কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৮:৪৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

আপনার টুথব্রাশের মেয়াদ আছে কী, না থাকলেই বিপদ!

প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

আমরা প্রতিদিন এক বা একাধিক সময় টুথব্রাশ ব্যবহার করে থাকি। আমরা কি জানি একটি টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করা যায়। টুথপেস্টের মোড়কের গায়ে মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা থাকলেও টুথব্রাশের মেয়াদ সাধারণত লেখা থাকে না। এজন্য ব্রাশ ঠিক কত দিন পর পর বদলানো প্রয়োজন তা অনেকেরই অজানা।

সব পণ্যের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। আমরা প্রতিদিন দেহের জন্য যেসব সামগ্রী ব্যবহার করি সেসবের মেয়াদবিধি নিজেদের জন্যই জানাটা জরুরি। বিশেষ করে সাবান, শ্যাম্পু, তেল, টুথপেস্টের মেয়াদ। কথায় আছে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা উচিত, তাই দাঁতের যত্নে টুথব্রাশের মেয়াদটা জানা উচিত।

প্রতি তিন মাস পর পর দাঁত মাজার ব্রাশ বদলানো উচিত। তবে ব্যক্তিভেদে সময়টা আরও কম হতে পারে। তবে কোনোভাবেই তিন মাসের বেশি একটি টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত নয়।

এ ছাড়াও কোনো অসুস্থতা, বিশেষ করে ভাইরাস রোগ থেকে সেরে ওঠার পর অবশ্যই টুথব্রাশ বদলে ফেলবেন। বিশেষ করে মৌসুমি জ্বর, কাশি, ঠান্ডা থেকে সেরে ওঠার পর যত দ্রুত সম্ভব টুথব্রাশ বদলে ফেলা উচিত। কারণ, রোগ সেরে গেলেও রোগের জীবাণু লেগে থাকতে পারে টুথব্রাশে।

ব্রাশ না বদলালে যা হতে পারে-

টুথব্রাশ পরিবর্তন না করলে ব্রাশের কার্যকারিতা কমতে থাকে। ঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার হবে না। দাঁতের কোনায় খাবারের কণা ও জীবাণু জমে থাকতে পারে। দাঁতের গোড়ায় খাবার জমে শক্ত হয়ে পাথর সদৃশ বস্তুতে পরিণত হয়, যা দাঁতের গোড়া ক্ষয় করে, মাড়ি আলগা হয়ে পড়ে।

নিয়মিত যে ব্রাশটি ব্যবহার করেন সেটি দাঁত মাজার পর খুব ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক দিন গরম পানি দিয়ে ব্রাশ পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে ভেতরে জমে থাকা জীবাণু পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

টানা ৩ দিন ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

১০

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

১১

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১২

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১৩

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১৪

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৫

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৬

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৭

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৮

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৯

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

২০
X