কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৫, ০৯:৫৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব : ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের লোগো। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেছেন, রাষ্ট্রের প্রধান কাজই হলো গণনিরাপত্তা নিশ্চিত করা। মানুষ রাষ্ট্রকে এ জন্যই কর দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের ভাগ্যাহত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় নাই কোনোকালেই।

বুধবার (১৪ মে) এক বিবৃতিতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদের আমলের কথা বাদ দিলেও অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারের দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও আইনশৃংখলা পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি হয় নাই। চলতি বছরের প্রথম দুই মাসের পরিসংখ্যানে প্রতিদিন গড়ে ৯ জন মানুষ খুন হয়েছে। পরের মাসগুলোর পরিসংখ্যানও একই রকম হবে। একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ দেশে এভাবে মানুষ খুন হওয়া মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাও এখন নিরাপদ নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্যের ঘটনা আমাদের ব্যথিত ও বিস্মিত করেছে। সামান্য ঘটনায় মেধাবী এক তরুণের এমন মৃত্যু আমাদের সামাজিক অস্থিরতা ও অসহিষ্ণুতাকে প্রকট করে তোলে। এই ঘটনায় জড়িতদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতির দ্রুত দৃশ্যমান উন্নতি করতে হবে। ঢাবি শিক্ষার্থী হত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারাবিশ্বেই আইনশৃংখলা রক্ষায় দক্ষতার জন্য প্রশংসিত। সেই সেনাবাহিনী ম্যাজেস্ট্রেসি পাওয়ার নিয়ে মাঠে থাকার পরেও আইনশৃংখলা পরিস্থিতির এই করুণ দশা আমাদেরকে বিচলিত করছে। এর পেছনে কোনো রাজনৈতিক দূরভিসন্ধি কাজ করছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কালো পলিথিনের প্যাকেটে ছিল নবজাতক, ইউএনওর উদ্যোগে চমেকে ভর্তি

১৭ অঞ্চলে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

মেসিকে দলে সাইন করানোর কথা ভাবছি: ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট

যমজ বোনের সঙ্গে যমজ ভাইয়ের বিয়ে, এলাকায় উৎসবের আমেজ

মোদি দেখতে দেবদূত হলেও ভেতরে ‘কিলার’, বললেন ট্রাম্প

এইচএসসি ২০২৬ : স্বপ্নের শিখরে পৌঁছানোর কৌশল, পরিমিত পরিকল্পনা ও নিয়মিত অনুশীলনে যুদ্ধজয়

দেশে বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?

কারখানায় পানি পান করে হাসপাতালে শতাধিক শ্রমিক

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা / এক্সে দেওয়া পোস্ট সংশোধন করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

বাজারে আগুন নেভাতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

১০

স্বপ্নে দেখলেন জীবিত আছে তরুণী, মৃত্যুর ১৮ দিন পর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা

১১

৯৬ ঘণ্টা পর চারজনকে থানায় হস্তান্তর, শূন্যরেখায় এখনো ৫ নাগরিক

১২

কুড়িগ্রামে রেললাইনে ট্রাক উল্টে যাওয়ায় ভোগান্তিতে যাত্রীরা

১৩

রোনালদোই কি পর্তুগালের সবচেয়ে বড় বোঝা?

১৪

শ্বশুরবাড়ির এলাকায় চুরি করতে গিয়ে আটক জামাতা

১৫

রেললাইনে উল্টে গেল ট্রাক, কুড়িগ্রামের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ

১৬

সাভারে ‘ঘুষের নামে লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন ও আত্মসাতের’ অভিযোগ ভিত্তিহীন

১৭

ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রাখার পক্ষে ট্রাম্প

১৮

দেশের ভোকেশনাল স্কুলগুলোতে জাপানি ভাষা শেখানো হোক

১৯

অভিযোগ দিয়ে ফেরার পথে বাদীপক্ষের ওপর হামলা, থানায় আশ্রয় নিয়েও মেলেনি রক্ষা

২০
X