রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘দেশকে মেধাশূন্য করতেই বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড’

আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ড. কেরামত আলী। ছবি : কালবেলা
আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ড. কেরামত আলী। ছবি : কালবেলা

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরীর আমির মাওলানা ড. কেরামত আলী বলেছেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বুদ্ধিজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। অথচ মহান বিজয়ের মাত্র দু-দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে। মূলত দেশকে মেধাশূন্য ও পরনির্ভরশীল করতেই পরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) নগরীর জিয়া পার্কে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মাওলানা ড. কেরামত আলী বলেন, স্বাধীনতার মাত্র দু-দিন আগে ঢাকা ছিল অবরুদ্ধ। নিয়ন্ত্রণ ছিল স্বাধীনতাকামীদের হাতে। সেই সময় মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে হত্যা করা হয়েছে। যেসব বুদ্ধিজীবীরা স্বাধীন দেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে ভূমিকা রাখবে, নবগঠিত এই রাষ্ট্র যেন করদ রাজ্যে পরিণত করা যায়, এই পরিকল্পনা ও চিন্তা থেকে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

রাজশাহী মহানগরীর নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে এবং রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডলের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান, জামায়াতের রাজশাহী জেলা সেক্রেটারি গোলাম মুর্তজা, মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসাইন, সাংগঠনিক সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার।

এ সময় অন্যদের উপস্থিতি ছিলেন- রাজশাহী মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক সারওয়ার জাহান প্রিন্স, সিরাজুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, আশরাফুল আলম ইমন, সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি বার্তা, প্রকাশ করল শিক্ষা বোর্ড

শাজাহানপুরে যুবদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাজেটে কৃষি খাতের প্রকৃত বরাদ্দ ও কৃষকের অধিকার নিয়ে নাগরিক সংলাপ

হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ

পরিচয়ের খোঁজে আদালতে ক্লাউডিয়া চৌধুরী

ইসলামী ব্যাংক আরও ১ হাজার কোটি টাকা পেল

কুরাসাওকে ৭ গোল দেওয়ার পর নতুন আতঙ্কে জার্মান শিবির

প্রাচীন গৌড়ের সোনামসজিদ পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত

তাবলিগের আমিরকে হত্যা: আপিলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্ত্রী খালাস

আতাউর রহমানের কবিতা : আমি ভালো নেই 

১০

১৬ লাখ টন তেল কিনতে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন জ্বালানিমন্ত্রী

১১

এক বছরের মধ্যে সব নারী চা শ্রমিকের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছাবে : প্রধানমন্ত্রী

১২

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি / ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের অর্ধেকের বেশি অর্থায়ন ইতোমধ্যেই নিশ্চিত

১৩

বাবা ফ্রান্সের কিংবদন্তি, তবু জিদানপুত্র কেন বেছে নিলেন আলজেরিয়া?

১৪

বিএনপি নেতার ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, তদন্ত কমিটি গঠন

১৫

স্বামীর সঙ্গে কাটানো বিশেষ সময়ের ছবি প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী

১৬

লিফটকে পুনরায় মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণার দাবি বেলিয়ার

১৭

তারিক সামিনের কবিতা : স্নিগ্ধ ভোর, সতেজ আঁখি

১৮

৩ দিনেও খোঁজ নেই শিশু সামিউলের, উৎকণ্ঠায় স্বজনরা

১৯

২৭ রানেই ৫ উইকেট নেই বাংলাদেশের

২০
X