কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৪, ০৯:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অভিনব কায়দায় প্লেন চোরাচালান করল ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এয়ারবাসের মতো বিমান কিনতে পারছে না ইরান। ছবি : সংগৃহীত
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এয়ারবাসের মতো বিমান কিনতে পারছে না ইরান। ছবি : সংগৃহীত

ইউরোপের একটি দেশের এয়ারপোর্ট থেকে দুটি বিমান উড্ডয়ন করে। বিমান দুটির গন্তব্য ছিল এশিয়ার দুই দেশ শ্রীলঙ্কা ও ফিলিপাইন। কিন্তু উড্ডয়নের পর রহস্যজনকভাবে মাঝ আকাশে পথ বদলে ইরানে গিয়ে অবতরণ করে বিমান দুটি। এমনকি এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের ‘নজর’ এড়াতে যোগাযোগের সব মাধ্যম বিমানের ভেতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমন অভিনব কায়দায় বিমান চোরাচালান করে ফের আলোচনায় ইরান।

বিমান দুটির একটি অবতরণ করে তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। আরেকটি বিমান নামে ইরানের চাবাহার কোনারাক বিমানবন্দরে। গেল ফেব্রুয়ারি মাসে এ ঘটনা ঘটে।

দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লিথুনিয়ার সিয়াউলিআই বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের সময় দুটি বিমানেরই ট্রান্সপন্ডার সচল ছিল। কিন্তু ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে দুটি বিমানেরই ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়। রাডার সিস্টেমকে ফাঁকি দিতেই এমনটা করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, বিমান দুটি গাম্বিয়া লিজিং কোম্পানি মাককা ইনভেস্টের মালিকাধীন ছিল। কোম্পানিটির আরও একটি বিমান উড্ডয়নের ঠিক আগ মুহূর্তে তা ঠেকিয়ে দেওয়া হয়।

বিমান দুটি ইরানের মাটিতে অবতরণ করার পর এগুলোর মালিকানা দাবি করে বসে মাহান এয়ার। লিথুনিয়ার সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন বিমান কিনতে পারছে না ইরান। আর তাই এমন ঘুরোপথ খুঁজে নিয়েছে তেহরান। এই বিমানগুলো যে চোরাচালান হতে পারে, তা ঘূণাক্ষরেও টের পায়নি কেউ।

ইরানে রহস্যজনকভাবে বিমান অবতরণের ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগেও এমন ঘটেছে, অন্য দেশে যাওয়ার কথা থাকলেও সেই বিমান ইরানে গিয়ে অবতরণ করেছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে এয়ারবাস এ340 মডেলের ৪টি বাণিজ্যিক বিমান দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে উড্ডয়ন করে। ওই বিমানগুলো উজবেকিস্তান যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাঝ আকাশে পথ পরিবর্তন করে সেগুলো ইরানে অবতরণ করে।

তখনও ঠিক একই কায়দা বিমান ৪টি ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ২০২২ সালে তেহরান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ইরানের অন্তত ৫৫০টি বিমান প্রয়োজন। কিন্তু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে এয়ারবাসের এ340 মডেলের মতো বিমান কিনতে পারছে না ইরান। এয়ারবাসের এ340 মডেলের এক একটি বিমানের দাম প্রায় ১৫ কোটি ডলার বা ১ হাজার ৭৬২ কোটি ৬৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় জবিতে শীতবস্ত্র বিতরণ 

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা : ভারতের সেনাপ্রধান

ইরানি বিক্ষোভকারীদের নতুন বার্তা ট্রাম্পের

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে চীন

রাজধানীর যেসব এলাকায় গ‍্যাস বন্ধ

‘শেষ ৪ মাসে আমাকে কোনো কাজ করতে দেওয়া হয়নি’

বুধবার সায়েন্সল্যাব-টেকনিক্যাল-তাঁতীবাজার অবরোধের ঘোষণা

যে কারণে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, জানালেন তাসনিম জারা

মাদ্রাসার টয়লেটে মিলল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল বিসিবি : ‘এক ইঞ্চিও পিছু হটব না’

১০

কলকাতার হয়ে খেলা পেসারকেও ভিসা দিচ্ছে না ভারত

১১

প্রার্থী-সমর্থকদের প্রতি যে আহ্বান জানাল জমিয়ত

১২

‘হাঙর’ নিয়ে আসছেন নেপালি তারকা প্রমোদ আগ্রহারী

১৩

শতাধিক কর্মী-সমর্থক নিয়ে ছাত্রদলে এনসিপি নেতা

১৪

দেহরক্ষী ও বাসভবনে নিরাপত্তা পেলেন জামায়াতের আমির

১৫

জকসুর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

১৬

পৌষ সংক্রান্তিতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী মাছের মেলা

১৭

ডিএনসিসিতে ‘ইয়ুথ ফর ফেয়ার সিটি’ প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু

১৮

নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ দিল ম্যানইউ

১৯

খেজু‌রের রস খেতে গিয়ে শিয়ালের কামড়, আহত ৪

২০
X