কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রভাব দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পড়েছে। মধ্য প্রাচ্যের দুবাই, কাতার, সৌদি আরবসহ দক্ষিণ এশিয়ার মালয়েশিয়াতেও ছিল চোখে পড়ার মতো। সবার মঙ্গলের জন্য মালয়েশিয়া প্রবাসীদের দেশের ইস্যু নিয়ে কোনো আন্দোলন না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ।
গত ২০ জুলাই মালয়েশিয়ার জিওমেট্রিকা ইউনিভার্সিটিতে মানববন্ধন করার অপরাধে স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে একজন বাংলাদেশি ছাত্রকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। যদিও কয়েক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেয়। তবে ওই ছাত্রকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ বাংলাদেশ সরকারবিরোধী অসংখ্য প্লেকার্ড ব্যানার জব্দ করে নিয়ে যায়। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এবং বাংলা কমিউনিটি নেতাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে এবং ভবিষ্যতে এসব আন্দোলন, বিক্ষোভ, সমাবেশ, মানববন্ধন না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে।
মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দাতো শ্রী কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান কোনো ইস্যু নিয়ে প্রবাসের মাটিতে কোনো আন্দোলন, বিক্ষোভ, সমাবেশ, মানববন্ধন থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। কারণ মালয়েশিয়ার নাগরিকরা ভিনদেশিদের এসব বিক্ষোভ আন্দোলন ভালো চোখে দেখে না। তাছাড়া দেশটিতে বিদেশি নাগরিকদের আন্দোলন, বিক্ষোভ, সমাবেশ, মানববন্ধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসীদের আন্দোলন করার দায়ে ৫৭ জন বাংলাদেশির যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়েছে। এমনিক অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া বন্ধ ঘোষণা করেছে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত হোসেন পান্না, আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কাইয়ুম সরকার, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. সাঈদুর রহমান সরকার, এ আর মোহাম্মাদ মামুন, এম এম রোসি, মো. আউয়াল রুম্মান, যুবলীগ নেতা তারেক চৌধুরী, মো. আনিছুর রহমান, মওদুদ মোল্লা, ছাত্রলীগ নেতা এইচ এম জুয়েলসহ অনেকে।
মন্তব্য করুন