কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৩ এএম
আপডেট : ১৮ জুন ২০২৩, ০১:০৪ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ডিবি হেফাজতে আনার ৬ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে থাকার ৬ দিন পর হাসপাতালে এক ব্যক্তির মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বজনদের অভিযোগ, নির্যাতনের কারণে তিনি প্রথমে আহত হন এবং পরে মারা যান।

গত ৫ জুন রাতে রাজধানীর বাউনিয়ায় এক নারী খুন হন। ঘটনার পরদিন সন্ধ্যায় ওই বাড়ির দারোয়ান আলাল উদ্দিনকে (৫০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসে ডিবি পুলিশ।

এরপর শুক্রবার (১৬) ডিবি থেকে ফোন করে জানানো হয় তিনি মারা গেছেন। তবে কীভাবে মারা গেলেন এ বিষয়ে ডিবির পক্ষ থেকে কিছুই বলা হয়নি।

বাউনিয়া এলাকায় আলালের বাড়ি। তার বাবার নাম নূর উদ্দিন। ঘরে রয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার হায়দার আলীর বাড়িতে দারোয়ানের চাকরি করতেন।

এ বিষয়ে শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমকে জানান, আলালকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অসুস্থ হয়ে পড়লে আদালতের নির্দেশে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

আলালের ফুফাতো ভাই নেহাজ উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওই নারীর লাশ উদ্ধারের পরদিন সন্ধ্যায় (৬ জুন) আলালকে ডিবি তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার ব্যাপারে পরিবারকে আর কিছু জানানো হয়নি।

তিনি বলেন, আমাকে শুক্রবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে হৃদরোগ হাসপাতাল থেকে ফোন করে বলা হয়, আলাল মারা গেছেন। আমরা হাসপাতালে যাওয়ার পরও আমাদের লাশের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি। তখন পুলিশ জানায়, ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে মরদেহ নিতে হবে।

নেহাজের দাবি, আলালের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। শুধুমাত্র সন্দেহের জেরে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। আলালের মরদেহের ছবিও তিনি দেখেছেন বলে জানান।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় ডিবির পরিদর্শক সিদ্দিকুর রহমান আলালকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) পাঠানো হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসক তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।

মর্গ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১৭ জুন) রাতে আলালের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে লাশের সঙ্গে সুরতহাল প্রতিবেদন পাঠানো হয়নি।

তুরাগ থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জুন সকালে বাউনিয়ার একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার (৩৩) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ফাতেমার ভাই মুরাদ মিয়া তুরাগ থানায় ফাতেমার স্বামী সাইফুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন। পরে সাইফুলকে পরে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব

ব্রিটেনে তরুণীকে ধর্ষণ করলেন রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী যুবক

রাজনীতি হবে মানুষের সেবা ও দেশের উন্নয়নের জন্য : হাবিব

অভিবাসন দমনে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করল মিনেসোটা

‘নারী অবমাননার’ বিতর্কে যশের ‘টক্সিক’

মাথার খুলি খুলে রাখা হয়েছে হুজাইফার

তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করল ইরান

জিয়া পরিষদ টেলিটক শাখার দোয়া মাহফিল / খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে

আগামী নির্বাচন হবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা নির্ধারণের নির্বাচন : সালাহউদ্দিন 

আমদানিতে শুল্ক কমাল, কত কমতে পারে মোবাইলের দাম?

১০

ইরানে বাড়ি বাড়ি তল্লাশিতে মিলল মার্কিন অস্ত্র ও বিস্ফোরক

১১

গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফাকে পাঠানো হচ্ছে ঢাকায়

১২

লিভার সুস্থ রাখতে যে সবজি হতে পারে আপনার দৈনন্দিন বন্ধু

১৩

শাকসু নির্বাচন নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল

১৪

অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার সতর্কবার্তা

১৫

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

১৬

প্রেম করছেন নোরা ফাতেহি, প্রেমিক কে?

১৭

অতীতে কারা দায়মুক্তি দিয়েছিলেন? জুলাই যোদ্ধাদের কী হবে

১৮

ইরানের বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

১৯

অবশেষে কমতে শুরু করেছে স্বর্ণের দাম

২০
X