জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ মিছিল 

জবি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি : কালবেলা
জবি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি : কালবেলা

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ফের ইজরায়েলের বর্বরোচিত গণহত্যা শুরুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৯ মার্চ) বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিজ্ঞান অনুষদ প্রাঙ্গণ হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক ঘুরে ময়দান চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা নেতানিয়াহুুর দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে; বিশ্বমুসলিম ঐক্য গড় ফিলিস্তিন স্বাধীন করো; জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আর একবার; নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবর; ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশনসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এসময় বক্তারা বলেন, আমাদের শক্তি সঞ্চয় করে ইউরোপ আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সমস্ত মুসলমান ভাই ভাই এবং একটি দেহের মত। দেহের একটি অঙ্গ যদি ঠিকমতো কাজ না করে তাহলে শারীরিক ক্রিয়া যেমন ব্যাহত হয়, ঠিক তেমনি একজন মুসলিম ভালো না থাকলে অন্যরাও ভালো থাকতে পারে না। মুসলিম হিসেবে আমাদের লজ্জা অনুভব হয়, আমরা এখনো এই অসহ্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে পারছি না। আমরা ভুলে যেতে বসেছি মুসলমানদের সেই পুরোনো ঐতিহ্য।

এই সময় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, তোমরা কেন মজলুমদের পাশে দাড়াচ্ছো না, কেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছ না। যখন ফিলিস্তিনের মানুষের ওপর আঘাত করা হয়, সেই আঘাত আমাদের কলিজায় লাগে। আমরা প্রত্যাশা করি আবারও খালিদ বিন ওয়ালিদ আসবে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই খালিদ বিন ওয়ালিদ ফিরে আসবে।

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের সংগঠক ফয়সাল মুরাদ তার বক্তব্যে বলেন ,খ্রিস্টান ও ইহুদি রাষ্ট্রগুলো সারাজীবন শুধু মানবতার বুলি আওড়ায়। কিন্তু ফিলিস্তিনের প্রশ্ন আসলেই তারা নীরব ভূমিকা পালন করে। তাদের প্রতিহত করে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন করতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ড্যাফোডিলের ১৩তম সমাবর্তনে চার হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান

স্ত্রী-সন্তানের কবর ছুঁয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সাদ্দাম

উন্নয়ন ও সেবায় কেউ পিছিয়ে থাকবে না : আবু আশফাক

ফুটসাল চ্যাম্পিয়নদের বরণে প্রস্তুত ছাদখোলা বাস

৩ দিনের সফরে উত্তরাঞ্চল যাচ্ছেন তারেক রহমান, থাকছে যেসব কর্মসূচি

৬৯ হাজার রোহিঙ্গা পাচ্ছে পাসপোর্ট, কারণ জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

পাকিস্তান ক্রিকেটে ‘গৃহযুদ্ধ’!

একটি দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছে : মাহদী আমিন

উৎসবমুখর পরিবেশে মোহাম্মদপুর সরকারি কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

গভীর নলকূপ থেকে উদ্ধার শিশুটি মারা গেছে

১০

আবারও স্বর্ণের দামে রেকর্ড

১১

এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাইয়ে ১১ সদস্যের কমিটি

১২

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের যে অভিযোগ দিল জামায়াত

১৩

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করতে তরুণদের নেতৃত্ব জরুরি : মেয়র ডা. শাহাদাত

১৪

গভীর নলকূপে পড়া সেই শিশু উদ্ধার

১৫

১৪ বছর পর ঢাকা থেকে করাচি যাবে বিমানের ফ্লাইট 

১৬

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির ৩ শতাধিক নেতাকর্মী

১৭

খেলাপিদের নাম-ছবি প্রকাশ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় ব্যাংকগুলো

১৮

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৯

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় জামায়াত নেতার বাড়িতে আগুন

২০
X