বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৩ এএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ডিবি হেফাজতে আনার ৬ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকার ৬ দিন পর হাসপাতালে এক ব্যক্তির মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ, নির্যাতনের কারণে তিনি প্রথমে আহত হন এবং পরে মারা যান।

গত ৫ জুন রাতে রাজধানীর বাউনিয়ায় এক নারী খুন হন। ঘটনার পরদিন সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দারোয়ান আলাল উদ্দিনকে (৫০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ।

এরপর শুক্রবার (১৬) ডিবি থেকে ফোন করে জানানো হয় তিনি মারা গেছেন। তবে কীভাবে মারা গেলেন এ বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে কিছুই বলা হয়নি।

বাউনিয়া এলাকায় আলালের বাড়ি। তার বাবার নাম নূর উদ্দিন। ঘরে রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার হায়দার আলীর বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি করতেন।

এ বিষয়ে শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলালকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে আদালতের নির্দেশে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আলালের ফুফাতো ভাই নেহাজ উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওই নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন সন্ধ্যায় (৬ জুন) আলালকে ডিবি তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার ব্যাপারে পরিবারকে আর কিছু জানানো হয়নি।

তিনি বলেন, আমাকে শুক্রবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে হৃদরোগ হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলা হয়, আলাল মারা গেছেন। আমরা হাসপাতালে যাওয়ার পরও আমাদের লাশের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। তখন পুলিশ জানায়, ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মরদেহ নিতে হবে।

নেহাজের দাবি, আলালের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শুধুমাত্র সন্দেহের জেরে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আলালের মরদেহের ছবিও তিনি দেখেছেন বলে জানান।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ডিবির পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান আলালকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।

মর্গ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ জুন) রাতে আলালের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে লাশের সঙ্গে সুরতহাল প্রতিবেদন পাঠানো হয়নি।

তুরাগ থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন সকালে বাউনিয়ার একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার (৩৩) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার ভাই মুরাদ মিয়া তুরাগ থানায় ফাতেমার স্বামী সাইফুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন। পরে সাইফুলকে পরে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মিচেলের অপরাজিত শতকে ভারতকে হারাল নিউজিল্যান্ড

সাবেক মন্ত্রী মোমেন যেভাবে টানা ৮ মাস আত্মগোপনে ছিলেন

যে কোনো সময় ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, যে বার্তা দিল সৌদি

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : দুলু

বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় আসছে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল

ডিসির সঙ্গে একযোগে দেখা করলেন জামায়াতের ৭ প্রার্থী

বিএনপি কত আসন পেয়ে বিজয়ী হবে, বললেন ফজলুর রহমান

৩০ লাখ টাকার ফেলোশিপ পাচ্ছে যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

শেখ হাসিনাসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

১০

ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

১১

ইরান-ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’

১২

গানম্যান পেলেন ববি হাজ্জাজ

১৩

৭৫ দেশের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

১৪

রিশাদের ঘূর্ণিতে থামল ব্রিসবেন, তবু শেষ বলের নাটকে হারল হোবার্ট

১৫

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন ১৯ জানুয়ারি

১৬

পদ্মায় দেখা মিলল কুমির, আতঙ্কে বাসিন্দারা

১৭

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

১৮

বাহরাইনে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যাখ্যা দিল ইসি

১৯

‘মনোনয়নবঞ্চিত’ শরিকদের সুখবর দিলেন তারেক রহমান

২০
X