চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:৪৯ পিএম
আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১১:১৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

চবিতে ভাঙচুর, ছাত্রলীগের ১২ কর্মীসহ আসামি ১৪

চবিতে উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর, ক্যাম্পাসে তাণ্ডব। ছবি : কালবেলা
চবিতে উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর, ক্যাম্পাসে তাণ্ডব। ছবি : কালবেলা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের বাসভবন ও পরিবহন দপ্তরের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় হাটহাজারী থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আসামিদের ১২ জন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তবে অধিকাংশই সিক্সটি নাইন গ্রুপের অনুসারী এবং কিছু সিএফসি গ্রুপের অনুসারী।

সিক্সটি নাইন গ্রুপটি সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অন্যদিকে সিএফসি গ্রুপটি সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের।

এদিকে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন। দুটি বিষয়ে মামলা করা হয়েছে। প্রথমটি উপাচার্যের বাসভবন ভাঙচুর এবং দ্বিতীয়টি পরিবহন দপ্তরে ভাঙচুর।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুরের মামলার আসামিরা হলেন- ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল হোসেন আইমুন, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দীপন বণিক দীপ্ত, শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের রিয়াদ হাসান রাব্বি, ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নুর মোহাম্মদ মান্না, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সৌরভ ভূইয়া, পালি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম ও পদার্থবিদ্যা বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম।

পরিবহন দপ্তরে ভাঙচুর মামলার আসামিরা হলেন- দর্শন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইমরান নাজির ইমন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আনিসুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ বিভাগের শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন মো. সিফাত উল্লাহ, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮-১৯ বিভাগের অনিক দাশ, বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনিরুদ্ধ বিশ্বাস এবং একই বিভাগ ও শিক্ষাবর্ষের আজিমুজ্জামান।

এর আগে শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কে এম নূর আহমদ ও প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, চবির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে হাটহাজারী থানায় অদ্য দুটি এজাহার দায়ের করেছেন। চাঁদা দাবি ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলাগুলি দায়ের করা হয়েছে। দুটি মামলা হয়েছে, প্রতিটিতে সাতজন করে নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ আসামি করা হয়েছে।

শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি শরীফ উদ্দিন কালবেলাকে জানান, পালি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আমিনুল ইসলাম ও দর্শন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাজ্জাদ হোসেন ছাত্রলীগের কর্মী নন। তিনি বলেন, ‘১৪ জনের মধ্যে ১২ জন ছাত্রলীগের কর্মী। অথচ তাদের অনেকেই এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এমনকি কেউ কেউ ঘটনাস্থলেও ছিলেন না। আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার ‘ইমার্জেন্সি অপশন’ হতে পারেন স্টিভ স্মিথ

জামায়াত প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ালেন এলডিপি প্রার্থী

কিশোরীকে ধর্ষণ, ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

বিশ্বকাপে না যাওয়া ক্রিকেটারদের জন্য নতুন টুর্নামেন্ট

শেরপুরে পুলিশ কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

জবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ

যেসব কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম

রাজধানীতে বাসে আগুন

হাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

১০

নিখোঁজের ৩ দিন পর ডোবায় মিলল ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ

১১

কিয়েভে হামলা বন্ধে রাজি হয়েছেন পুতিন

১২

দেশে স্বর্ণের দাম কমলো

১৩

দুপুরে অপহরণ, রাতেই উদ্ধার মুগদার সেই শিশু

১৪

পাকিস্তান সিরিজেই জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব!

১৫

৫০তম বিসিএস পরীক্ষা শুরু

১৬

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

১৭

গণভোটের পর সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রসঙ্গে প্রেস উইংয়ের বিবৃতি

১৮

সোহরাওয়ার্দীর পরীক্ষাকেন্দ্রে কবি নজরুল কলেজ শিক্ষার্থীদের নকলের ছড়াছড়ি

১৯

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

২০
X