কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৪, ০১:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কাউখালীতে জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট

কাউখালীর মার্কেট। ছবি : কালবেলা
কাউখালীর মার্কেট। ছবি : কালবেলা

পিরোজপুরের কাউখালীতে জমে উঠেছে ঈদ বাজার। উপজেলা সদরের দোকানগুলোতে রমজানের মাঝামাঝি থেকে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। কিন্তু দাম নিয়ে অসন্তোষ ক্রেতাদের। তবে গুণগতমানের কারণে দাম একটু বেশি বলে দাবি করেছেন দোকানিরা।

জানা গেছে, কাউখালী বন্দর ব্রিটিশ আমল থেকেই ঢাকাসহ বিভাগ ও জেলা শহরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঈদের নতুন পোশাক বেচাকেনা করছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে ঈদ আয়োজনের কমতি নেই। সকল ধরনের পোশাক কাউখালীতে পাওয়া যাচ্ছে। রমজানের মাঝামাঝির সময় ঈদ বাজারে ঢল নেমেছে। পছন্দের পোশাকের মধ্যে মেয়েদের বিশেষ আকর্ষণ নাহেরা, বাবা ড্রেস, দিল্লি বুুটিজ, জর্জের গ্লাসি। পাশাপাশি সিল্ক ও সুতির থ্রিপিসসহ রংবেরঙের শাড়ির চাহিদা রয়েছে। ছেলেদের পাঞ্জাবি, টি-শার্ট, জিন্সপ্যান্ট, পায়জামাসহ আকর্ষণীয় পোশাক রয়েছে দোকানগুলোতে। ক্রেতাদের সকল ধরনের পছন্দের পোশাক এই ঐতিহ্যবাহী কাউখালী বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

ক্রেতা মাসুম বিল্লাহ বলেন, গত বছরের চেয়ে দাম একটু বেশি তবে পছন্দের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষ ফুটপাত থেকে তাদের পছন্দের পোশাক কেনাকাটা করছে। জামা কাপড়ের সঙ্গে বেড়েছে জুতার বেচাকেনা। তবে এ বছর দাম যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। পছন্দের পোশাকের দাম নাগালের বাইরে থাকলেও ঈদে নতুন পোশাক কিনতে তো হবেই। দেড় হাজার টাকা থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে আকর্ষণীয় পোশাক। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে দিনরাত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।

উপজেলা শহরের বাসিন্দা মাহফুজ হোসেন বলেন, বাজারে সব ধরনের পোশাক রয়েছে। পছন্দ হচ্ছে কিন্তু দাম নাগালের বাইরে। বেশি দামের কারণে অনেকেই কেনাকাটা করতে হিমশিম খাচ্ছে। কচুয়াকাটি গ্রামের বাসিন্দা রাজিন সিকদার বলেন, আগে যে ড্রেস এক হাজার টাকা কিনতাম এখন তা ২ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে।

শহরের নূর বিতানের মালিক নুরুল আমিন বলেন, এ বছর গুণগতভাবে অনেক ভালো ড্রেস আমাদের দোকানে আছে। দাম একটু বেশি হলেও সকলের নাগালের মধ্যে রয়েছে। এখানে কিনতে এসে কেউ ফিরে যাচ্ছে না।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শেষ ম্যাচের আগে দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে একই উপসর্গে ২ ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু

তারেক রহমানের সঙ্গে রংপুর বিভাগের বিএনপি নেতাদের বৈঠক  

গণভোট ব্যর্থ হলে সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে: শফিকুর রহমান

দীর্ঘমেয়াদে চসিক মেয়র পদে থাকতে চান না শাহাদাত হোসেন

ইরানি জাতি আগের চেয়ে এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ: বাঘায়ি

বরযাত্রী ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ২, আইসিইউতে কনে, হাত ভাঙল বরের

আগস্টে ‘প্রবাসী কার্ড’র পরীক্ষামূলক প্রকল্প চালু করবে সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিবাদে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্থগিত করল ইরান

শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মাতৃভূমির প্রতিটি ইঞ্চি রক্ষা করব: আরাগচি

১০

৬৫ বছর বয়সের পর যে ১০ খাবার এড়িয়ে চলবেন

১১

‘বিএনপি সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, কিন্তু...’

১২

বিশ্বকাপে ফাইনালের পারফরম্যান্স নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

১৩

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের

১৪

সিএনএন-এর বিশ্লেষণ / সমঝোতা চুক্তি ঘিরে ইরানে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, অভ্যুত্থানের অভিযোগ কট্টরপন্থিদের

১৫

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলবেন এমবাপ্পে?

১৬

শাহজাদপুরে ভিক্ষুকদের টং দোকান, শিক্ষার্থীদের সাইকেল দিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

১৭

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে ঢাবি ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিয়ে জরুরি বিজ্ঞপ্তি

১৮

ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের

১৯

ফাইনালের আগে আঙুলের চোট নিয়ে দুঃসংবাদ দিলেন মার্টিনেজ

২০
X