পরশুরাম (ফেনী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫, ০১:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই

মুহুরি, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ছবি : কালবেলা
মুহুরি, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ছবি : কালবেলা

ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজানের পানি চাপে ফেনীর পরশুরামের মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই। এতে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

বুধবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে মুহুরী ও সিলোনিয়া নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে নতুন করে নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে আবারও ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, মুহুরী নদীর পানি বুধবার সকাল থেকে ১১ দশমিক ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের অলকা গ্রামের শামসুল আলম বলেন, ঘুম থেকে উঠে দেখি নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরে পরপর দুই দফা বন্যায় সব হারিয়ে শেষ হয়ে গেছি। এখন আবার বন্যা দেখা দিলে আমন ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।

একই ইউনিয়নের পশ্চিম অলকা গ্রামের মাসুম চৌধুরী বলেন, গত জুলাই মাসের বন্যার ক্ষত এখনো কেটে উঠতে পারিনি। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘর এখনো নতুন করে বাঁধতে পারিনি। সকাল থেকে নদীর পানি বাড়তে দেখে পরিবার-পরিজন নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেন, চলতি বছরে দুই দফায় মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর ৪১টি স্থানে বাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ঠিকাদার নিয়োগ করে ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে ৪০টি বাঁধ জিও টিউবের মাধ্যমে পূর্ণ মেরামত করা হয়েছে। শুধু একটি বাঁধ ভারতীয় বিএসএফের বাধার কারণে মেরামত সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও বলেন, নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এ মুহূর্তে লোকালয়ে পানি ঢোকার কোনো সম্ভাবনা নেই।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে ৮ জুলাই ভয়াবহ বন্যায় মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর ৪১ স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এর আগে গত বছরের ২০ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার ৩টি নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ফেনীসহ বিস্তীর্ণ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায় এতে রাস্তাঘাট, ফসলি জমি ও ব্রিজ-কালভার্টসহ ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়।

কালবেলা/এসআই/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে এরপর কী? জেনে নিন সংবিধানের বিধান

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনা, সফর সংক্ষিপ্ত করে আজই দেশে ফিরছেন স্পিকার

অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

দুর্যোগ তহবিল আটকে দেওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা

সকালের মধ্যেই ঢাকাসহ ১০ জেলায় হতে পারে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি

ইইউসহ ৬০ বাণিজ্য দেশের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সিসিক প্রশাসক

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

১০

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

১১

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

১২

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

১৩

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৪

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

১৫

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

১৬

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১৭

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১৮

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১৯

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

২০
X