুক্তির পথ দেখায় না, বরং তারা (জামায়াত) দেখায় মৃত্যুর পথ অর্থাৎ মারা গেলে তারা জান্নাতে পাঠাবে, মানে তাড়াতাড়ি মরতে হবে। অন্যদিকে আমরা তরুণদের বাঁচিয়ে রাখতে চাই, তাদের স্বাবলম্বী করতে চাই।

নির্বাচনের তপশিল হয়ে গেছে, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিলও করেছেন অর্থাৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরপরও কিছু কিছু মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে সংশয় আছে। আসলে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে আর কোনো সংশয় আছে কি না?

মনি: কিছু মানুষ আছে, যারা প্রায় গত দেড় বছরের প্রথম দিন থেকেই চেষ্টা করছে যেন নির্বাচনটা পিছিয়ে যায়, নির্বাচন না হয়। নির্বাচন না হলে ফল কুড়াতে তাদের সুবিধা হয়। তাছাড়া তাদের অন্য হিডেন কোনো প্রোগ্রাম আছে কি না, জানি না। তারা হয়তো মনে করে, একটা কেওয়াজ কনফিউশন তৈরি হলে, জল ঘোলা হলে সেখানেও একটা সুযোগ তৈরি হতে পারে। নির্বাচন পিছিয়ে যাক—এ রকম প্রত্যাশা কিছু মানুষের সবসময় থাকবে। তবে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী নির্বাচন চায়, বেশিরভাগ মানুষ চায় নির্বাচন সময়মতো হোক। নির্বাচন পেছানোর কোনো পরিস্থিতি আমি দেখি না। যারা ষড়যন্ত্র করে, তারা হয়তো প্রতিদিনই নতুন করে স্বপ্ন দেখে যে, এই ষড়যন্ত্রগুলো কাজে লাগবে। এখন গণতন্ত্র বিনির্মাণ, গণতন্ত্রের প্রত্যাবর্তন খুবই জরুরি। দেশে বিদেশি বিনিয়োগ যদি না হয়, তাহলে এই তরুণদের কী করে অ্যাড্রেস করবেন? একটি দলের এক নেতা বলেছেন যে, মেয়েদের কর্মঘণ্টা পাঁচ ঘণ্টা করবেন। কাজের শিফট হলো ৮ ঘণ্টা, তাহলে ৩ ঘণ্টা কাজ কে করবে? দুই কোটি মেয়ে যদি ৩ ঘণ্টা কাজ না করে, তাহলে আট কোটি ঘণ্টা কাজ হবে না।

ফ্যাক্টরির মালিক যখন দেখবেন, পাঁচ ঘণ্টার কাজ করে নয় ঘণ্টার বেতন দিতে হচ্ছে—স্বাভাবিকভাবেই সেখানে মেয়েদের রিক্রুটমেন্ট বন্ধ করে দেবেন। এর মধ্য দিয়ে মেয়েদের অনায়াসে ঘরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করলেন। ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ৯ কোটি মানুষের কাজকে একেবারে নিষ্ক্রিয় করে দিলেন। এটা দেশ ধ্বংস করার একটা কৌশল। তাদের প্রোগ্রামটাই হলো দেশের অর্থনীতি ভঙ্গুর করা। অর্থনীতি ভঙ্গের এই প্রোগ্রাম পৃথিবীর কোনো সুস্থ মানুষ নেয় কি না, জানা নেই। সৌদির মতো দেশে গেলে দেখবেন, সব জায়গায় মেয়েরা এখন কাজ করছে। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্বশুরবাড়িতে তারেক রহমান

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় আসছে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৭ সদস্য

সোনাগাজী উপজেলা ও পৌর বিএনপির সঙ্গে আব্দুল আউয়াল মিন্টুর মতবিনিময়

মেহেরপুরে জামায়াতের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

শ্বশুরবাড়ির পথে তারেক রহমান

ভোজ্যতেলে পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে হবে

পে-কমিশনের প্রস্তাবে কোন গ্রেডে বেতন কত?

নারায়ণগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

শাহজালালের মাজার ও ওসমানীর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১০

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন মারা গেছেন

১১

বিশ্বকাপ খেলতে মিরাকলের আশা বিসিবি সভাপতির

১২

প্রতীক পেয়েই প্রচারণা, হাতপাখার প্রার্থীকে জরিমানা

১৩

সবার জন্য সমান শিক্ষার সুযোগ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব : রাবি উপাচার্য

১৪

কুমিল্লায় প্রতীক পাননি বিএনপির ২ প্রার্থী

১৫

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির কথা জানালেন আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত

১৬

তিন কারণ দেখিয়ে বিসিবির অনুরোধ প্রত্যাখ্যান আইসিসির

১৭

‘আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে মব নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

১৮

আইসিসির ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম, রাতেই বিসিবি-উপদেষ্টার বৈঠক 

১৯

গ্রিনল্যান্ড দখলের নতুন পরিকল্পনা জানালেন ট্রাম্প

২০
X