বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বর্ষবরণ আয়োজন সফল: ঢাবি ভিসি

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। ছবি : সংগৃহীত
ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় অনেক বাধা বিপত্তি ছিল, অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল। সবার সহযোগিতায় ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এ আয়োজন সফল হয়েছে।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে সংক্ষিপ্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব এ কথা বলেন।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ বলেন, মাত্র ৮ দিনের মধ্যে এমন আয়োজন করাটা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। নানা ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এমন আয়োজন সফল হয়েছে।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, বড় মাপের একটি উৎসব আমরা বাধা-বিপত্তি ছাড়াই শেষ করতে পেরেছি। কঠিন সময়ে সাংবাদিকরা আমাদের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে ছিলেন।

উপাচার্য আরও বলেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে জাতিসংঘ আমাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছিল, সেখানে তিনটি বিষয়। একটি ছিল আমাদের যত নৃগোষ্ঠী আছে এবং সংস্কৃতি আছে তা যেন তুলে ধরতে পারি। এবার কিন্তু সেটিই করা হয়েছে। এবার সব থেকে জাকজমকপূর্ণ এবং সবচেয়ে বৈচিত্রপূর্ণ শোভাযাত্রা বের করা হয়েছে।

এর আগে, সকাল ৯টায় শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রার র‍্যালি সাড়ে ১০টার দিকে আবার চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শাহবাগ মোড় হয়ে টিএসসি দিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যায়। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর ঘুরে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রমুখ।

শোভাযাত্রার সামনে ছিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সুসজ্জিত একটি ঘোড়ার বহর। এরপরই ছিল দেশের ২৮টি নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মানুষ। এরপর ছিল চারুকলা অনুষদের মূল ব্যানার। আরও ছিল ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি, মাছ, শান্তির পায়রা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নাম, পানির বোতল, ৩৬ জুলাইয়ের একটি মোটিফ, ১০০ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি স্ক্রল প্রভৃতি।

শোভাযাত্রায় ৭টি বড়, ৭টি মাঝারি ও ৭টি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি মোটিফ প্রদর্শন হয়। এবারের শোভাযাত্রার মূল মোটিভ ছিল ‘স্বৈরাচারের প্রতিকৃতি’। তাছাড়া, পায়রা, মাছ, বাঘ ও মুগ্ধর আলোচিত পানির বোতল প্রদর্শন হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানি বিক্ষোভকারীদের নতুন বার্তা ট্রাম্পের

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে চীন

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ‍্যাস বন্ধ

‘শেষ ৪ মাসে আমাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি’

বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : ‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’

কলকাতার হয়ে খেলা পেসারকেও ভিসা দিচ্ছে না ভারত

প্রার্থী-সমর্থকদের প্রতি যে আহ্বান জানাল জমিয়ত

১০

‘হাঙর’ নিয়ে আসছেন নেপালি তারকা প্রমোদ আগ্রহারী

১১

শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে ছাত্রদলে এনসিপি নেতা

১২

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

১৩

জকসুর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

১৪

পৌষ সংক্রান্তিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

১৫

ডিএনসিসিতে ‘ইয়ুথ ফর ফেয়ার সিটি’ প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু

১৬

নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ দিল ম্যানইউ

১৭

খেজু‌রের রস খেতে গিয়ে শিয়ালের কামড়, আহত ৪

১৮

শান্তি, ঐক্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার রবিনের

১৯

অনিশ্চয়তার দোলাচলে শাকসু নির্বাচন

২০
X