বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও চলমান কারফিউর কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগে গত ১৯ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত ৯ দিনে যাত্রী ও মালবাহী ট্রেন বন্ধ থাকায় প্রায় ১১ কোটি ২৫ লাখ টাকা আয় কমেছে।
পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রেলওয়ের পাকশী বিভাগ সূত্র জানায়, পাকশী রেল বিভাগের আওতাধীন ১১৪টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে আন্তঃনগর ৫৬টি, মেইল ও লোকাল ট্রেন ৫৮টি। এ ছাড়া মালবাহী ও তেলবাহী ট্রেন চলাচল করে।
বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাত থেকে ঢাকাসহ সারা দেশের সঙ্গে পাকশী রেল বিভাগের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পাকশী রেল বিভাগে প্রতিদিন যাত্রী ও মালবাহী ট্রেনে গড়ে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা আয় হয়। ১৯ জুলাই রাত থেকে শনিবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় প্রায় সোয়া ১১ কোটি টাকা আয় কমেছে। গত সোমবার থেকে শুধু তেলবাহী ট্রেন পশ্চিমাঞ্চলে চলাচল করছে।
পাকশী রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (দায়িত্বরত) একেএম নূরুল আলম বলেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় পাকশী বিভাগে রেলের আয় কমেছে। এ ছাড়া অফিস বন্ধ থাকায় আয়ের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। অফিস চালু হলে এ বিষয়ে সঠিক হিসাব জানানো যাবে।
পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থাপক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ বলেন, দেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে গত ১৯ জুলাই রাত থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে পাকশী রেলের প্রতিদিন ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার মতো আয় কমেছে। সোমবার (২২ জুলাই) থেকে পশ্চিমাঞ্চলে বিশেষ নিরাপত্তায় তেলবাহী ট্রেন চলাচল করছে।
মন্তব্য করুন