কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট ২০২৩, ০৭:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনে কীটনাশক দিয়ে মাছ শিকার, গ্রেপ্তার ১৪

সুন্দরবনের নদী-খালে কীটনাশক দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে রোববার গ্রেপ্তার ১৪ জন। ছবি: কালবেলা
সুন্দরবনের নদী-খালে কীটনাশক দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে রোববার গ্রেপ্তার ১৪ জন। ছবি: কালবেলা

সুন্দরবনের নদী-খালে কীটনাশক দিয়ে মাছ ধরার অভিযোগে পাঁচ নৌকাসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বন বিভাগ।

রোববার (১৩ আগস্ট) ভোরে পশ্চিম সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের বানিয়াখালী স্টেশনের ভাগ্নেকাটি ভারানী খাল এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের তথ্য মতে, সুন্দরবনের মরজাত নদীর সংযোগ স্থান থেকে নৌকা, চরপাটা জাল ও পাঁচ বোতল কীটনাশক উদ্ধার করা হয়।

বানিয়াখালী বন বিভাগের স্টেশন কর্মকর্তা আবুল খায়ের মোহাম্মদ আবু সাঈদের নেতৃত্বে এ অভিযান হয়।

গ্রেপ্তার ১৪ জন হলেন- কয়রা উপজেলার কুমার খালী গ্রামের মো. রবিউল (৩৬), বেজপাড়া গ্রামের মোহাব্বত আলী সরদার (৫০), খেওনা গ্রামের মুহিদুল গাজী (৪৮), পাটনীখালী গ্রামের সোবহান মোল্যা (৩৬), পাটনিখালী গ্রামের সাহেব আলী (২৩), ফতেকাটি গ্রামের তোফাজ্জেল (৪০), ভান্ডারপোল গ্রামের মোস্তফা শেখ (৫০), ভান্ডারপোল গ্রামের আমির আলী হাজী (৬৫), দক্ষিণ খেওনা গ্রামের কুরবান আলী (৬০), দক্ষিণ খেওনা গ্রামের সবুর সানা (৬৬), চান্নিরচক গ্রামের জসিম সরদার (৬৮), পাটনিখালী গ্রামের হাফিজুল (৪৮), চান্নিরচক গ্রামের শাহাদাত গাজী (৩৫) ও পাইকগাছা উপজেলার গজালিয়া গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলাম (৪২)।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বানিয়াখালি বন বিভাগের কর্মকর্তা সাঈদ কালবেলাকে বলেন, ‘সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ সময়ে নিয়মিত অভিযানকালে দূর থেকে ভাগ্নিকাঠি ভাড়ানি খালে একটি নৌকায় কয়েকজনকে প্রবেশ করতে দেখি। তাদের নৌকার কাছে পৌঁছে সুন্দরবনে প্রবেশের কারণ জানতে চাওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ভেতরে আরও নৌকা রাখার খবর জানান। পরে অভিযান চালিয়ে সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, ‘এ ব্যাপারে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। অসাধু জেলেদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তাদের কয়রা উপজেলা জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ড ম্যাচে জার্সি বদলাতে চাইছে আর্জেন্টিনা, কিন্তু কেন?

ইসলামাবাদ সমঝোতা শেষ, সব মার্কিন ঘাঁটিই এখন লক্ষ্যবস্তু: ইরান

৪ জেলার মানুষের ভোগান্তির সেই সড়কে উন্নয়ন কাজ শুরু

বন্যার পানিতে যে ১০ ভুল কখনো করবেন না

৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লা নগরী

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন কমিটি

যুবদল নেতা রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা

‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে চার দফা প্রস্তাব শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি

ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১০

ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবিলায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

১১

স্বাধীনতার ৫৭ বছরেও পাকা হয়নি ভরিপাশা-তালতলী সড়ক

১২

চট্টগ্রামে বন্যায় সাপের কামড়ে আহত ৭৫

১৩

চট্টগ্রামে নামছে বন্যার পানি, ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

১৪

এনসিসি ব্যাংক ও আকিজ রিসোর্স গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

১৫

ঢাবির খেলার মাঠে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করবে ডাকসু

১৬

সীতাকুণ্ডে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে কারখানার সড়ক অবরোধ

১৭

সেমিফাইনালে কখনোই হারেনি আর্জেন্টিনা, এবার কী হবে

১৮

৩০০ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেবে প্রশিকা, দ্রুত আবেদন করুন

১৯

চট্টগ্রাম নগরীতে কমেছে জলাবদ্ধতা, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নগরজীবন

২০
X