কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৪৮ পিএম
আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৩:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জিম্মি জাহাজে অস্ত্রধারী গার্ড না রাখার ব্যাখ্যা দিল মালিকপক্ষ

কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান। ছবি : সংগৃহীত
কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ জলদস্যুদের কবলে পড়ার পর থেকেই জাহাজটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে চলছিল নানা আলোচনা-সমালোচনা। বলা হচ্ছিল জাহাজে কোনো অস্ত্রধারী গার্ড ছিল না। এতে দস্যুরা কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই জাহাজ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়। নানা আলোচনার পর দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা হয় জাহাজের মালিকপক্ষের। এরপর দস্যুরা জাহাজ থেকে নেমে যায়। মুক্ত হয় জাহাজ ও ২৩ বাংলাদেশি নাবিক।

রোববার (১৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় কেএসআরএমের করপোরেট কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে জাহাজে অস্ত্রধারী গার্ড না থাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন কেএসআরএম গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান।

তিনি বলেন, একটা কথা বারবার আসছে, কেন আমরা আর্মড গার্ড নেইনি। এটার কারণ হচ্ছে আমরা হাই রিস্ক অ্যারিয়ার বাইরে ছিলাম। সাধারণত ২০০ নটিক্যাল মাইলের ভেতর হাইরিস্ক অ্যারিয়া হিসেবে করা হয়। কিন্তু আমরা যাচ্ছিলাম মোটামুটি ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে দিয়ে। গত ৮-৯ বছরে ওই এলাকায় এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি, যেখানে আর্মড গার্ড নিতে হয়। এ কারণে আমরা আর্মড গার্ড নেইনি।

নাবিকদের মুক্ত হওয়ার বিষয়টি শনিবার (১৩ এপ্রিল) রাত ৩টা ৩০ মিনিটে কেএসআরএমের মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, জলদস্যুদের দাবি অনুযায়ী মুক্তিপণ নিয়ে একটি উড়োজাহাজ বাংলাদেশ সময় শনিবার বিকেলে জিম্মি জাহাজের ওপর চক্কর দেয়। এ সময় জাহাজের ওপরে ২৩ নাবিক অক্ষত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরপর বিমান থেকে ডলারভর্তি ৩টি ব্যাগ সাগরে ফেলা হয়। স্পিডবোট দিয়ে এসব ব্যাগ জলদস্যুরা কুড়িয়ে নেয়। জাহাজে উঠে দাবি অনুয়ায়ী মুক্তিপণ গুনে নেয় জলদস্যুরা।

এদিকে, জিম্মি নাবিকদের উদ্ধার প্রসঙ্গে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা তাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশন করেছি, দীর্ঘদিন কথাবার্তা চলেছে। এখানে মুক্তিপণের কোনো বিষয় নেই। আমাদের আলাপ-আলোচনা এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ আছে এখানে। সেই চাপগুলো এখানে কাজে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ দুপুরে কেএসআরএমের মালিকানাধীন এসআর শিপিংয়ের জাহাজটি জিম্মি করে সোমালিয়ান দস্যুরা। সেখানে থাকা ২৩ নাবিককে একটি কেবিনে আটকে রাখা হয়। আটকের পর জাহাজটিকে সোমালিয়ার উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়। ৫৮ হাজার টন কয়লা নিয়ে ৪ মার্চ আফ্রিকার মোজাম্বিকের মাপুতো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। ১৯ মার্চ সেটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের হামরিয়াহ বন্দরে পৌঁছানোর কথা ছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কেন্দ্র দখলের চিন্তা করলে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন : হাসনাত

সীমান্ত থেকে ভারতীয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি চলবে না : ব্যারিস্টার খোকন

জবি সাংবাদিকতা বিভাগের সরস্বতী পূজার ব্যতিক্রমী থিম

গাজীপুরের সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ‌‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

মাছের ঘের থেকে বস্তাভর্তি ফেনসিডিল উদ্ধার

টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড

জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

‘জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় চলছে, মৃত্যুকে ভয় করি না’

১০

আন্দোলনে শহীদ জাকিরের মেয়ের বিয়েতে তারেক রহমানের উপহার

১১

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড নিয়ে কবীর ভূঁইয়ার গণসংযোগ

১২

ঢাকা কলেজে উত্তেজনা

১৩

প্রস্রাবের কথা বলে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালালেন আসামি

১৪

জনগণের দোয়া ও সমর্থন চাইলেন রবিউল

১৫

ব্র্যাক ইপিএল কর্পোরেট ক্রিকেটে সেনাবাহিনী ও ঢাকা ব্যাংকের জয়

১৬

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১৭

‘বিশ্ব প্রস্থোডন্টিস্ট দিবস’ উদযাপিত / মুখ ও দাঁতের মানসম্মত চিকিৎসার ওপর গুরুত্বারোপ

১৮

আরেক সাফ মুকুটের দুয়ারে ‘ব্রাত্য’ সাবিনারা

১৯

বিএনপির নির্বাচনী পথসভায় দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২০

২০
X