

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জহুরপুরটেক সীমান্তের ওপারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটকের পর নিহত বাংলাদেশির লাশ অবশেষে ফেরত দিয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠক শেষে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
নিহত রবিউল ইসলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং এজাবুর রহমানের ছেলে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে রবিউল ইসলাম অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। পরদিন রোববার ভোরে বিএসএফ তাকে আটক করে একটি ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্ত ও আনুষঙ্গিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে সোমবার রাতে তার মরদেহ বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়।
এ বিষয়ে ৫৩ বিজিবি অধিনায়ক কাজী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার রাতে জহুরপুরটেক সীমান্ত এলাকায় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে রবিউল ইসলামের মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উভয় দেশের পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, বিএসএফের দাবি অনুযায়ী রবিউল ইসলাম মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের পর তিনি বিএসএফের হাতে আটক হন। আটক অবস্থায় হঠাৎ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিয়ে দুই দফা পতাকা বৈঠকে একই তথ্য উপস্থাপন করেছে বিএসএফ।
মন্তব্য করুন