কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৪, ০৫:১৫ পিএম
আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৪, ০৭:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘মুসলিম বিশ্বের সবার শত্রু এক’

বক্তব্য দিচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
বক্তব্য দিচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ছবি : সংগৃহীত

মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন, আমাদের আলাদা কোনো শত্রু নেই এবং পুরো মুসলিম বিশ্বের শত্রু একই। শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) তেহরানে জুমার নামাজের খুতবায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এই মন্তব্য করেন। খবর আলজাজিরার।

খামেনি বলেন, আমাদের শত্রুদের গৃহীত নীতি হলো বিভাজন ও রাষ্ট্রদ্রোহের বীজ বপন করা। মুসলমানদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করা। ফিলিস্তিনি, লেবানিজ, মিসরীয় ও ইরাকিদের শত্রু একজনই। তারা ইয়েমেন ও সিরিয়ার জনগণের শত্রুও। তারা আমাদের সবার শত্রু।

ইসরায়েলে ইরানের সাম্প্রতিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগ্রাসনকারীদের হাত থেকে আত্মরক্ষার অধিকার প্রতিটি দেশেরই রয়েছে। মুসলিম দেশগুলোকে তাদের সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে হবে। দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলাকেও ‘আইনত ও বৈধ’ বলে মন্তব্য করেন খামেনি।

খামেনি বলেন, ইসরায়েলকে দমনে দায়িত্ব পালনে তার দেশ বিলম্ব বা তাড়াহুড়ো করবে না। খুতবায় ফিলিস্তিনের পক্ষেও বক্তব্য দেন তিনি। খামেনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মরক্ষার বৈধ অধিকার রয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এমন কোনো একক আদালত বা আন্তর্জাতিক সংস্থা নেই যা ফিলিস্তিনি জনগণকে কেবল তাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করার জন্য দোষারোপ করতে পারে।

ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং লেবাননে মিত্র হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর প্রথমবারের মতো জনসম্মুখে এলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। শুক্রবার তেহরানে ইমাম খামেনি (রহ.) মুসাল্লায় জুমার নামাজের ইমামতি করেন।

প্রায় পাঁচ বছরের মধ্যে এ প্রথম জুমার খুতবা দিলেন খামেনি। ফিলিস্তিনের গাজায় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের এক বছর পূর্ণ হওয়ার তিন দিন আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এ খুতবা দিলেন।

খামেনির খুতবা উপলক্ষে তেহরানে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে। কারও কারও হাতে হিজবুল্লাহর সবুজ ও হলুদ পতাকা দেখা যায়। কেউবা ফিলিস্তিনের পতাকাও নিয়ে আসেন। এ সময় তাদের ইসরায়েলবিরোধী নানা স্লোগানও দিতে দেখা যায়। তবে সবাই খামেনিকে একনজর দেখতেই যেন বেশি উদগ্রিব ছিলেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে দেখা হয়। সবশেষ ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে জুমার নামাজে ইমামতি করেছিলেন তিনি।

ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডসের কমান্ডার কাসেম সোলেইমানি ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হন। প্রতিশোধ হিসেবে ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল ইরান। এ ঘটনার পর খামেনি জুমার নামাজে ইমামতি করেছিলেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

হরমুজ প্রণালি ও লেবানন নিয়ে নতুন দফারফা

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দিল ১১ দলীয় জোট

চাকরি দিচ্ছে হীড বাংলাদেশ, ৫০ বছরেও আবেদন

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর রায় ৩০ জুন

দেশে স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বদিউজ্জামান তপাদারের পদত্যাগ

চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে আহত সেই তরুণের মৃত্যু

শিবির নেতাকে ছুরিকাঘাতে খুন

দ্বিতীয় রাউন্ডে যেভাবে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে পারে কেপ ভার্দে

মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

১০

বিয়ের দাবিতে ১৮ দিন ধরে অবস্থান তরুণীর, অন্য মেয়েকে ঘরে তুললেন প্রেমিক

১১

যে শহর কাঁদিয়েছিল ম্যারাডোনাকে, সেখানেই মেসির প্রতিশোধের মিশন

১২

বাংলাদেশের জন্য দ্রুত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার আহ্বান

১৩

ডিজেলের দাম কমাচ্ছে মালয়েশিয়া

১৪

৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির রোডম্যাপে একমত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

১৫

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

১৬

৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপে চমক দেখাল মিসর

১৭

ছাত্রলীগ নেতা সাকিব আল হাসান গ্রেপ্তার

১৮

কেপ ভার্দের রুপকথা চলছেই, স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল

১৯

খাল খননে গলার কাঁটা অকেজো দুটি স্লুইচগেট

২০
X