বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৫, ০৭:৫৩ এএম
আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৫, ০৮:৪৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় বিধিনিষেধ ইসরায়েলের

জেরুজালেমের পুরাতন নগরীর আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ। ছবি : সংগৃহীত
জেরুজালেমের পুরাতন নগরীর আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণ। ছবি : সংগৃহীত

রমজান মাসে জেরুজালেমের পুরাতন নগরীর আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র ডেভিড মেনসার। খবর এএফপির।

রমজান মাসে লাখো ফিলিস্তিনি ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসায় নামাজ পড়তে আসেন। নগরীর এই অংশ বর্তমানে ইসরায়েলের দখলে রয়েছে। এ বছর রমজানের আগে গাজায় একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাত বন্ধ করলেও পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ।

ডেভিড মেনসার বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রতি বছরের মতোই স্বাভাবিক বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে।

গত বছর গাজার যুদ্ধ চলাকালে ইসরায়েল আল-আকসায় প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল, বিশেষ করে পশ্চিম তীর থেকে আসা ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে।

নিরাপত্তার অজুহাতে এবারও প্রবেশের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হতে পারে। গত বছর শুধু ৫৫ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ ও ৫০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেইসঙ্গে জেরুজালেমের পুরাতন শহরজুড়ে ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

এই বছরও সতর্কতা অবলম্বনের ইঙ্গিত দিয়ে মেনসার বলেন, সহিংসতা ও উসকানির যে কোনো চেষ্টাকে আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করব। তবে তিনি ঠিক কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনিদের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। দীর্ঘদিনের রীতির অংশ হিসেবে ইহুদিরা সেখানে প্রবেশ করতে পারলেও প্রার্থনার অনুমতি নেই।

ইসরায়েলি সরকার দাবি করেছে, তারা আল-আকসার স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে চায়। তবে ফিলিস্তিনিদের আশঙ্কা, এই নিষেধাজ্ঞাগুলো তাদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করছে এবং পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হচ্ছে দুই মেগা প্রকল্প

ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো পর্তুগালকে

একই দিনে চট্টগ্রামে দুই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়

‘বাজেট বা জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না’

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে ভাইরাল সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের পোস্টারিং

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু 

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ

টানা তিন মাস সেরা ডিএমপির মিরপুর বিভাগ

১০

সিলেটে সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই মানবিকতা, ভারতীয় কৃষককে ফেরত দিল বিজিবি

১১

স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে 

১২

মেসির বিতর্কিত ফাউল ও লাল কার্ড বিতর্ক, যা বলছে ফিফার নিয়ম

১৩

পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : আইনমন্ত্রী

১৪

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন ইয়াশ রোহান ও সুনেরাহ

১৫

পর্তুগালের একাদশ ঘোষণা

১৬

এনজিওবিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা

১৭

নাটোরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কাঁচা রাস্তা পাকা করার দাবি এমপি তুলির

১৮

২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় নিজেই আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত

১৯

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

২০
X