কালবেলা প্রতিবেদক, পাবনা
প্রকাশ : ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৮:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিডিআর বিদ্রোহ : বিস্ফোরক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি

পাবনা জেলা প্রশাসকের নিকট প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীদের পরিবার। ছবি : কালবেলা
পাবনা জেলা প্রশাসকের নিকট প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীদের পরিবার। ছবি : কালবেলা

বিডিআর বিদ্রোহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া ৩টি মামলার দুটি নিষ্পত্তি হলেও বিস্ফোরক মামলাটি ১৫ বছরেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় উদ্বিগ্নের মধ্য দিন পার করছে স্বজনরা। মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করে তাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে পরিবার।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাবনা জেলা প্রশাসকের নিকট প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ভুক্তভোগীদের পরিবার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিডিআর হারুন অর রশিদের ভাই শফি আহমেদ, মোকারর হোসাইনের ভাই রফিকুল ইসলাম, রজব আলীর ছেলে শরিফুর রহমান।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদরদপ্তরের সংঘটিত ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা দায়ের করা হয়।

ইতোমধ্যে আমাদের স্বজনরা বিডিআর আইনের সাজা ভোগ শেষ করেছে। ফৌজদারি আইনে হত্যা মামলা হতে কেউ খালাস পেয়েছে, আবার অনেকে হত্যা মামলায় ফৌজদারি আইনে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা ভোগ শেষ করেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, ১৫ বছর ধরে শুধু বিস্ফোরকদ্রব্য মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়ায় এবং সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও জামিন না পাওয়া আমাদের স্বজনদের আমরা ফিরে পাচ্ছি না।

স্বরকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আমাদের এই অসহায় পরিবারগুলোর কারও উপার্জনক্ষম পিতা, কারও স্বামী, কারও সন্তান কারাগারে থাকায় আমরা মানবতার জীবনযাপন করছি। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকায় আমাদের স্বজনরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুশয্যায়। পিলখানার সংঘটিত ঘটনায় দায়েরকৃত বিস্ফোরক মামলাটি ইতোমধ্যে ১৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। হত্যা মামলার ২ বছর ১১ মাসে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে রায় প্রদান করা হয়। কিন্তু বিস্ফোরক মামলাটি আজ ১৫ বছর দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নাই। আমরা বারবার বিস্ফোরক মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা নিম্ন আদালতে আবেদন করলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

বিডিআর বিদ্রোহ মামলার আসামি মোকাররম হোসেনের ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, মামলাটি উচ্চ আদালতে পরিচালনার জন্য আমরা আর্থিকভাবে অক্ষম। বিধায় পুরোপুরিভাবে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারছি না। এমনকি আর্থিক অভাব অনটনের কারণে আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারছি না। শুধু বিস্ফোরক মামলার কারণে ১৫ বছরের অধিক সময় ধরে আমাদের স্বজনরা কারাভোগ করছে। সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও জামিনে মুক্তি বা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। বিস্ফোরক মামলাটি অতি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।

পাবনা জেলা প্রশাসক মুহা. আসাদুজ্জামান বলেন, বিডিআর বিদ্রোহ মামলার ৩ জন আসামির স্বজনরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর আমার দপ্তরে লিখিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। আমরা ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

সংকটকালে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ শক্তির প্রয়োজন : রবিউল

আমি খালেদা জিয়ার একজন ভক্ত : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

চায়ের দোকানের জন্য বিএনপি নেতাকে হত্যা করে ‘শুটার মিশুক’!

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ

পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি

কিশোরগঞ্জে আবাসিক হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!

শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

নুরকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল

১০

পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১

১১

যে কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

১২

১২০ বছর বয়সি বৃদ্ধার সঙ্গে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কুশল বিনিময়

১৩

অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী

১৪

আধুনিক শরীয়তপুর গড়তে সবার দোয়া চাই : নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

১৫

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি নজরুল ইসলামের সতর্কতা

১৬

বগুড়ার জিয়াবাড়ি সাজছে নতুন রূপে

১৭

‘মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন বা সৌম্য হলে কি একই সিদ্ধান্ত নিত বিসিসিআই?’

১৮

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত : মির্জা ফখরুল

১৯

প্রিয় মাতৃভূমির বদনখানি মলিন হতে দেব না : শিক্ষা সচিব

২০
X