বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৪, ১০:১৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে মেয়রসহ ৬ কাউন্সিলর

বগুড়া পৌরসভা ভবন। ছবি : সংগৃহীত
বগুড়া পৌরসভা ভবন। ছবি : সংগৃহীত

বগুড়া পৌরসভার মেয়র এবং ছয় কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নাশকতার একাধিক মামলা দায়ের হওয়ায় আত্মগোপনে রয়েছেন তারা। ফলে বগুড়া পৌরসভার কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও সহিংসতার একাধিক মামলায় বগুড়া পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিমসহ (বাদশা) বিএনপি ও জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছয় কাউন্সিলরকে আসামি করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার এড়াতে বর্তমানে আত্মগোপনে আছেন তারা। এতে পৌরসভার নাগরিক সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন পৌরবাসী। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের দাবি, আত্মগোপনে থেকেও কৌশলে দাপ্তরিক কাজ করছেন এসব জনপ্রতিনিধি।

পৌরসভাটির ওই ছয় কাউন্সিলর হলেন এরশাদুল বারী এরশাদ (৮ নম্বর ওয়ার্ড), পরিমল চন্দ্র দাস (৬ নম্বর ওয়ার্ড), সিপার আল বখতিয়ার (১১ নম্বর ওয়ার্ড), এনামুল হক সুমন (১২ নম্বর ওয়ার্ড), রুস্তম আলী (২০ নম্বর ওয়ার্ড) এবং সংরক্ষিত (১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড) নারী কাউন্সিলর শিরিন আকতার। তাদের মধ্যে এরশাদুল বারী ও শিরিন আকতার জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। পরিমল চন্দ্র দাস জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। বগুড়া শহর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবদলের দুই দফা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন সিপার আল বখতিয়ার (বর্তমানে বহিষ্কৃত)। অন্যদিকে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বে আছেন এনামুল হক সুমন, ২০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি পদে আছেন রুস্তম আলী।

বগুড়া সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৬ জুলাই বগুড়া শহরের সাতমাথায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। ওই সময় আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সহদপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাজা বাদী হয়ে গত সোমবার বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা করেন। এতে জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র রেজাউল করিম বাদশাসহ ৮৭ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগরকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহীনুজ্জামান বলেন, এ মামলার অন্যতম আসামি বগুড়া পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম। গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন তিনি। ওই মামলার এজাহারে ৩ ও ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে বগুড়া পৌরসভার এরশাদুল বারী এরশাদ ও পরিমল চন্দ্র দাসকে।

এ ছাড়া মামলার ২৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে নারী কাউন্সিলর শিরিন আকতারকে। এসব মামলার পর থেকে মেয়রসহ ওই ছয় কাউন্সিলর পলাতক আছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এ বিষয়ে বগুড়া জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল বাছেদ বলেন, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌরসভার মেয়রসহ বিএনপির পাঁচজন এবং জামায়াত সমর্থিত এক কাউন্সিলরকে হয়রানিমূলক বিভিন্ন মামলায় আসামি করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা আইনগতভাবে এর মোকাবিলা করব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঢাবিতে দোয়া-স্মরণসভায় শহীদ ওসমান হাদির ন্যায়বিচারের দাবি

ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেলেন মোবাশ্বের আলম

সুরক্ষা ছাড়াই দেয়াল বেয়ে ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় পর্বতারোহী

বিশ্বকাপে দেশকে মিস করব : মিশা সওদাগর

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ

‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছোটবেলায় দেখেছি: অনন্ত জলিল

ঈদগাহ মাঠ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

যুক্তরাষ্ট্রে তুষারঝড় ও তীব্র ঠান্ডায় ১৪ জনের মৃত্যু

বিশ্বকাপ বয়কট ইস্যুতে পাকিস্তানের ফলপ্রসূ বৈঠক, যা জানা গেল

১০

একই আর্টিস্ট ও কম বাজেটে সিনেমা হবে না : অনন্ত জলিল

১১

রাজনৈতিক দলগুলো অনেক বেশি সচেতন : ইসি সানাউল্লাহ

১২

দেশের সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা

১৩

একটি গোষ্ঠী নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করতে গভীর ষড়যন্ত্র করছে : তারেক রহমান

১৪

স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা ইশরাকের

১৫

জঞ্জাল সরিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই : মঞ্জু

১৬

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ওপর হামলা শিষ্টাচারের লঙ্ঘন : জামায়াত

১৭

অবশেষে মুখ খুললেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল

১৮

হেনস্তার শিকার হয়ে থানায় গেলেন মিমি চক্রবর্তী

১৯

দায়িত্বগ্রহণের চার মাসে ২২৫টি কাজ ও উদ্যোগ গ্রহণ ডাকসুর

২০
X