ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:৩৪ পিএম
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামে সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

কুড়িগ্রামে ভেঙে গেছে বাঁশের সাঁকো। ছবি : কালবেলা
কুড়িগ্রামে ভেঙে গেছে বাঁশের সাঁকো। ছবি : কালবেলা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বারোমাসিয়া নদীর ওপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের সাঁকো গত বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পারাপারে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষ। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে তাদের। ফলে অর্থ ও সময় অপচয়ের পাশাপাশি ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও সাঁকোটি মেরামতের উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলমতি ওয়ার্ডের ইন্তুর ঘাট এলাকায় নির্মিত প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ বাশের সাঁকো দিয়ে ধরলা ও বারোমাসিয়া নদীর তীরবর্তী প্রায় ১০ গ্রামের মানুষের চলাচল। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়ত, গ্রামবাসীর হাটবাজার যাওয়া আসা, জরুরি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ, কৃষিপণ্য ক্রয় বিক্রয়সহ সবকিছুতেই নির্ভর করতে হয় এই সাঁকোটির ওপর। কিন্তু গত বন্যায় পানির তোড়ে সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন তারা। বাধ্য হয়ে নৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে তাদের।

ওই এলাকার নুর হোসেন (৬০), সাহার আলী (৪৫) ও মজিবর রহমান (৫৫) জানান, প্রতিবছর আমরা স্থানীয়ভাবে বাঁশ টাকা সংগ্রহ করে সাঁকোটি মেরামত করে চলাচল করি। কিন্তু এবছর বন্যায় বিরাট অংশ ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে মেরামত সম্ভব হচ্ছে না। তাই সাঁকো মেরামতে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা পরিষদের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

একই এলাকার খলিলুর রহমান বলেন, জমিতে ছিটানোর জন্য নৌকায় করে তিন বস্তা সার নিয়ে চরে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ নৌকা থেকে সারের বস্তা নদীতে পরে সার নষ্ট হয়ে গেছে। সাঁকো থাকলে আমার এ ধরনের ক্ষতি হতো না।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাছেন আলী বলেন, সাঁকো সংস্কারে ইউনিয়ন পরিষদের কোনো বরাদ্দ নাই। আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় সাঁকোটি মেরামত করা হবে।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিব্বির আহমেদ বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাঁকোটি মেরামত করার ব্যবস্থা করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বঙ্গোপসাগরের এক ইলিশ সাড়ে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি

স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়ায় যে ১২ খাবার

সবজির দাম নাগালের বাইরে, বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত

রাকসুর জিএস আম্মারের ওপর হামলার অভিযোগ

একসঙ্গে ৯৩ শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ সুপারকে পদায়ন

‘জেলেনস্কিকে অবশ্যই ইরানি জাহাজে হামলার পরিণতি ভোগ করতে হবে’

দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, প্রাণ গেল অটোরিকশাচালকের

হলিউডে পা রোনালদোর, কোন চরিত্রে?

প্রেম করে দ্বিতীয় বিয়ে, তালাক দেওয়ায় যে কাণ্ড ইউপি সদস্যের

লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

১০

খাগড়াছড়িতে বিজিবি-চোরাকারবারিদের গোলাগুলি, আগ্নেয়াস্ত্র ও ভারতীয় রুপি উদ্ধার

১১

সময় বেঁধে সিএনজি স্টেশন মালিকদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

১২

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

১৩

বিশ্বকাপ ফাইনালের রেফারির হঠাৎ অবসর

১৪

মন্তব্যকারীদের অফিসে এসে কথা বলার আহ্বান ওমর সানীর

১৫

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন: মির্জা ফখরুল

১৬

চট্টগ্রামে চীনা বিনিয়োগের নতুন অধ্যায়

১৭

১২ দলীয় জোটে তীব্র অসন্তোষ: ২ দলকে বহিষ্কারের নীতিগত সিদ্ধান্ত

১৮

প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে নতুন সংশোধনী বিল লোকসভায়, বিরোধীদের হট্টগোল

১৯

পেস্টের রাসায়নিক এড়াতে চান? দাঁতের সুরক্ষায় ফিরুন মিসওয়াকে

২০
X