কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০১ নভেম্বর ২০২৩, ০৯:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘চলতি সংসদ অধিবেশনেই সংখ্যালঘু আইন পাশের দাবি’

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : কালবেলা
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সংবাদ সম্মেলন। ছবি : কালবেলা

বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিদারুণভাবে উদ্বিগ্ন। এমন বাস্তবতায় রাজনৈতিক সহিংসতার সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে কোনো ধরণের সহিংসতা চালাতে না পারে এজন্য সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে শুরু করে সকল রাজনৈতিক দল ও সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

আজ বুধবার (১ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এ আহ্বান জানান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐক্যমোর্চার আহ্বায়ক রাণা দাশগুপ্ত।

সংবাদ সম্মেলনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তারা বলেন, ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগের দেয়া নির্বাচনী ইশতেহারে সাতদফা সংখ্যালঘুদের জন্য সাতদফা প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও আজ পর্যন্ত একটিও বাস্তবায়ন হয়নি। আশ্বাসে আশ্বাসে কেটেছে পাঁচ বছর। অথচ আমরা দীর্ঘ সময় ধরে আন্দোলন করে আসছি। এরি ধারাবাহিকতায় দাবি আদায়ে ডাকা মহাসমাবেশের তারিখ দুবার পেছানো হয়েছে।

বিদ্যমান জাতীয় রাজনীতির সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিকে বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ ও এর নেতৃত্বাধীন ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘু ঐক্যমোর্চার ৪ নভেম্বরে আয়োজিত ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশের তারিখ ১৭ নভেম্বর পুনঃনির্ধারণের ঘোষণা দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

লিখিত বক্তব্যে রাণা দাশগুপ্ত বলেন, গত ২২ ও ২৩ সেপ্টেম্বর ৪৮ ঘণ্টাব্যাপী গণঅনশন ও গণঅবস্থান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলাকালীন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান কবির বিন আনোয়ার সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বরাত দিয়ে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুত জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন অক্টোবর মাসে গঠনের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন। যা আজ পর্যন্ত ঘোষিত না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক ও হতাশাব্যঞ্জক।

তিনি জাতীয় সংসদের চলতি শেষ অধিবেশনে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন বিল উত্থাপন ও তা পাশ করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এক প্রশ্নের জবাবে রাণা দাশগুপ্ত বলেন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন করা হলেও দেড় লাখ আবেদনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৫ ভাগ নিষ্পত্তি হচ্ছে। জেলা প্রশাসকদের অসহযোগিতার কারণে মাত্র ১৫ ভাগ মানুষ সম্পত্তি ফেরত পাচ্ছেন। অথচ রায়ের একমাসের মধ্যে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া আইনে আছে। কিন্তু আইনের বাস্তবায়ন নেই।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক। বক্তব্য রাখেন- ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রঞ্জন কর্মকার, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ, সাংবাদিক মনোজ রায়, হিন্দু মহাজোট (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক ডা. এম কে রায়, উত্তম কুমার চক্রবর্তী।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- রবীন্দ্র নাথ বসু, মিহির রঞ্জন হাওলাদার, রতন পাল প্রমুখ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত অন্তত ২০০০ 

নির্বাচনী প্রচারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহারে মাউশির কঠোর নিষেধাজ্ঞা

চামড়াসহ নাকি চামড়া ছাড়া, কীভাবে মুরগির মাংস খাওয়া ভালো?

বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

চায়ের আড্ডায় থেমে গেল কুয়েট শিক্ষার্থীর জীবন

মালদ্বীপ প্রবাসীদের সতর্ক করল দূতাবাস

বিক্ষোভ দমনে প্রথম প্রকাশ্যে ফাঁসি কার্যকরের পথে ইরান

সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন

ঢাকা-১০ আসনে শিক্ষা ও নিরাপত্তার নতুন অঙ্গীকার রবিউলের

শীতে মুখ ঢেকে নামাজ পড়া কি জায়েজ, যা বলছে ইসলাম

১০

সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন মহার্ঘ ভাতা

১১

উত্তাল চুয়াডাঙ্গা

১২

দীর্ঘ ৯ মাস অনুপস্থিত, প্রকৌশলীকে খুঁজতে থানায় জিডি

১৩

ভূমধ্যসাগরে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু : পাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

১৪

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ওয়েবসাইটে প্রকাশ

১৫

গণভোট নিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ব্যাপক প্রচারণার নির্দেশ

১৬

রাউজান-রাঙ্গুনিয়ায় বসতঘরে আগুনের রহস্য উন্মোচন

১৭

গাইবান্ধায় নিয়োগ পরীক্ষা জালিয়াতি, রিমান্ডে ২৬ আসামি 

১৮

বিএনপির ৫ নেতা সদস্যপদ ফিরে পেলেন

১৯

শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে ফের দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

২০
X