সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৩ এএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ডিবি হেফাজতে আনার ৬ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকার ৬ দিন পর হাসপাতালে এক ব্যক্তির মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ, নির্যাতনের কারণে তিনি প্রথমে আহত হন এবং পরে মারা যান।

গত ৫ জুন রাতে রাজধানীর বাউনিয়ায় এক নারী খুন হন। ঘটনার পরদিন সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দারোয়ান আলাল উদ্দিনকে (৫০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ।

এরপর শুক্রবার (১৬) ডিবি থেকে ফোন করে জানানো হয় তিনি মারা গেছেন। তবে কীভাবে মারা গেলেন এ বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে কিছুই বলা হয়নি।

বাউনিয়া এলাকায় আলালের বাড়ি। তার বাবার নাম নূর উদ্দিন। ঘরে রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার হায়দার আলীর বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি করতেন।

এ বিষয়ে শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলালকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে আদালতের নির্দেশে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আলালের ফুফাতো ভাই নেহাজ উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওই নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন সন্ধ্যায় (৬ জুন) আলালকে ডিবি তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার ব্যাপারে পরিবারকে আর কিছু জানানো হয়নি।

তিনি বলেন, আমাকে শুক্রবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে হৃদরোগ হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলা হয়, আলাল মারা গেছেন। আমরা হাসপাতালে যাওয়ার পরও আমাদের লাশের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। তখন পুলিশ জানায়, ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মরদেহ নিতে হবে।

নেহাজের দাবি, আলালের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শুধুমাত্র সন্দেহের জেরে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আলালের মরদেহের ছবিও তিনি দেখেছেন বলে জানান।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ডিবির পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান আলালকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।

মর্গ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ জুন) রাতে আলালের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে লাশের সঙ্গে সুরতহাল প্রতিবেদন পাঠানো হয়নি।

তুরাগ থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন সকালে বাউনিয়ার একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার (৩৩) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার ভাই মুরাদ মিয়া তুরাগ থানায় ফাতেমার স্বামী সাইফুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন। পরে সাইফুলকে পরে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডিএনসিসি’র নাগরিক পদক পেলেন যারা

কেশবপুরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া 

ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে খালেদা জিয়া ছিলেন অনুপ্রেরণার উৎস : সাইফুল হক

জনগণের অধিকার রক্ষায় আজীবন লড়াইয়ের অঙ্গীকার ইশরাকের

ঢাকায় তিনশ’ অসহায় মানুষের মাঝে বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

লেক থেকে ফুটপাত নিয়মের শাসনের অঙ্গীকার রবিউলের

জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলায় হুমায়ুন কবির জামিন পেলেন যেভাবে

খালেদা জিয়ার আদর্শে জনগণের অধিকার ও ন্যায়ভিত্তিক ঢাকা গড়ব : রবিন

জেদ্দায় উপদেষ্টা তৌহিদ-ইসহাক দারের সাক্ষাৎ, যে বিষয়ে আলোচনা

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ স্কুলছাত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন

১০

পাকিস্তানে বিয়েবাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নবদম্পতিসহ নিহত ৮

১১

যুবদল নেতাকে বহিষ্কার

১২

বিয়ের অনুষ্ঠানে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ

১৩

এরফান চিনিগুড়া এরোমেটিক চালের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তাসনিয়া ফারিণ

১৪

তারেক রহমানকে দেশ গঠনের সুযোগ দিন : সেলিমুজ্জামান

১৫

চট্টগ্রামে পিতার আসন পুনরুদ্ধারে মাঠে চার মন্ত্রীপুত্র

১৬

ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা তাসনূভা জাবীনের

১৭

নীতির প্রশ্নে আপস করেননি খালেদা জিয়া : খায়রুল কবির

১৮

ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার

১৯

জুলাই সনদের আলোচনা হারিয়ে গেছে : চরমোনাই পীর

২০
X