কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
অনলাইন সংস্করণ

কেউ মিথ্যা বলছে কিনা বুঝবেন যেভাবে

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আপনি কি কখনো মনে করেছেন, কেউ একজন আপনার সঙ্গে ঠিক সত্য বলছে না? কিন্তু নিশ্চিত নন, তাই সরাসরি প্রশ্ন করতেও দ্বিধা লাগছে। হতে পারে কোনো বন্ধু হালকা একটা মিথ্যা বলছে, কিংবা অফিসের কোনো সহকর্মী নিজের সুবিধার জন্য কথা ঘুরিয়ে বলছে।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ছোট-বড় মিথ্যার মুখোমুখি হওয়াটা খুবই সাধারণ। তাই কখন কেউ মিথ্যা বলছে, তা একটু বুঝে নেওয়া দরকার। সরাসরি কাউকে মিথ্যাবাদী বললে অনেক সময় কথা বন্ধ হয়ে যায় বা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে ওঠে। তাই কিছু কৌশলে কথা বলাই ভালো। যেমন, এমনভাবে প্রশ্ন করা, যাতে মানুষটি নিজেই অস্বস্তি বোধ করে।

আবার একই ধরনের কোনো ঘটনা তুলে ধরে জিজ্ঞেস করা যেতে পারে, সে হলে কী করত। কখনো সাধারণভাবে বলা যায়, ‘এ ধরনের ব্যাপারগুলো সত্যিই অদ্ভুত না?’ আবার অনেক সময় শুধু ‘সত্যি?’ বললেই বোঝা যায়, মানুষটি কতটা আত্মবিশ্বাসী।

মিথ্যা বলার সময় মানুষের সাধারণ আচরণ

সব মানুষ এক রকম নয়। তবু মিথ্যা বলার সময় অনেকের মধ্যে কিছু মিল পাওয়া যায়। একটি লক্ষণ দেখেই কাউকে দোষী বলা ঠিক নয়। তবে কয়েকটি লক্ষণ একসঙ্গে দেখা গেলে সতর্ক হওয়া ভালো।

- প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বাভাবিক দেরি করে

- আপনার কথায় অতিরিক্ত রাগ বা উত্তেজনা দেখায়

- সরাসরি উত্তর না দিয়ে ঘুরিয়ে নিজের মতামত বলতে থাকে

- নিজের কথা জোরালো করতে আপনার কথাই আবার ব্যবহার করে

- গা এলিয়ে বসে থাকে বা শরীরী ভঙ্গি অস্বস্তিকর হয়

- চোখে চোখ রেখে কথা বলা এড়িয়ে চলে

- কথা বলার সময় শরীর বা মুখ ঘুরিয়ে নেয়

- আপনাকে বোঝাতে খুব কম ইশারা বা শারীরিক ভঙ্গি ব্যবহার করে

- গল্পটা ধীরে ধীরে বলে, যেন নীরবতা এড়াতে চায়

- আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দেয়, কিন্তু নিজে কিছু জানতে চায় না

- বাক্যের শুরুতে বলে, ‘সত্যি বলতে’ বা ‘খোলাখুলি বলছি’

- উত্তরগুলো খুব সাজানো ও মুখস্থ করা মনে হয়

- সময় নষ্ট করতে প্রশ্ন আবার করতে বলে বা প্রশ্নের জবাবে প্রশ্ন করে

সব সময় চোখে চোখ না তাকানো বা নার্ভাস হওয়া মানেই যে কেউ মিথ্যা বলছে, তা নয়। কেউ কেউ স্বভাবগতভাবেই লাজুক বা অস্বস্তিতে ভোগে। তাই আচরণ, কথা এবং পরিস্থিতি সব মিলিয়ে বিচার করা জরুরি।

মিথ্যা চেনা কোনো জাদুর মতো বিষয় নয়। তবে একটু মনোযোগী হলে অনেক সময় সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য ধরা যায়। ব্যক্তিগত জীবন হোক বা কর্মক্ষেত্র, সচেতন থাকা আমাদেরই উপকারে আসে। তাড়াহুড়ো করে কাউকে দোষী না ভেবে ধৈর্য নিয়ে পর্যবেক্ষণ করাই সবচেয়ে ভালো পথ। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং প্রতারণার ঝুঁকিও অনেকটা কমে যায়।

সূত্র : লিঙ্কড ইন

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৬০ পেরিয়ে নতুন প্রেমিকা নিয়ে মুখ খুললেন আমির

ভাইবোনের উপহারে ছাড় দিলেও শ্বশুরবাড়ির উপহারে দিতে হবে কর

কানায় কানায় পূর্ণ আলিয়া মাদ্রাসার মাঠ

৮৪ বছর ধরে পড়ে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষ

জব্দকৃত ১০৩ মণ জাটকা গেল এতিমখানায়

ক্লাস চলাকালীন জবি ক্যাম্পাসে মাইক ও খেলাধুলা নিষিদ্ধ

রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে যে ৮ খাবার

বিয়ে করেছেন শাকিব-মান্নার নায়িকা

আপনার শিশুকে সবজি খাওয়ানোর সহজ কিছু উপায়

‘সব প্রশ্নের উত্তর দিতে নেই’—মা হওয়ার গুঞ্জনে কি শাকিবের পথেই হাঁটছেন বুবলী

১০

নিজেকে ‘এমএলএ ফাটাকেষ্ট’ বললেন এমপি প্রার্থী

১১

স্বতন্ত্রে দাঁড়িয়ে বিপদে বিএনপি নেতা

১২

সিলেটে বিএনপির জনসভা শুরু

১৩

ঢাকা-১৬ আসন / মা-বাবার কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু বিএনপির প্রার্থী আমিনুলের

১৪

সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের হামলায় ১১ সেনা নিহত

১৫

খালেদা জিয়া দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন: মান্নান

১৬

বিক্ষোভে নিহতদের সংখ্যা জানাল ইরান

১৭

‘আমি একটা পরী’— পরী মণির কড়া জবাব

১৮

তারেক রহমানই হবেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী : আমান উল্লাহ

১৯

ঢামেকে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসককে মারধর

২০
X