শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৩, ১২:৩১ পিএম
আপডেট : ০৯ জুন ২০২৩, ০৪:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পরিবর্তন ছাড়া মালয়েশিয়া টিকবে না : আনোয়ার ইব্রাহিম

২০২২ সালে নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
২০২২ সালে নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, পরিবর্তন না আসলে মালয়েশিয়া টিকবে না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

আলজাজিরার ১০১ ইস্ট অনুষ্ঠানের এক বিস্তারিত সাক্ষাৎকারে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, 'একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি এবং পরিবর্তনের সংকল্প না থাকলে, আমি বিশ্বাস করি না মালয়েশিয়া টিকে থাকবে।’

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে নির্বাচনের পর আনোয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মালয়েশিয়ায় ১৯৯০'র দশকে তিনি অতি দ্রুততার সঙ্গে রাজনৈতিক সিঁড়ি পেরিয়ে দ্বিতীয় ক্ষমতাবান ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন। দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগে তাকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। তিনি সংস্কার আন্দোলন গড়ে তোলেন যার প্রভাব ২০ বছর জুড়ে ছিল। মালয়েশিয়া বহু জাতি নিয়ে দেশ হলেও দেশটির প্রচলিত নীতি মুসলিম মালয় এবং আদিবাসীদের দ্বারা গঠিত সংখ্যাগরিষ্ঠদের ১৯৭০ সাল থেকে সুবিধা দিয়ে আসছে। চাকরি থেকে শুরু করে শিক্ষা এবং বাসস্থানের ক্ষেত্রে এই জাতিগত গোষ্ঠীগুলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিক সুবিধা দেওয়া হয়।

তিনি মালয়েশিয়াকে জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রয়োজনভিত্তিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চান।

আলজাজিরাকে তিনি বলেছেন, মালয়েশিয়া একটি বহু-জাতিভিত্তিক দেশ, কিন্তু ইতিবাচক পদক্ষেপ নীতির মাধ্যমে মুসলিম মালয় এবং আদিবাসী সংখ্যাগরিষ্ঠরা ১৯৭০ সাল থেকে বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে আসছে। এই জাতীয় নীতিগুলো চাকরি থেকে শিক্ষা এবং বাসস্থানের ক্ষেত্রে এই জাতি গোষ্ঠীগুলোকে অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা দেয়।

১৯৬৯ সালের মে মাসে মালয়দের সঙ্গে চীনাদের জাতিগত দাঙ্গার পরে একটি সামাজিক প্রকৌশল কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওইসব নীতি চালু করা হয়েছিল।

নীতিগুলো অস্থায়ী হওয়ার কথা থাকলেও, সেগুলো এখনো চালু রয়েছে- যা দেশের সংখ্যালঘু চীনা ও ভারতীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।

এদের অনেকে অন্যত্র ভালো সুযোগের সন্ধানে দেশ ছেড়ে চলে যেতেও বাধ্য হয়েছে।

আনোয়ার বলেন, ‘আমার চাহিদাভিত্তিক সংস্কার পদ্ধতি মালয়দের জাতিভিত্তিক নীতির চেয়ে বেশি সাহায্য করবে। কারণ, জাতিভিত্তিক নীতিগুলো যে কয়েকটি অভিজাত এবং তাদের বন্ধুরা নিজেদের সুবিধার জন্য ব্যবহার করে, তা প্রমাণিত হয়েছে।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিপিএল ফাইনালকে ঘিরে বিসিবির বর্ণিল আয়োজন

রাষ্ট্রের গুণগত পরিবর্তনে ধানের শীষই ভরসা : রবিউল

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল এমপি প্রার্থীর

ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী জনসভায় জনতার ঢল

প্রবাসীদের নিয়ে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস

নির্বাচনে এমএফএসের অপব্যবহার রোধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-বিকাশের সমন্বয় কর্মশালা

আন্দোলনে এনসিপি নেতাদের কী অবদান, প্রমাণ চেয়ে জিএম কাদেরের চ্যালেঞ্জ 

স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় মামলা, অভিযুক্ত দম্পতিকে খুঁজছে পুলিশ

বিগত ১৫ বছর নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছিল : তারেক রহমান

শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে যা বলল জাতিসংঘ

১০

বিএনপির আরেক নেতাকে গুলি

১১

এবার দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১২

এবার পাকিস্তানকেও বিশ্বকাপ বয়কট করতে বললেন সাবেক অধিনায়ক

১৩

তারেক রহমানের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির আহ্বান সালামের

১৪

চট্টগ্রাম-৫ আসন / মীর হেলালের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

১৫

ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হামিদের দিনভর গণসংযোগ

১৬

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ফজলুর রহমান

১৭

বার্সেলোনা শিবিরে দুঃসংবাদ, কোচের কপালে ভাঁজ

১৮

নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে পাঁচ কর্মসূচি প্রকাশ বিএনপির

১৯

৪৬তম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষার্থীদের জরুরি নির্দেশনা পিএসসির

২০
X