কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৪১ এএম
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জাতীয় পার্টিকে এখনো কেন প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, প্রশ্ন লায়ন ফারুকের

প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি : কালবেলা
প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ। ছবি : কালবেলা

১২ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেছেন, জাতীয় পার্টি (জাপা) পতিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম দোসর। গত ১৫-১৬ বছর ধরে এই দলটি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্যতম প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সেই জাতীয় পার্টিকে এখনো কেন আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে, সেটাই এখন দেশবাসীর প্রশ্ন।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন’ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে এ অনুষ্ঠান হয়।

লায়ন ফারুক বলেন, জাতীয় পার্টি ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত সব বিতর্কিত নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। নজিরবিহীনভাবে তারা যেমন সংসদের বিরোধী দল ছিল, তেমনি অংশ নিয়েছে সরকারের মন্ত্রিসভায়ও। তাই ফ্যাসিবাদী শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টিকে আর ছাড় দেওয়া যাবে না। এ দলটিকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে। এটাই দেশবাসীর চাওয়া।

জি এম কাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে এই জি এম কাদেররাই শক্তি জুগিয়েছে। জাতীয় পার্টি যদি নির্বাচনে না যেত, তাহলে ২০১৪ সালেই শেখ হাসিনার পতন হতো।

১২ দলীয় জোটের অন্যতম এই শীর্ষ নেতা বলেন, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হলেও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঢোকার চেষ্টা করছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের রাজনীতি এই বাংলায় চলবে না।

প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য দেন সাবেক এমপি নূর আফরোজ জ্যোতি, ন্যাশনাল লেবার পার্টির দলীয় মুখপাত্র মো. শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

কালবেলা/এনএএস/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

‘ইসরায়েলের আগামী নির্বাচনে প্রার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করতে পারে ইরান’

চট্টগ্রামে জুলাইয়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৪৫৭, আরও এক নারীর মৃত্যু

ভূমি কর্মকর্তার ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল

আর্জেন্টিনার জাল কাঁপানো কাবরালের বাঁকানো শটে করা সেই গোলই বিশ্বকাপের সেরা

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

‘আলোচনা ব্যর্থ হলে ইরানে শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালানো হবে’

পর্দার আড়ালে ঘৃণা ও গুজব ছড়ানোদের নিয়ে এবার মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি

রাজধানীর ৩০০ ফিটে ঘুরতে গেলেন সাহাবুদ্দিন

যে কারণে বিমানঘাঁটি ব্যবহার করে গোপনে মার্কিন সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু

খাল পুনঃখনন শেষে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ফেরত দিলেন ইউএনও

১০

সাবেক ৩২ ডিসি বাধ্যতামূলক অবসরে

১১

টানা বৃষ্টি নিয়ে দুঃসংবাদ

১২

ফাইনালে মেসিদের পিঠ ফেরানোয় বিতর্ক, নেপথ্য কারণ স্পষ্ট করলেন লিসান্দ্রো

১৩

শিক্ষা ক্যাডারের বদলি এখন তিন কমিটির হাতে

১৪

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় সৌদি প্রবাসী নিহত 

১৫

৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভিসি নিয়োগ

১৬

আমরা মাইর খাইনি, দিয়েছি: সালাহউদ্দিন আম্মার

১৭

মালয়েশিয়ায় প্রফেসর স্থপতি রফিক আজমের পঞ্চম একক স্থাপত্য প্রদর্শনী এবং আন্তর্জাতিক গ্রন্থ উন্মোচন

১৮

সাকিবকে নিয়ে নেপাল ক্লাবের বার্তা

১৯

শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী / তোমাদের দিকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ তাকিয়ে

২০
X