মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মুজাহিদ মসি, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য জিগার গাছের আঠা!

জিগার গাছ, আঠা ও লজ্জাবতী বানর। ছবি : কালবেলা
জিগার গাছ, আঠা ও লজ্জাবতী বানর। ছবি : কালবেলা

জিগার গাছের আঠা লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য। হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ১০০-১৫০ জিগার গাছ রয়েছে। যা বনে থাকা শতাধিক লজ্জাবতী বানরের খাবারের যোগানদাতা এসব গাছের আঠা।

এমন তথ্য জানিয়েছেন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ও স্থানীয়রা। সাতছড়ির এসব গাছ ও লজ্জাবতীর বানরের এমন সংখ্যাও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় বন বিভাগ।

মামুনুর রশিদ বলেন, জিগার গাছে আঠাতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন ও হাইড্রোকার্বন থাকে, যা লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য। তাই গাছটি অত্যন্ত উপকারী বন্যপ্রাণীর জন্যে। এসব গাছ বাড়ানোর জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করছি।

পাখি প্রেমিক সোসাইটির যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, বন্যপ্রাণীর জন্য উপকারী এই জিগার গাছের আঠা। এসব গাছ সরকারিভাবে আরো রোপণ করা উচিত।

আরও জানা যায়, ‘জিগার’ গাছ। অন্য নাম জিকা/জিগা গাছ। বৈজ্ঞানিক নাম Lannea coromandelica. ঢাকার ধানমন্ডির ‘জিগাতলা’ এই গাছের নাম থেকেই এসেছে। কারণ এক সময় এখানে প্রচুর ‘জিগা’ গাছ ছিল। এই গাছ খাল-পাড় বা পরিত্যক্ত জমিতে অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে উঠতে পারে। তেমন কোনো পরিচর্যা করা লাগে না।

এমনকি গাছ কেটে ফেললেও সামান্য বৃষ্টির পানিতে প্রাণবন্ত হয়ে পাতা গজিয়ে অল্পদিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ গাছ হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়। এই গাছের কাণ্ডে ক্ষত করে দিলে সেখান থেকে ঘন জেলির মতো আঠা বের হয়।

বেশিদিন আগের কথা নয়, ২০১০ সালের দিকেও দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিসে এই আঠা ব্যাপক-ভাবে ব্যবহার করা হতো। ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবেও এই গাছের ব্যবহার রয়েছে। গাছের বাকল বা ছাল (Bark) আমাশয় ও জন্ডিস রোগের মহৌষধ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি, নাকি সংকটের পূর্বাভাস

এভাবেও হৃদয় জয়ের গল্প লেখা যায়

স্পেনকে রুখে দেওয়া কেপ ভার্দে আসলে কেমন দেশ?

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

হবিগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : মির্জা ফখরুল

প্রথমার্ধে কেপ ভার্দের গোলকিপারের দৃঢ়তায় গোল পায়নি স্পেন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক : কারও কাছে আশীর্বাদ, কারও কাছে অভিশাপ

১০

আইএটি-বুয়েটের ‘এআই যুগে শিক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন’ বিষয়ক সেমিনার

১১

বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিনামূল্যে স্পোর্টস মেডিসিন বোর্ড কনসালটেশন গঠন

১২

শিক্ষা অফিসারদের গাফিলতিতে অনুদান থেকে বঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা

১৩

সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি মোজতবা খামেনি, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র

১৪

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক

১৫

গ্রাহকদের জন্য সুখবর দিল ইসলামী ব্যাংক 

১৬

‘ইসলামী ব্যাংককে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নতুন প্রতিনিধি’

১৭

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

১৮

সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্য, হেফাজতের প্রতিবাদ

১৯

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প ও ভ্যান্স

২০
X