মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩, ১২:৩১ পিএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩, ০৪:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পরিবর্তন ছাড়া মালয়েশিয়া টিকবে না : আনোয়ার ইব্রাহিম

২০২২ সালে নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
২০২২ সালে নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, পরিবর্তন না আসলে মালয়েশিয়া টিকবে না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

আলজাজিরার ১০১ ইস্ট অনুষ্ঠানের এক বিস্তারিত সাক্ষাৎকারে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, 'একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং পরিবর্তনের সংকল্প না থাকলে, আমি বিশ্বাস করি না মালয়েশিয়া টিকে থাকবে।’

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মালয়েশিয়ায় ১৯৯০'র দশকে তিনি অতি দ্রুততার সঙ্গে রাজনৈতিক সিঁড়ি পেরিয়ে দ্বিতীয় ক্ষমতাবান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগে তাকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তিনি সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন যার প্রভাব ২০ বছর জুড়ে ছিল। মালয়েশিয়া বহু জাতি নিয়ে দেশ হলেও দেশটির প্রচলিত নীতি মুসলিম মালয় এবং আদিবাসীদের দ্বারা গঠিত সংখ্যাগরিষ্ঠদের ১৯৭০ সাল থেকে সুবিধা দিয়ে আসছে। চাকরি থেকে শুরু করে শিক্ষা এবং বাসস্থানের ক্ষেত্রে এই জাতিগত গোষ্ঠীগুলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিক সুবিধা দেওয়া হয়।

তিনি মালয়েশিয়াকে জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রয়োজনভিত্তিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চান।

আলজাজিরাকে তিনি বলেছেন, মালয়েশিয়া একটি বহু-জাতিভিত্তিক দেশ, কিন্তু ইতিবাচক পদক্ষেপ নীতির মাধ্যমে মুসলিম মালয় এবং আদিবাসী সংখ্যাগরিষ্ঠরা ১৯৭০ সাল থেকে বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে আসছে। এই জাতীয় নীতিগুলো চাকরি থেকে শিক্ষা এবং বাসস্থানের ক্ষেত্রে এই জাতি গোষ্ঠীগুলোকে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা দেয়।

১৯৬৯ সালের মে মাসে মালয়দের সঙ্গে চীনাদের জাতিগত দাঙ্গার পরে একটি সামাজিক প্রকৌশল কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওইসব নীতি চালু করা হয়েছিল।

নীতিগুলো অস্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও, সেগুলো এখনো চালু রয়েছে- যা দেশের সংখ্যালঘু চীনা ও ভারতীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

এদের অনেকে অন্যত্র ভালো সুযোগের সন্ধানে দেশ ছেড়ে চলে যেতেও বাধ্য হয়েছে।

আনোয়ার বলেন, ‘আমার চাহিদাভিত্তিক সংস্কার পদ্ধতি মালয়দের জাতিভিত্তিক নীতির চেয়ে বেশি সাহায্য করবে। কারণ, জাতিভিত্তিক নীতিগুলো যে কয়েকটি অভিজাত এবং তাদের বন্ধুরা নিজেদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করে, তা প্রমাণিত হয়েছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিবন্ধন পেল বাংলা পোস্ট

স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী

গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণ জানাল তিতাস

ডেঙ্গুর আর্থিক ক্ষতি বছরে ৫ হাজার কোটি টাকা: ডা. মোসলেহ উদ্দীন

বাজার থেকে আরও ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ইসলামোফোবিয়া প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া সরকারের উদ্যোগ

ফাইনালে আর্জেন্টিনার পরাজয়ের ৫ কারণ 

কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ আরও ২ শ্রমিকের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কৌশল বুঝে ফেলেছে ইরান: গালিবাফ

অস্ত্রোপচারে ড্রিলের ফলা রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

১০

ভারতে প্রথম ডেঙ্গু টিকার অনুমোদন, কারা নিতে পারবেন

১১

উগ্রবাদে জড়িতের অভিযোগে গ্রেপ্তার মামুন রিমান্ডে

১২

ভূয়াপুর-তারাকান্দি মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

১৩

নেত্রকোনায় নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, সড়কে ধস

১৪

অস্ট্রেলিয়ায় আহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় প্রবাসীদের মানবিক উদ্যোগ

১৫

এফওপিএল নীতিমালা দ্রুত চূড়ান্তের আহ্বান, নীতি পর্যালোচনায় সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর

১৬

বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম / থার্ড টার্মিনাল চালাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাপানের সঙ্গে চুক্তি

১৭

নিজের স্বার্থের জন্য দেশকে বিক্রি করা চলবে না: ফয়জুল করীম

১৮

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে চিঠি

১৯

মাদক-চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে লাখ টাকা পুরস্কার

২০
X