মুজাহিদ মসি, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:২০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য জিগার গাছের আঠা!

জিগার গাছ, আঠা ও লজ্জাবতী বানর। ছবি : কালবেলা
জিগার গাছ, আঠা ও লজ্জাবতী বানর। ছবি : কালবেলা

জিগার গাছের আঠা লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য। হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ১০০-১৫০ জিগার গাছ রয়েছে। যা বনে থাকা শতাধিক লজ্জাবতী বানরের খাবারের যোগানদাতা এসব গাছের আঠা।

এমন তথ্য জানিয়েছেন সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন্যপ্রাণী বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ও স্থানীয়রা। সাতছড়ির এসব গাছ ও লজ্জাবতীর বানরের এমন সংখ্যাও নিশ্চিত করেছে স্থানীয় বন বিভাগ।

মামুনুর রশিদ বলেন, জিগার গাছে আঠাতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন ও হাইড্রোকার্বন থাকে, যা লজ্জাবতী বানরের প্রধান খাদ্য। তাই গাছটি অত্যন্ত উপকারী বন্যপ্রাণীর জন্যে। এসব গাছ বাড়ানোর জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপও গ্রহণ করছি।

পাখি প্রেমিক সোসাইটির যুগ্ম আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, বন্যপ্রাণীর জন্য উপকারী এই জিগার গাছের আঠা। এসব গাছ সরকারিভাবে আরো রোপণ করা উচিত।

আরও জানা যায়, ‘জিগার’ গাছ। অন্য নাম জিকা/জিগা গাছ। বৈজ্ঞানিক নাম Lannea coromandelica. ঢাকার ধানমন্ডির ‘জিগাতলা’ এই গাছের নাম থেকেই এসেছে। কারণ এক সময় এখানে প্রচুর ‘জিগা’ গাছ ছিল। এই গাছ খাল-পাড় বা পরিত্যক্ত জমিতে অযত্ন-অবহেলায় বেড়ে উঠতে পারে। তেমন কোনো পরিচর্যা করা লাগে না।

এমনকি গাছ কেটে ফেললেও সামান্য বৃষ্টির পানিতে প্রাণবন্ত হয়ে পাতা গজিয়ে অল্পদিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ গাছ হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়। এই গাছের কাণ্ডে ক্ষত করে দিলে সেখান থেকে ঘন জেলির মতো আঠা বের হয়।

বেশিদিন আগের কথা নয়, ২০১০ সালের দিকেও দেশের বিভিন্ন পোস্ট অফিসে এই আঠা ব্যাপক-ভাবে ব্যবহার করা হতো। ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবেও এই গাছের ব্যবহার রয়েছে। গাছের বাকল বা ছাল (Bark) আমাশয় ও জন্ডিস রোগের মহৌষধ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাতের মধ্যে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায়

ডিজিটাল মাধ্যমেও নারী-শিশুরা নিরাপদ নয় : নিপুণ রায় 

আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, আটক ৫

ময়লাবাহী ট্রাকচাপায় যুবদল ও ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

সরকার অনিয়মের নির্বাচন করলে মুখ থুবড়ে পড়বে : জাতীয় পার্টির মহাসচিব

সোলার এনার্জিতে উজ্জ্বল পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া, কমছে বিপুল বিদ্যুৎ বিল

আর্মি স্টেডিয়ামে কূটনৈতিক কোর ও বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের প্রীতি ম্যাচ

প্রধানমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা : অধ্যাপক ডোনার

যে জয়ের কথা স্মরণ করলেন মাশরাফি

শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যা 

১০

প্রথমবারের মতো উদ্ধার অভিযানে স্পিডবোট ড্রোন ব্যবহার করল যুক্তরাষ্ট্র

১১

লোকসংগীত শিল্পী সোহাগের রয়্যালটির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

১২

ঢাকা শহরে স্মার্ট পোস্ট বক্স বসাবে সরকার

১৩

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে 

১৪

আ.লীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ : ছাত্রলীগের ৮৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

১৫

অংশীজনদের নিয়ে আইসিএবি জনস্বার্থ ফোরামের যাত্রা শুরু

১৬

অজিদের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ে জিতলো বাংলাদেশ

১৭

বিচারককে হাইকোর্টে তলব / হবিগঞ্জে ৫ বছরেও শেষ হয়নি ‘ধর্ষণ ও হত্যা’ মামলার বিচার

১৮

নকল ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অপ্রতুল : বিএসটিআইকে ক্যাব

১৯

ইরান ও হুথিদের পদক্ষেপের প্রশংসায় হিজবুল্লাহ

২০
X