ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:১৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অসময়ের বৃষ্টিতে আলুর জমিতে পানি, চিন্তিত কৃষক

ক্ষেত থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের চেষ্টায় কৃষক। ছবি : কালবেলা
ক্ষেত থেকে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের চেষ্টায় কৃষক। ছবি : কালবেলা

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো জয়পুরহাটের ক্ষেতলালেও মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) রাত থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে আলুর জমিতে পানি জমতে শুরু করেছে। যা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

ক্ষেতলাল উপজেলায় এবার ৮ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হচ্ছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬২ টন। কৃষকরা আগাম আলু লাগিয়েছে ৪৫০ হেক্টর জমিতে। তবে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে ২ দিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু জমিতে পানি জমতে শুরু করেছে। ফসল বাঁচাতে তাই চিন্তিত কৃষকরা পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে বৃষ্টিতে ভিজে জমি থেকে পানি নিষ্কাশন করছিলেন নিশ্চিন্তা এলাকার কৃষক শাহারুল ইসলাম ও বড় তারা গ্রামের কৃষক শাজাহান আলী।

তাদের সঙ্গে কথা হলে কৃষক শাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এবার তিন বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। তিন দিন আগেই জমিতে সেচ দিয়েছিলাম। কিন্তু তারপর থেকেই জমিতে এই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির পানি জমতে শুরু করেছে। ফসল বাঁচাতে তাই বৃষ্টিতে ভিজেই পানি নিষ্কাশন করছি।’

বড়তারা গ্রামের কৃষক শাজাহান আলী বলেন, ‘আমি ১২ বিঘা আলু লাগিয়েছি। কিন্তু এই অসময়ের বৃষ্টিতে আমার আগাম জাতের আড়াই বিঘা জমিতে পানি জমেছে। তাই পানি নিষ্কাশন করছি। না হলে আলু গাছের গোড়া পচতে পারে এবং গাছ নুইয়ে যেতে পারে। এ রকম বৃষ্টি চলতে থাকলে ক্ষতির সম্মুখীন হবো।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাহিদুর রহমান কালবেলাকে বলেন, জমিতে বেশি দিন পানি জমে থাকলে আলুর পচন ধরে কৃষকের ক্ষতি হতে পারে। সেক্ষেত্রে জমির পানি নিষ্কাশন করলে ক্ষতির সম্ভাবনা কিছুটা কম হবে। তবে এই বৃষ্টিতে ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না। এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই আবহাওয়া ভালো হবে। তবুও আমরা পানি নিষ্কাশনের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি।’

কালবেলা/এমএ/এএএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দাবির প্রেক্ষিতে নয়, দায়িত্ববোধ থেকেই উন্নয়ন করছি: সিসিক প্রশাসক

বাড়ছে করতোয়ার পানি, আতঙ্কে আশ্রয়ণের শতাধিক পরিবার

একাধিকবার প্রবেশের সুযোগ দিয়ে ১ বছরের ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ঢাবি শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব: প্রধানমন্ত্রী

ডিবির হাতে গ্রেপ্তার ভাইরাল সেই রুনা 

ভরা মৌসুমেও ইলিশের আকাল, কারণ খুঁজতে মাঠে বিশেষজ্ঞ দল

বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে দেশে ফিরল স্পেন, মাদ্রিদে লাখো মানুষের ঢল

ইউক্রেনে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা, ৪ ভারতীয় নাবিক নিহত

রক্ত, আতঙ্ক আর দীর্ঘশ্বাসে লেখা ২১ জুলাই: যে দিন সাভারের আকাশ ভারী হয়েছিল কান্নায়

১০

সংশোধন নয়, সংস্কারের মধ্যে দিয়ে নতুন সংবিধানের কথা বলেছিলাম আমরা : আখতার হোসেন 

১১

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

১২

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

১৩

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

১৪

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

১৫

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

১৬

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

১৭

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

১৮

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

১৯

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

২০
X