কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৫, ০৮:০৬ পিএম
আপডেট : ২০ মার্চ ২০২৫, ০৯:৪৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৯ টাকা করার দাবি তরুণদের

আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি : কালবেলা
আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি : কালবেলা

শিশু-কিশোর ও তরুণদের ধূমপানে নিরুৎসাহিত করতে আগামী বাজেটে (২০২৫-২৬ অর্থবছর) সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে প্রতি শলাকার সিগারেটের সর্বনিম্ন খুচরা মূল্য ৯ টাকা করার দাবি জানিয়েছে তরুণরা।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানায়।

তারা জানায়, দাবি অনুযায়ী দাম বাড়ালে তরুণরা সিগারেট সেবনে নিরুৎসাহিত হবে; দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৯ লক্ষ তরুণের তামাকজনিত অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে এবং সরকারের বাড়তি রাজস্ব আদায় হবে ২০ হাজার কোটি টাকা যা আগের বছরের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বেশি।

আহছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ এন্ড ওয়েলবিয়িংয়ের সমন্বয়ক মারজানা মুনতাহার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংগঠনটির সদস্য তাসনিম হাসান আবির ও তাহমিনা খাতুন। তারা জানায়, নিম্ন এবং মধ্যম স্তরের সিগারেটের দাম কাছাকাছি হওয়ায় ভোক্তারা যে কোনো একটি স্তরের সিগারেট বেছে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। সিগারেটের নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে দাম বাড়ালে স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠী এবং তরুণ প্রজন্ম ধূমপানে নিরুৎসাহিত হবে। তাই, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়ে প্রতি ১০ শলাকার নিম্ন ও মধ্যম স্তরকে একত্রিত করে খুচরা মূল্য ৯০ টাকা, উচ্চ স্তরে খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা, প্রিমিয়াম স্তরের খুচরা মূল্য ১৯০ টাকা নির্ধারণ এবং বিড়ির প্রতি শলাকার দাম অন্তত ১ টাকা করার দাবি জানায় তরুণরা।

সুপারিশ অনুযায়ী তামাক পণ্যের বিদ্যমান কর কাঠামো সংস্কার করা গেলে সিগারেটের ব্যবহার ১৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসবে। প্রায় ২৪ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপান থেকে বিরত থাকবে এবং প্রায় ১৮ লক্ষ কিশোর-তরুণকে নতুন করে সিগারেট ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। এবং সরকারের বাড়তি রাজস্ব আয় হবে ২০ হাজার কোটি টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি।

তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মকে তামাকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং নতুন তামাকসেবী সংখ্যা কমাতে হলে কর ব্যবস্থাকে সহজ করে মূল্যস্ফীতি ও আয়বৃদ্ধির তুলনায় বেশি হারে তামাকপণ্যে করারোপ করতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের ২য় বৃহত্তম তামাক ব্যবহারকারী দেশ। প্রতিবছর তামাকপণ্য বিক্রি থেকে যে রাজস্ব আসে, তা তামাকজনিত স্বাস্থ্য ব্যয়ের মাত্র ৭৫ শতাংশ। প্রস্তাবনা অনুসারে কর বাড়ালে সিগারেট বিক্রি থেকে রাজস্ব আসতে পারে ৬৮ হাজার কোটি টাকা যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্রাজিল নাকি হাইতি জিতবে কারা, জানাল সুপার কম্পিউটার

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি, আটক ৪৯

সাকলায়েনের জন্য খারাপ লাগছে, বলেছিলেন পরীমণি

সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউটে মেক্সিকো

সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ঝরল আরও ২ শিশুর প্রাণ

বাউফলে বিদ্যুতের ট্রান্সফর্মার চুরির হিড়িক

পাকিস্তানে হামলার দাবি আফগানিস্তানের

সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ

ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

কেমন থাকবে আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া

১০

‘আওয়ামী লীগ’ ইস্যুতে সারা দেশে সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

১১

স্ত্রীকে ফেরাতে গিয়ে মোটরসাইকেল রেখে পালালেন ছাত্রদল নেতা

১২

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশিদের জানাজা সম্পন্ন

১৩

ভাড়া বাসায় মিলল আইসিটি কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

১৪

লেবাননে তীব্র লড়াই, ৪ ইসরায়েলি সেনা নিহত

১৫

১৫০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে শজিমেক হাসপাতাল

১৬

মেহেরপুর সীমান্তে আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা

১৭

'মনে হচ্ছে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছি', কেন বললেন আ খ ম হাসান

১৮

‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা নিয়ে যা বললেন মাহফুজ আলম

১৯

তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন ৩ মন্ত্রী

২০
X