সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:০৬ এএম
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:২৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় নিহত ৪৩ হাজার ছুঁই ছুঁই, ধ্বংসস্তূপের নিচেও আটকা মানুষ

পশ্চিম গাজার একটি আশ্রয় শিবিরে ইসরায়েলি হামলার পরের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত
পশ্চিম গাজার একটি আশ্রয় শিবিরে ইসরায়েলি হামলার পরের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলা চলছেই। গত দুই দিনে উপত্যকাটিতে নতুন করে অবিরাম হামলায় কমপক্ষে ৭৭ জন নিহত হয়েছেন। এতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪২ হাজার ৯২৪ জনে। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা ৪৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। কারণ, হামলার পর ধ্বংস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকা। হতাহতদের উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় প্রকৃত সংখ্যা জানা যাচ্ছে না।

আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বশেষ শনিবার (২৬ অক্টোবর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হতাহতের সংখ্যা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজায় বছরব্যাপী চলমান ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত ৪৮ ঘন্টায় ইসরায়েলি দখলদারত্বের গণহত্যার শিকার অন্তত সাতটি পরিবার। এই সময় ৭৭ জন মারা গেছে এবং ২৮৯ জন আহত হয়েছে। এতে ১০০,৮৩৩ জন আহতের তালিকা পাওয়া গেল। যাদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরও বলা হয়েছে, অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।

এদিকে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে গাজা যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টায় আবারও আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছে হামাস ও ইসরায়েল। যুদ্ধ বন্ধে আগের অনেক চেষ্টা ব্যর্থ হলেও এখন ইসরায়েল ও হামাস উভয়পক্ষ গাজা যুদ্ধ বন্ধ নিয়ে ফের আলোচনায় আগ্রহের কথা জানিয়েছে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলায় চালিয়েছিল হামাস। ওই হামলায় ১ হাজার ২০৬ জন নিহত হন। জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় প্রায় ২৫০ জনকে। জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় নির্বিচারে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। সেই হামাসবিরোধী অভিযান এখন স্পষ্ট গণহত্যায় রূপ নিয়েছে। তবু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইসরায়েলকে থামাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করল ছাত্রদল

তসলিমা নাসরিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

তারেক রহমানের সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সাক্ষাৎ

২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য

এশিয়ান টিভির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর শোকজের জবাব দিল এনসিপি

তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম : নোমান

৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত

১০

১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি

১১

রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার অগ্নিকাণ্ড ষড়যন্ত্র উন্মোচনে পুরস্কৃত পুলিশ কর্মকর্তারা

১২

বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে : ডা. শাহাদাত

১৩

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ৭ দফা নির্দেশনা বিএনপির

১৪

ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র পথ : ইশরাক হোসেন

১৫

পুরস্কার ভাগাভাগি নিয়ে মাচাদোকে নোবেল ফাউন্ডেশনের বার্তা

১৬

নারী ক্ষমতায়িত হলে জাতির ভবিষ্যৎ বদলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : জাইমা রহমান

১৭

জম্মু কাশ্মীরে গোলাগুলি, ভারতের ৭ সেনা আহত

১৮

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে শোকজ, ইসির কড়া বার্তা

১৯

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে কঠিন সিদ্ধান্ত জানাল পাকিস্তান

২০
X