মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যশোরে অর্ধশত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি, সাঁকো দিয়ে শিক্ষার্থীদের পারাপার

ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালবেলা
ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালবেলা

টানা বৃষ্টি ও নদ-নদীর উপচে পড়া পানিতে তলিয়ে গেছে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার অর্ধশত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিম্নাঞ্চলের প্রায় বেশির ভাগ স্কুল বন্যা কবলিত হয়ে শ্রেণি কক্ষ ও খেলার মাঠ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে আছে। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে- উপজেলার নেহালপুর, কুলটিয়া, মনোহরপুর ও দূর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় ৫২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করেছে। পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় হাটগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিএইচএমএস নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও হাটগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া মশিয়াহাটি ডিগ্রি কলেজ, কুলটিয়া বালিকা বিদ্যালয়, বাজে কুলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মশিয়াহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ ৮টি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম।

নিম্নাঞ্চলের অধিকাংশ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে ও চারপাশে প্রায় কোমর পর্যন্ত পানি। শুধু তাই নয়, গ্রামীণ সংযোগ সড়কগুলো তলিয়ে যাওয়ায় চলাচলে দুভোর্গ বেড়েছে। ফলে বন্যাকবলিত এলাকার শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বেশির ভাগ স্কুল খোলা থাকায় পানিতে ভিজে স্কুলে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এতে স্কুল ড্রেসসহ শিক্ষা উপকরণ পানিতে ভিজে শিক্ষার্থীরা পড়ছেন বিপাকে। বিদ্যালয়ের মাঠে পানি থাকায় খেলাধুলা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে। পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।

আলীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতা রানী কালবেলাকে বলেন, টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে স্কুল মাঠে পানি জমেছে। এতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে।

উপজেলা লখাইডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক উৎপল বিশ্বাস জানান, প্রায় দেড় মাস ধরে স্কুলের মাঠে পানি জমে রয়েছে। বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ভবনের নিচতলায় শ্রেণি কক্ষে পানি ঢুকে যাওয়া শ্রেণি কার্যক্রম দ্বিতলায় চালাতে হচ্ছে।

হাটগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সনজিৎ কুমার বিশ্বাস বলেন, শ্রেণি কক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসকে লিখিতভাবে অব্যাহতি করা হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকরাম হোসেন কালবেলাকে বলেন, শ্রেণি কক্ষে পানি ঢুকে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধের উপক্রম এমন পাঁচটি বিদ্যালয়ের লিখিত আবেদন পেয়েছি। শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখতে বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষকদের পাঠদান করাতে বলা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা, সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন স্পিকার

অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

দুর্যোগ তহবিল আটকে দেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

সকালের মধ্যেই ঢাকাসহ ১০ জেলায় হতে পারে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি

ইইউসহ ৬০ বাণিজ্য দেশের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সিসিক প্রশাসক

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

১০

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

১১

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

১২

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৩

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

১৪

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

১৫

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১৬

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১৭

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১৮

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১৯

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

২০
X