কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:২১ পিএম
আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য নতুন করে প্রতিজ্ঞা করতে হবে : ড. ইউনূস

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি : সংগৃহীত

যতবার শুনি, যতবার দেখি, আবার নতুন করে প্রতিজ্ঞা করতে হয়- যে স্বপ্নের জন্য ছাত্র-জনতা প্রাণ দিয়েছে সেই স্বপ্নকে আমরা বাস্তবায়ন করব। এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এতদিন চুপচাপ শুয়ে শুয়ে স্বপ্নের মধ্যে আনন্দ সহকারে লুটপাট করে যাচ্ছিল। তাদের স্বপ্ন শিক্ষার্থীরা ভেঙে দিয়েছে। তারা কী এখন চুপচাপ বসে থাকবে? মোটেও না। খুব চেষ্টা করবে, তোমাদের দুঃস্বপ্নের মধ্যে দেওয়ার ত্রুটি করবে না। যেটা শুরু করছ, সেই কাজ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে বেরিয়ে যেও না।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের জন্ম থেকে এই সুযোগ আর আসেনি। যে সুযোগ তোমরা আমাদের হাতে তুলে দিয়েছ, এটা যেন হাতছাড়া না হয়। এই সুযোগ হাত ছাড়া হলে বাংলাদেশ আর রাষ্ট্র থাকবে না। এটা শুধু রাষ্ট্র না, পৃথিবীর সম্মানিত রাষ্ট্রে যেন পরিণত হয়। শিক্ষার্থীদের দেখছি আর ভাবছি, কী একটা স্বপ্ন আমাদের সামনে, জাতির সামনে তোমরা নিয়ে এসেছ।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, যারা শহীদ হয়েছে আজকে তারা আমাদের সঙ্গে বসতে পারত। কিন্তু সেই সুযোগ তাদের দেওয়া হয়নি। যখন হাসপাতালে আহতদের দেখার জন্য যাই, তাদের দিকে তাকাতে কষ্ট হয়।

তিনি বলেন, একজন তরুণকে যখন দেখতে যাই তখন সে জিজ্ঞেস করে স্যার, ক্রিকেট খেলব কীভাবে? ক্রিকেট খেলার কথা তার মাথা থেকে সরছে না। যতবার দেখি, মনে প্রশ্ন জাগে এটাই আমরা বাংলাদেশ বানিয়েছি? কালকে একটা হাসপাতালে গেলাম, আবার সেই দৃশ্য। তরুণ প্রাণ, অনেকের মাথার খুলি উড়ে গেছে। অনেকের শরীরে গুলি রয়ে গেছে। বেঁচে আছে।

তিনি আরও বলেন, আমি সাক্ষাতের সময় যে দৃশ্য দেখছি সেটা তো সবাই দেখছে না। যারা হাসপাতালে আসছেন তারা হয়তো অনুধাবন করতে পারছেন। মানুষকে জানাতে হবে, বোঝাতে হবে। কী নৃশংসতা ছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘মেসি এবার বিশ্বকাপ জিততে পারবে না’

ফরিদপুরে উপজেলা যুবলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

একসঙ্গে কতটা লিচু খেলে বিপদ হতে পারে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

‘স্বাস্থ্যসেবার আজ ও আগামী’ শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত

হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলে ‘আমার ফাঁসি হয়েছে’: আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক

সর্বকালের সবচেয়ে ‘সমালোচিত’ বিশ্বকাপের সাক্ষী হচ্ছে বিশ্ব?

এভারেস্টজয়ী নুরুননাহারকে পূবালী ব্যাংকের সংবর্ধনা

সাংবাদিকদের প্রতি ইসলামী আন্দোলনের বিশেষ আহ্বান

তদন্তে মিলল জামায়াত নেতার চাঁদাবাজির অভিযোগ

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন

১০

ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি ও ইউনিলিভারের যৌথ উদ্যোগে করপোরেট সেশন

১১

শিক্ষক, গবেষক তৈরির লক্ষ্যে ড্যাফোডিলে টিএএফ ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ প্রোগ্রামের আবেদন শুরু

১২

কোটি টাকা নিয়ে ঘোরার অভিযোগ / মন্ত্রী সাহেবকে জিজ্ঞেস করেন ‘প্রুফটা দেখাতে’: আদ্-দ্বীনের নির্বাহী পরিচালক

১৩

ইসলামী ব্যাংকের জন্য নিরপেক্ষ বোর্ড গঠনের প্রচেষ্টা চলছে : নতুন প্রশাসক

১৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ

১৫

ঘুরে দাঁড়াবে ব্রাজিল বিশ্বাস কাকার

১৬

শরীর খারাপে কতটা নিখুঁত প্রেসক্রিপশন দেয় এআই? গবেষণায় যা দেখা গেল

১৭

সন্তান জন্মের হার কমার নেপথ্যে কি স্মার্টফোন দায়ী? গবেষণায় চাঞ্চল্যকর দাবি

১৮

বিদেশি মুদ্রা উদ্ধারের মামলায় ফরাসি নাগরিক ডেলন রিমান্ডে

১৯

‘মরার আগে যদি দেখে যাইতে পারতাম’ / ৫৫ বছর ধরে শরীরে পাকবাহিনীর বুলেট বহন করছেন রশিদা

২০
X