মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঝিনাইদহ-৪ আসনে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন, নির্বিকার প্রশাসন

ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

ঝিনাইদহ-৪ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, মারধর, হামলা ও হুমকির অভিযোগ থামছেই না। লিখিত ও মৌখিকভাবে একের পর এক অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রার্থী ও সাধারণ ভোটাররা।

ভোটারদের অভিযোগ, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পোস্টার ছেঁড়া, কর্মীদের ওপর হামলা, ভোট না দিতে হুমকি দেওয়া ও সহিংসতার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ এসব ঘটনায় পুলিশ অভিযোগ নিতে গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের দাবি, প্রতীক বরাদ্দের আগেই গত ১১ জানুয়ারি বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ প্রকাশ্যে ধানের শীষে ভোট চান। ওই দিন সমাবেশস্থলে ও কালীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক মাইক ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে ১৫ জানুয়ারি কোলা বাজারে আরেক সভায়ও একইভাবে ধানের শীষে ভোট চাওয়ার অভিযোগ করা হয়।

নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিন ২২ জানুয়ারি উল্লা গ্রামে কাপ-পিরিচ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের কর্মী আনোয়ার হোসেনের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তার বাম হাত ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি যশোরে চিকিৎসাধীন। অভিযোগ দেওয়া হলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি বলে দাবি করা হয়েছে।

একই দিন রামচন্দ্রপুর নতুন বাজার থেকে ফুরসন্দি ইউনিয়নে যাওয়ার পথে স্বতন্ত্র প্রার্থীর তিন কর্মীকে মারধর করা হয়। পরদিন ২৩ জানুয়ারি ভাটপাড়া গ্রামে কাপ-পিরিচ প্রতীকে সমর্থনের কারণে কলেজশিক্ষক সুমন কুমার দাসকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ওই রাতেই বড় ডাউটি গ্রামে আরেক কর্মীকে রামদা ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

এছাড়া ২৫ জানুয়ারি কাবিলপুর ও উল্লা গ্রামে একাধিক কর্মীকে মারধর এবং ২৮ জানুয়ারি নাটোপাড়া গ্রামে দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় কাপ-পিরিচ প্রতীকের একাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। এসব সহিংসতার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকদের দায়ী করছেন স্থানীয়রা।

সহিংস ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সাধারণ ভোটাররা। এলাকাবাসী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজ বলেন, ‘আমাদের কর্মীদের টার্গেট করে একের পর এক হামলা চালানো হচ্ছে। বারবার প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।’

অভিযোগের বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, ‘এসব বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’

কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘মারধর ও হুমকির মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কলেজশিক্ষকের ঘটনায় তিনি বলেন, ‘ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিতে চাননি।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১০

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১১

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১২

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

১৩

ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

১৪

নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান

১৫

অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে বিশ্বকাপে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

১৬

ছাত্রলীগ নেতা ডেবিট আটক

১৭

ভারতের পুশইন নিয়ে ছাত্রদল নেতা আবিদের স্ট্যাটাস ভাইরাল

১৮

উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আ.লীগের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

১৯

বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় মেসি

২০
X