বাকেরগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ভাঙছে নদী, তলিয়ে যাচ্ছে গ্রাম

নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা
নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা

বরিশালের বাকেরগঞ্জে পাণ্ডব নদীর ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ,মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল হাটবাজার এমনকি কবরস্থান হুমকিতে রয়েছে সহস্রাধিক পরিবার।

স্থানীয়রা বলছেন, টেকসই বেড়িবাঁধ বা জিও ব্যাগ না থাকায় প্রতিবছরই ভাঙনের শিকার হতে হচ্ছে তাদের। ইতোমধ্যে নদীতে দুটি গ্রাম প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। আরও সহস্রাধিক ঘরবাড়িগুলো রয়েছে সরাসরি হুমকির মুখে।

তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে এই সহস্রাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে। এমনকি দুটি ঐতিহ্যবাহী গ্রাম মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যেতে পারে।

লক্ষীপাশা গ্রামের কবির হাওলাদার জানান, লক্ষ্মীপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বাজার কয়েক একর জমিসহ শতাধিক বাড়িঘর ইতোমধ্যে নদীতে গেছে। আতঙ্কে দিন কাটছে, যে কোনো সময় এলাকার আরও বাড়িঘর তলিয়ে যাবে নদীতে।

কবাই বাজারের মাসুদ গাজী বলেন, কবাই বাজারটি খুব বড় ছিল। প্রতি সপ্তাহে এ বাজারে দুই দিন হাট মিলত, নদীভাঙনের কবলে পড়ে এখন ছোট হয়ে গেছে বাজারটি। এ ছাড়া ফসলি জমিসহ অনেক বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

কবাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম তালুকদার জানান, নদী ভাঙনের বিষয়ে উপজেলার মাসিক মিটিংয়ে আলোচনা করেছি। এ ছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডকেও অবগত করা হয়েছে। তারা আশ্বস্ত করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, পাণ্ডব নদীর ভাঙনের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

জাবিতে নতুন দুই উপ-উপাচার্যের যোগদান

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস পালন করল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস

হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

আরেক দফায় ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

যে কারণে রোগী প্রতিদিন হাসে, কিন্তু আনন্দ পায় না

ডলারকে আমি চিনি : রামিসার বাবা

ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে মরক্কো: মামদানি

মালদ্বীপ-বাংলাদেশ ম্যাচে উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তে সংঘর্ষ ১-১ গোলে ড্র

১০

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হলেন সিসিক প্রশাসক

১১

নেতানিয়াহুকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি অবশ্যই মেনে নিতে হবে : ট্রাম্প

১২

দিনাজপুরে জমে উঠেছে লিচুর বাজার

১৩

শয়তানের মূল ঘাঁটি তেহরানে : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

১৪

ভুয়া কমিটি নিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা

১৫

৪,৬৯০ অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠাল সৌদি, গ্রেপ্তার আরও ৭ হাজার

১৬

ইসরায়েলের হামলার পর এবার বড় সিদ্ধান্ত নিলো ইরান

১৭

সৌদি আরব / প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতা

১৮

বিদ্যালয়ে ঢুকতে বাধা, গেটের সামনেই প্রধান শিক্ষককে মারধর

১৯

গভীর রাতে ফেলে যাওয়া কাফনের কাপড়ে আরবি হরফ ঘিরে রহস্য

২০
X