কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জুলাই ২০২৪, ০৯:২৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পৃথকভাবে এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করল জাপা 

এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্বরণসভায় অংশ নিয়ে কথা বলেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। ছবি : কালবেলা
এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক স্বরণসভায় অংশ নিয়ে কথা বলেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ। ছবি : কালবেলা

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করেছে দলের দুই বিভক্ত অংশ।

রোববার (১৪ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এরশাদের স্মরণসভার আয়োজন করে জি এম কাদেরপন্থিরা। অন্যদিকে কাকরাইল ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে স্মরণসভার আয়োজন করে রওশনপন্থি অংশ।

এর আগে সকালে কাকরাইলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এরশাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।

স্মরণসভায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং প্রয়াত এরশাদের সহধর্মিণী রওশন এরশাদ বলেছেন, অনেকে আছেন- যারা জাতীয় পার্টির পরিচয় দিয়েও এরশাদকে মুছে ফেলতে চাইছেন। বিগত নির্বাচনে তার নাম মুখে নেওয়া হয়নি। নির্বাচনী ইশতেহারে পল্লীবন্ধুর ছবিটা পর্যন্ত রাখা হয়নি।

তিনি বলেন, এরশাদকে যারা ভালোবাসে তারা তা মানতে পারেনি। তাই যেখানে একক নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১৮ শতাংশ ভোট পেয়েছিল- সেখানে এবার মাত্র ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাও জাতীয় পার্টির ভোট নয়- ওটা ছিল সমঝোতার ভোট। আমরা এরশাদের নিজ হাতে গড়া জাতীয় পার্টিকে শেষ হয়ে যেতে দিতে পারি না। জাতীয় পার্টির মধ্যে কোনো দ্বিধা-বিভক্তি হতে দেব না। তাহলে তার আত্মা কষ্ট পাবে। আমরা সবাই এরশাদের প্রবর্তিত শান্তি, সমৃদ্ধি, উন্নয়ন এবং ইতিবাচক ধারার রাজনীতি করতে চাই।

সাবেক বিরোধী দলের এ নেতা বলেন, দেশে এখন নানাবিধ সমস্যা বিরাজ করছে। ছাত্র-শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। দেশে বেকার সমস্যা বেড়েই চলছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। এদিকে দেশে ভয়াবহ বন্যায় মানুষের দুর্গতি বেড়েই যাচ্ছে। দেশের এ পরিস্থিতির মধ্যে এরশাদ বেঁচে থাকলে- তিনি বসে থাকতে পারতেন না। তিনি বন্যাদুর্গত মানুষের কাছে ছুটে যেতেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি দেশের সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে সরকার আন্তরিক। কিন্তু সমাধানের পদক্ষেপগুলো যথার্থ নয়। ছাত্র-শিক্ষকদের আন্দোলন শুরু হতে না হতেই সরকারের উচিত ছিল আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা। সরকার সেটা এখনো করতে পারে।

স্মরণসভায় দলটির মহাসচিব কাজী মো. মামুনূর রশিদ, আমন্ত্রিত অতিথি জাতীয় পার্টি (জেপি) মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, বিএলডিপির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী নাজিমুদ্দিন আল আজাদ, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এম এ মতিন, সাবেক রাষ্ট্রপতির চিত্রগ্রাহক ইকবাল চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব পীরজাদা সৈয়দ জুবায়ের আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আবু সালেহ, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক সাহিন আরা সুলতানা রিমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে গণভোটের প্রচার

তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর নিয়ে যেসব বার্তা দিলেন আমীর খসরু  

আজ থেকে নতুন দামে স্বর্ণ বিক্রি শুরু, ভরি কত

জানা গেল ঢাকার আবহাওয়া আজ কেমন থাকবে

আজহারির জরুরি বার্তা

রেকর্ডভাঙা গরমের বছর হতে যাচ্ছে ২০২৬

খেজুর উৎপাদনে রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে তিউনিসিয়া

পোস্টাল ভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আজ বসছে ইসি

প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ চাকরি দিচ্ছে মিনিস্টার

জামায়াতে আমিরের বগুড়া সফরের কর্মসূচি ঘোষণা

১০

রাষ্ট্রদূতদের জরুরি বার্তা পাঠাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

১১

ইরাকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এখন সিরিয়া সীমান্ত

১২

চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় আজ

১৩

ইরানকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

১৪

‘কিছু বুঝার আগেই দেখি সবাই খালের পানিতে’

১৫

রাজধানীতে আজ কোথায় কোন কর্মসূচি

১৬

১২ ঘণ্টা পর শাবিপ্রবি উপাচার্য মুক্ত 

১৭

আজ ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১৮

শেষ মুহূর্তে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন বিএনপির আরও এক প্রার্থী

১৯

মঙ্গলবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

২০
X