কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:৪০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বাড়ছে মেট্রোরেলের সংখ্যা, শুক্রবার সারাদিন চলবে

ফাইল ছবি।
ফাইল ছবি।

আগামী মে থেকে শুক্রবারও সারাদিন মেট্রোরেল পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া বর্তমানে যে বিরতিতে মেট্রোরেল চলছে, সেটিও কমিয়ে আনার পরিকল্পনা চলছে। আর এটি বাস্তবায়িত হলে দৈনিক ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়বে।

মঙ্গলবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) উত্তরায় মেট্রোরেলের ডিপোতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে সভায় এসব কথা জানান ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

তিনি বলেন, বর্তমানে শুক্রবার দুপুর তিনটা থেকে মেট্রোরেল চলাচল করে। অন্যান্য দিন ব্যস্ত সময়ে পিক আওয়ারে ৮ মিনিট এবং কম ব্যস্ত সময়ে (অফ পিক আওয়ারে) ১০ মিনিট পরপর উভয় দিক থেকে মেট্রোরেল চলছে। সব মিলিয়ে খোলার দিনগুলোতে সারা দিনে ১৯৮ বার যাতায়াত করে মেট্রোরেল। বিরতির সময় কমানো গেলে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়বে। এছাড়া বর্তমানে শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ট্রেন চলে ৬০ বার। শুক্রবার সকালেও মেট্রোরেল চলাচল শুরু হলে বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা।

তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি মেট্রোরেলের ফ্রিকোয়েন্সি মে মাসের মধ্যে সহনীয় মাত্রায় আনা যায় কি-না; এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। উপদেষ্টা মহোদয়ের নির্দেশনা রয়েছে। মে মাসকে আমরা টার্গেট করেছি। আশা করছি মে মাসের মধ্যে গুছিয়ে ফেলতে পারব।

বর্তমানে মেট্রোরেলে দৈনিক গড়ে সাড়ে তিন লাখ যাত্রী পরিবহন করে বলে জানান ডিএমটিসিএলের এমডি। মেট্রোরেল কমলাপুর পর্যন্ত চালু হলে দৈনিক যাত্রী চলাচল সাড়ে পাঁচ লাখ হবে বলে তিনি জানান।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে মেট্রোরেলের যাত্রীদের কাছে টিকিট বিক্রি করে প্রায় ২৪৪ কোটি টাকা আয় হয়েছে বলেও জানান ডিএমটিসিএল এমডি।

তিনি জানান, ২০২২ সালে আংশিক চালুর পর ২০২২-২৩ অর্থবছরে আয় হয়েছিল ২২ কোটি টাকার বেশি।

সভায় মেট্রোরেল পরিচালনায় খরচের বিষয়ে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. আফতাবুজ্জামান জানান, মেট্রোরেল পরিচালনায় মাসে গড়ে ছয় কোটি টাকার মতো বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। আরও প্রায় ছয় কোটি টাকার মতো খরচ হয় বেতন-ভাতার পেছনে। এর বাইরে মেরামত, স্টেশনারি কেনাকাটা রয়েছে। কিছু কর্মকর্তার বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয় প্রকল্পের অধীনে।

ডিএমটিসিএলের এমডি আবদুর রউফ জানান, মেট্রোরেল প্রকল্পের ঋণের কিস্তি ও সুদ তিন কিস্তি পরিশোধ করা হয়েছে। এ খাতের প্রায় ৭৬ কোটি টাকা মেট্রোরেলের আয় থেকে পরিশোধ করা হয়েছে।

গত জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় কাজীপাড়া ও মিরপুর-১০ এর স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রাথমিকভাবে অন্য স্টেশন ও স্থাপনা থেকে কিছু যন্ত্রপাতি স্থানান্তর এবং স্থানীয়ভাবে কিছু পণ্য কিনে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয় করে দুটি স্টেশন চালু করা হয়। ডিএমটিসিএলের এমডি জানান, অন্য স্থান থেকে যেসব যন্ত্র ও সামগ্রী নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর আরও কিছু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ কাজে সাকুল্য ১৮ কোটি টাকা লাগবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হ্যাটট্রিক করে বিপিএলে মৃত্যুঞ্জয়ের অনন্য কীর্তি

রেকর্ড দরপতনে ইরানের রিয়াল, ডলার ছাড়াল ১৪ লাখ ৭০ হাজার

বিপিএল ছাড়ার হুমকি ঢাকা ক্যাপিটালসের

নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই : জামায়াত

প্রিমিয়ার লিগ জয়ের জন্য শক্তি বাড়াল ম্যানসিটি

যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত

আলজাজিরার এক্সপ্লেইনার / কেন বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চাইছে পাকিস্তান

খালেদা জিয়া জনগণের মুক্তির দূত হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন : কবীর ভূঁইয়া

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় জেডআরএফের দোয়া মাহফিল

মাঠেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন ক্রিকেটার

১০

যশোর সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার আত্মপ্রকাশ 

১১

বিড়িতে সুখটান দেওয়া বক্তব্যের ব‍্যাখ‍্যা দিলেন ফয়জুল হক

১২

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ইউট্যাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৩

ফাইনালের রাজা হ্যান্সি ফ্লিক

১৪

মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে হাসনাত-মঞ্জুরুলের পাল্টা আবেদন

১৫

মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে ফের গোলাগুলি, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

১৬

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফিফা সভাপতির গভীর শোক

১৭

ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে?

১৮

ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

১৯

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হলেন নাজিমুদ্দিন

২০
X