সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফ ক্লাসরুমে গুলি করার ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। যদিও ওই ডাক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব ইউনুছ আহমাদ বলেন, ডা. রায়হান কীভাবে চিকিৎসক হয়? রীতিমতো সে একজন সন্ত্রাসী। সে কীভাবে মানুষকে চিকিৎসা সেবা দিবে, সে নিজেই রোগী। এভাবে একজন দাগি ক্যাডারকে চিকিৎসার মতো মহান পেশায় কীভাবে প্রভাষক পদে নিয়োগ দেওয়া হলো, তা দেশবাসী জানতে চায়।
তিনি বলেন, ডা. রায়হানের পূর্বের ইতিহাস থেকে জানা যায়- ছাত্র জীবনেও পিস্তল নিয়ে চলতেন তিনি। চিকিৎসার মতো মহান পেশায় এসেও সে টেবিলে পিস্তল রেখে লেকচার দিত আর একটু পর পিস্তল উঁচিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব আরও বলেন, চিকিৎসকের কাছে মানুষ অসুস্থ হয়ে সুস্থতা লাভের আশায় যান। কিন্তু চিকিৎসকগণই যখন অসুস্থ, তাহলে তার চিকিৎসা কে দেবে? কাজেই এ ধরনের মাদকতাসক্ত ব্যক্তি এবং দোষী ও দাগি ব্যক্তিরা কোনোভাবেই চিকিৎসকের মতো মহান পেশায় থাকতে পারেন না। অবশ্যই তার (বিএমডিসি) নিবন্ধন বাতিল, অভিযুক্তকে তার শিক্ষকের পদ থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ সময়ের অনিবার্য দাবি।
মন্তব্য করুন