বরিশাল ব্যুরো
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ১২:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বরিশালে ফ্রান্সিস হল্টের সঙ্গে গান গাইলেন শেখ রেহানা

অক্সফোর্ড মিশনে লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের পাশে শেখ রেহানা। ছবি : কালবেলা
অক্সফোর্ড মিশনে লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের পাশে শেখ রেহানা। ছবি : কালবেলা

বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের কণ্ঠে গান শুনেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা। গানের তালে তার সঙ্গে কণ্ঠও মিলিয়েছেন তিনি। এ সময় লুসির মানবিক আদর্শ সবার ধারণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেন শেখ রেহানা। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে লেখা লুসির চিঠিগুলো সংরক্ষণের আহ্বান জানান বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা।

এর আগে লুসিকে দেখতে শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বরিশালে অক্সফোর্ড মিশনে যান শেখ রেহানা। এ সময় তিনি লুসির স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেন।

শেখ রেহেনা ছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মিশনের ফাদার ফ্রান্সিস, জন, সিস্টার মার্গারেট, শেফালী, শিখা, চার্চের ম্যানেজার রিচার্ড রতন হালদার ও অপসোনিন ফার্মার প্রকল্প সমন্বয়ক সমাজসেবক রফিকুর রহমান।

অক্সফোর্ড মিশনের ফাদার জন কালবেলাকে জানান, শুক্রবার বেলা ১টার দিকে তাদের মিশনে ফুল, ফল নিয়ে আসেন শেখ রেহানা। তার আগমনের খবর দুদিন আগে থেকেই জানতেন মিশনের লোকজন।

রফিকুর রহমান জানান, হলরুমে ঢুকেই বঙ্গবন্ধুকন্যা লুসি হল্টের কাছে গিয়ে নিজেই ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পাশের চেয়ারে বসে লুসি হল্টের সঙ্গে কুশলবিনিময় করেন শেখ রেহানা। নিজে চেয়ার থেকে উঠে সংক্ষিপ্ত সভায় অংশ নেওয়া আটজনের প্রত্যেকের কাছে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা পরিচিত হন, সবার খোঁজখবর নেন। এ সময় বরিশালের নানা স্মৃতিচারণ করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

লুসি হল্টকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানায় অক্সফোর্ড মিশন কর্তৃপক্ষ। এ সময় লুসি হল্টের কাছে গান শোনার আবদার করেন শেখ রেহানা। লুসিও গান শোনান পরম কৃতজ্ঞতা নিয়ে। কাজী নজরুল ইসলামের ‘নাচ ময়ূরী নাচরে’ গানে সুর তোলেন লুসি হল্ট। এ সময় লুসির সুরে সর মেলান বঙ্গবন্ধুকন্যাও। পরে অক্সফোর্ড মিশনে গির্জার ভেতরে যান শেখ রেহানা। কিছু সময় প্রভু যিশুর গির্জা ঘুরে দেখেন এবং অক্সফোর্ড মিশনের ইতিহাস শোনেন। একপর্যায়ে উপস্থিত সবার সঙ্গে ছবি তোলেন শেখ রেহানা। পরে তিনি সেখান থেকে বের হয়ে সার্কিট হাউসে যান।

লুসির জন্ম যুক্তরাজ্যের সেন্ট হেলেনে। তিনি ১৯৬০ সালে বাংলাদেশে প্রথম আসেন। যোগ দেন বরিশাল অক্সফোর্ড মিশন স্কুলে। ৫৭ বছর ধরে কাজ করছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি যশোরে অবস্থান করেন। সেখানে জীবনের মায়া ত্যাগ করে সেবা দেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের। লুসির একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া। লুসি হল্টের প্রত্যাশা অনুযায়ী ২০১৮ সালে গণভবনে ডেকে নিয়ে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব সনদ হাতে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভালুকায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আরাও এক আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

গভীর রাতে বিসিবি সভাপতি বুলবুলের দেশ ছাড়ার গুঞ্জন!

ডাকসু নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য : দুঃখ প্রকাশ সেই জামায়াত নেতার

আর্সেনালকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগ জমিয়ে তুলল ম্যানইউ

তৌহিদ হোসেন ও ইসহাক দারের ফোনালাপ

ইয়ামালের অসাধারণ গোলে আবারও লা লিগার শীর্ষে বার্সা

ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, দাবি তার ভাইয়ের

কিশোরদের কানে ধরে ওঠবস বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সর্বমিত্র

বাগেরহাটের ডিসি-এসপিকে ফোন করে হুমকি

১০

বিএনপির জনসভার ১৮টি মাইক, ৫ কয়েল তার চুরি

১১

দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বিএনপির রাজনীতি : রিজভী

১২

সিরাজগঞ্জে বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

১৩

তারেক রহমানই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবেন :  সালাম

১৪

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ঢামেকে শোক বই, উদ্বোধন করলেন ড্যাব সভাপতি 

১৫

শাকিবের গ্রিন কার্ড পাওয়ার ‘গোপন’ খবর ফাঁস করলেন অমিত হাসান

১৬

ইসিকে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছ ভোট গণনা নিশ্চিত করতে হবে : রবিউল

১৭

ঢাবির মাঠে খেলতে আসায় কানে ধরালেন ডাকসুর সর্বমিত্র

১৮

সোমবার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

১৯

তারেক রহমানের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই : মঈন খান

২০
X