কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৪, ০৬:২০ পিএম
আপডেট : ০১ জুলাই ২০২৪, ০৬:৪৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ড

বিশেষায়িত বিষয়ে আরও ২ বছর সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা

পুরোনো ছবি
পুরোনো ছবি

কারিগরি ও মাদ্রাসার বিশেষায়িত ১০টি বিষয়ে আরও দুই বছর পুরোনা সৃজনশীল পদ্ধতিতেই পাবলিক পরীক্ষা হবে।

সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এটি চূড়ান্ত হয়েছে। বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাবলিক পরীক্ষায় ৫টি ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাবলিক পরীক্ষায় ৫টি বিশেষায়িত বিষয়ের ওপর পরীক্ষায় অংশ নেয় শিক্ষার্থীরা। নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে অন্য সব বিষয়ের পাঠ্যবই রচিত হলেও এসব বিষয়ের বই এখনো লেখা হয়নি। সে কারণে এসব বিষয়ে আরও দুই বছর সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে।

জানতে চাইলে এনসিসিসি-র সভায় উপস্থিত মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ শাহ আলমগীর কালবেলাকে বলেন, নতুন শিক্ষাক্রম চালুর সময়ে মাদ্রাসার পাঁচটি বিশেষায়িত বিষয়ের পাঠ্যবই রচিত হয়নি। সে কারণে এবারের পরীক্ষা ধরা যাচ্ছে না। এনসিটিবি (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড) আমাদের জানিয়েছিল, তাদের আরও দুই বছর সময় লাগবে। যদিও মাদ্রাসার সঙ্গে জড়িত বিষয় বিশেষজ্ঞরা বিশেষায়িত বিষয়গুলোকে অক্ষুন্ন রাখতে সুপারিশ করেছিল। তবে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তো পরিবর্তন আসবেই।

তিনি বলেন, আগামী দুই বছরও বিশেষায়িত বিষয়গুলোতে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নিবে শিক্ষার্থীরা। এর মধ্যে বই রচনা হলে তার পরের বছর থেকে একই পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে।

জানতে চাইলে সভায় উপস্থিত থাকা কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. মামুন উল হক কালবেলাকে বলেন, কারিগরি বোর্ডের শিক্ষার্থীরা ৫টি বিশেষায়িত বিষয়ে পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নেয়। আগামী দুই বছরও একইভাবে সৃজনশীল পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নিবে। বই রচনার পর নতুন পদ্ধতি পুরোদমে চালু হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জ্যাম বা জায়েদ খান নয়, কষ্ট একটাই আমি ঢাকা-৮ এর ভোটার: ফারিয়ার

চাঁদাবাজ ও ধর্ম ব্যবসায়ীদের জনগণ রুখে দেবে : সাইফুল হক

আমরা বিজয়ী হলেও কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেব না: ডা. শফিকুর রহমান

প্লাস্টিক চাল কি সত্য নাকি গুজব

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশে ভূমিধস, ২৩ সেনার মৃত্যু

৫ দিনের তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

উত্তরায় তারেক রহমানের জনসভায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি আশা মোস্তফা জামানের

কারা সদস্যরা কোনো স্বার্থান্বেষী রক্ষক নয় : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা 

দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের

হাঁটুসমান তুষারে ৭ কিলোমিটার হেঁটে নববধূকে ঘরে তুললেন যুবক

১০

স্ত্রীসহ পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

১১

নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুযোগ এই সরকারের নেই : ফাওজুল কবির

১২

সাবেক এমপির গাড়ি ও সুপার মার্কেটসহ ৬৯৪ শতক জমি জব্দ 

১৩

বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন, পদ হারালেন বিএনপির ৬ নেতা 

১৪

খরচ না পেয়ে নির্বাচনী দায়িত্ব ছাড়লেন মহিলা দল নেত্রী

১৫

আইসিসির চাপে পিসিবি কোণঠাসা: বয়কটের সম্ভাবনা ক্ষীণ

১৬

বড় পর্দায় ফের একসঙ্গে বিজয়-রাশমিকা

১৭

যুক্তরাষ্ট্রে ঘূর্ণিঝড়ের মতো তাণ্ডব চালানোর হুমকি ইরানের

১৮

সর্বকালের সব রেকর্ড ভেঙে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম

১৯

ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জড়ো হচ্ছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

২০
X