সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৫১ এএম
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৭:৩৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

সওয়ারদের চাবুকের ঘা, জিততে দৌড়াল ঘোড়া

ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটছেন দুই প্রতিযোগী। ছবি : কালবেলা
ঘোড়ার পিঠে চড়ে ছুটছেন দুই প্রতিযোগী। ছবি : কালবেলা

সিরাজগঞ্জে হাজারো দর্শকদের মন মাতালো ৫২ বছর ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। বাহারি নামের ঘোড়াগুলোর একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলার দৃশ্যটি ছিল উপভোগ্য। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর গোলামী মাঠে এ প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অন্তত ২০ হাজারেরও বেশি দর্শক উপস্থিত হয়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের এ খেলাটি উপভোগ করেন।

প্রতিযোগিতা উপলক্ষে সাত দিন ধরেই ডুমুর গোলামী এলাকায় ছিল উৎসবের আমেজ। ঘোড় সওয়াররা ঘোড়া নিয়ে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে ছুটে বেড়ায়। সওয়ারদের চাবুকের ঘা, ঘোড়ার চিহিহি শব্দের পাশাপাশি ঘোড়ার খুরের আওয়াজের তালে তালে দর্শকদের করতালিতে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা।

সাত দিনব্যাপী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার ছোট-বড় বাহারি রং ও নামের অন্তত ৭০টি ঘোড়া অংশগ্রহণ করে। ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি গ্রামীণ মেলাতেও ছিল মানুষের ভিড়।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমুর গোলামী গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজন করা হয় ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। আয়োজকরা জানান, ১৯৭২ সাল থেকে প্রতি বছরই ডুমুর গোলামী মাঠে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সিরাজগঞ্জ ছাড়াও পাবনা, নাটোর, বগুড়া, দিনাজপুর, জামালপুর, রাজশাহী ও লালমনিরহাট থেকে ঘোড়া নিয়ে আসেন ঘোড় সওয়াররা। রাজাবাবু, মুছা বাবা, পাওয়ার হর্স, বাহাদুর, স্বপ্নের রানী, নাগরাজ, বাটুল, রাজাবাবু, দুলদুল টাইগারসহ বিভিন্ন নামের ঘোড়া নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন তারা।

সিরাজগঞ্জসহ আশপাশের জেলাগুলো থেকে আসা দর্শকরা বলেন, ঘোড়দৌড় একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী প্রতিযোগিতা। এটি উপভোগ করতে তারা প্রতি বছরই এখানে ছুটে আসেন।

কালবেলা/এএএম/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: সিসিক প্রশাসক

সিলেটে বিপৎসীমার কাছাকাছি নদ-নদীর পানি, আতঙ্কে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দারা

রোড রোলার প্রশিক্ষণে সুইডেন সফরের খবর ভিত্তিহীন: চসিক মেয়র

ফাহিমা হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে ফের আদালত চত্বরে হামলার চেষ্টা

তদন্ত চলাকালেই বদলি চসিকের আলোচিত সেই প্রকৌশলী দম্পতি

রাতে স্টেডিয়ামে গাঁজা সেবন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে যুবকের কারাদণ্ড

পরশুরামে শিক্ষিকার ফ্ল্যাট থেকে কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিডার উদ্যোগে বাস্তবায়নের পথে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ

কমনওয়েলথ গেমসে উড়ছে লাল-সবুজের পতাকা

রেল অবরোধে ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি, দুঃখ প্রকাশ পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের

১০

১২ গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশনে নতুন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ

১১

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, ভোগান্তিতে চালকরা

১২

জোড়াতালি দিয়ে চলছে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নেই পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা

১৩

চকরিয়ায় বন্যায় সড়ক বিধ্বস্ত, ক্ষতি প্রায় ৩২ কোটি টাকা

১৪

চাকরি ফিরে পেলেন ‘টিপকাণ্ডে’ বহিষ্কৃত সেই পুলিশ সদস্য

১৫

ইরানের বিরুদ্ধে ‘বৃহৎ সামরিক হামলা’ বিবেচনায়: ট্রাম্প

১৬

লেবাননে প্যারামেডিকদের ওপর ইসরায়েলের ড্রোন হামলা

১৭

ওমরাহ পালনে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নিহত ৩

১৮

নিরাপত্তার জেরে ইরান থেকে দূতাবাসকর্মীদের প্রত্যাহার করে নিল যুক্তরাজ্য

১৯

দেশে চাঁদাবাজি-দুর্নীতি আগের চেয়েও বেড়েছে: গাজী আতাউর

২০
X