টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০২:১৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনাবাদি জমিতে ড্রাগন চাষ

শিক্ষা প্রতিষ্টানের পতিত জমিতে ড্রাগন ফল চাষ। ছবি : কালবেলা
শিক্ষা প্রতিষ্টানের পতিত জমিতে ড্রাগন ফল চাষ। ছবি : কালবেলা

টাঙ্গাইলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনাবাদি জমিতে ড্রাগন ফল চাষ করে সুনাম কুড়িয়েছে। স্বল্প খরচে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পড়ে থাকা পতিত জমিতে ড্রাগনের চারা লাগিয়ে প্রতি মৌসুমে উদ্যোক্তারা আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় দেউলি ইউনিয়নে আলালপুর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাস্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা ও পারিবারিক কবরস্থানের প্রায় ১৮ একর জমির মধ্য ১০ একর পতিত জমিতে এই ড্রাগন চাষ করা হয়েছে।

বাগানের কৃষকরা বলেন, এখন ড্রাগন ফলের মৌসুম। আমাদের বাগানে লাল, গোলাপি, বেগুনি, হলুদ ও সাদা জাতের ফল রয়েছে। তবে আমাদের বাগানে ফল বেশি বড় হচ্ছে না। কেজিতে পাঁচ ছয়টা ধরে। ড্রাগন ফল বাজারজাত করতে কোনো কষ্ট হয় না। এখানে স্থানীয়ভাবেও পাইকারিদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এ ছাড়া নিজস্ব খরচে ঢাকায় পাঠালে পাইকারিরা ন্যায্যমূল্য দিয়ে থাকেন।

তারা বলেন, প্রতিদিন প্রায় ৬০০ থেকে ৮০০ কেজি ড্রাগন ফল উত্তোলন করা যায়। তা না করে মাসে মাসে উত্তোলন করার চেষ্টা করি। আবার স্থানীয় পাইকারদের চাহিদা খাকলে প্রতিদিন উত্তোলন করে তাদের দিয়ে থাকি। স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি দুই থেকে আড়াইশ টাকা বিক্রি করে থাকি।

বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো.লুৎফর রহমান বলেন, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চারদিকে ঘেরা ড্রাগনের বাগান। দেখতেও সুন্দর তাছাড়াও এই বাগানের পাশ দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা বিনোদনের সময়টুকু মনোরম পরিবেশে সময় দেন। তাদের দূরে যেতে হয় না। এদিকে প্রতিষ্ঠানও লাভবান হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবুল কাশেম ট্রাস্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কাশেম বলেন, এখানে পারিবারিক কবরস্থানসহ প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে গত এক বছর ধরে ড্রাগনের চাষ করা হয়েছে। এতে বেশির ভাগ পতিত জমি রয়েছে এতিমখানার, সেই জমির ওপর ড্রাগন চাষ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামীতে প্রতিষ্ঠান যেন পরনির্ভরশীল না হয় সেই লক্ষেই আমার এই উদ্যোগ। এখানে এতিমখানায় যাতে দুই থেকে তিনশত এতিম সন্তান থাকতে পারে। তাদের আর্থিক কোনো কষ্ট না হয় সেইটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি ড্রাগন ফল চাষে এগিয়ে যাচ্ছি। বাগানটি করতে দেশের অনেক জায়গাতে ঘুরতে হয়েছে। সর্বশেষ নাটোর থেকে এই ড্রাগনের চারা এনে বপন করা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইংল্যান্ড ম্যাচে জার্সি বদলাতে চাইছে আর্জেন্টিনা, কিন্তু কেন?

ইসলামাবাদ সমঝোতা শেষ, সব মার্কিন ঘাঁটিই এখন লক্ষ্যবস্তু: ইরান

৪ জেলার মানুষের ভোগান্তির সেই সড়কে উন্নয়ন কাজ শুরু

বন্যার পানিতে যে ১০ ভুল কখনো করবেন না

৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে কুমিল্লা নগরী

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নতুন কমিটি

যুবদল নেতা রুবেল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা

‘ইনকিলাব কালচারাল ট্রাস্ট’ গঠনে চার দফা প্রস্তাব শহীদ ওসমান হাদি ফাউন্ডেশনের

প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবি

ঢাবিতে ‘তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১০

ঢাবির দুই ছাত্রী হলের জলাবদ্ধতা নিরসন, দুর্যোগ মোকাবিলায় ৭ সদস্যের কমিটি গঠন

১১

স্বাধীনতার ৫৭ বছরেও পাকা হয়নি ভরিপাশা-তালতলী সড়ক

১২

চট্টগ্রামে বন্যায় সাপের কামড়ে আহত ৭৫

১৩

চট্টগ্রামে নামছে বন্যার পানি, ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

১৪

এনসিসি ব্যাংক ও আকিজ রিসোর্স গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

১৫

ঢাবির খেলার মাঠে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে দেশীয় মাছ অবমুক্ত করবে ডাকসু

১৬

সীতাকুণ্ডে জলাবদ্ধতার প্রতিবাদে কারখানার সড়ক অবরোধ

১৭

সেমিফাইনালে কখনোই হারেনি আর্জেন্টিনা, এবার কী হবে

১৮

৩০০ তরুণ-তরুণীকে চাকরি দেবে প্রশিকা, দ্রুত আবেদন করুন

১৯

চট্টগ্রাম নগরীতে কমেছে জলাবদ্ধতা, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নগরজীবন

২০
X