নোয়াখালীতে তৃতীয় দিনের মতো বিএনপির ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলছে। টানা অবরোধের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে ছোট যান চলাচল আগের দুই দিনের তুলনায় বেড়েছে। তবে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ অন্য গাড়ির চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধের সমর্থনে সকালে বেগমগঞ্জের চৌমুহনী শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ছাড়া চলমান গ্রেপ্তার অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার রাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের আরও ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত ২৮ অক্টোবর থেকে বুধবার রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে বিএনপি ও জামায়াতের ১৭৬ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে শহরের নোয়াখালী গেট থেকে দত্তেরহাট এলাকা ঘুরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। তবে এ সময় সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইকের চলাচল আগের দুই দিনের অবরোধের তুলনায় কিছুটা বেশি দেখা গেছে। এদিকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সকাল থেকে কোথায়ও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
সকাল সাতটার দিকে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষ্যা চন্দ্র দাশের নেতৃত্বে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। মিছিলটি চৌমুহনী পূর্ব বাজার থেকে শুরু হয়ে রেল গেইট এলাকা পর্যন্ত এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
এদিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল রাতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে চলমান গ্রেপ্তার অভিযানের অংশ হিসেবে বিএনপি-জামায়াত এবং তাদের সহযোগী সংগঠনের ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে বেগমগঞ্জ একজন, সুধারাম তিনজন, কোম্পানীগঞ্জে ছয়জন, সোনাইমুড়ীতে তিনজন, সেনবাগ ১০ জন, চাটখিলে একজন এবং জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা সবাই বিভিন্ন মামলার আসামি।
মন্তব্য করুন