কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৫, ০৪:২০ পিএম
আপডেট : ২২ জুন ২০২৫, ০৪:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে হামলার পর সংক্ষিপ্ত ভাষণে যা বললেন ট্রাম্প

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পর টেলিভিশনে ভাষণ দেন ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পর টেলিভিশনে ভাষণ দেন ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলার পর টেলিভিশনে একটি সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (২২ জুন) রাতে প্রচারিত ওই ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের ৩টি প্রধান পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করেছে। এখন আর কোনো বিপদ নেই, এখন শান্তির সময়।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলা ছিল একটি বিস্ময়কর সামরিক সাফল্য। এটা যুক্তরাষ্ট্রের অসাধারণ সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ।’

মাত্র তিন মিনিটের ওই ভাষণে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের সামনে এখন দুটি পথ—শান্তি কিংবা ধ্বংস। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের টার্গেট লিস্টে আরও অনেক সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা রয়েছে, যেগুলো ‘দ্রুত, নিখুঁত ও দক্ষভাবে’ ধ্বংস করা হবে যদি ইরান দ্রুত শান্তির পথে না আসে।

এই হামলা এমন এক সময়ে হলো, যখন ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্রাম্প কয়েকদিন আগেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে তার আগেই তিনি এই সামরিক পদক্ষেপ নেন, যা অনেকের মতে যুদ্ধ বিস্তারের ইঙ্গিত বহন করে।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিকভাবে তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং জানিয়েছে, এই হামলাগুলোই আপাতত শেষ, এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সরকার পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা করছে না।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পরিস্থিতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে, পরমাণু কর্মসূচিকে ঘিরে ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব আরও জটিল রূপ নিতে পারে।

কালবেলা/এমএ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এমপি পদ ছাড়তে গাজী নজরুলকে জামায়াতের আলটিমেটাম

নাটোরে হত্যা ও ডাকাতি মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন

নতুন টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়কের নাম ঘোষণা করল আফগানিস্তান

জুলাই আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি প্রাণ দিয়েছে ছাত্রদল: ডিএনসিসি প্রশাসক

বিয়ের আশ্বাসে বিধবাকে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে মামলা

জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছরেও পূরণ হয়নি শ্রমিকের প্রত্যাশা: সাইফুল হক

অস্তিত্ব সংকটে পান্ডারখাল বাঁধ, হুমকির মুখে দেখার হাওরের বিস্তীর্ণ ফসলাদি

ধর্মের নামে বিভাজনের রাজনীতির সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল

ভারী বৃষ্টিতে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, ফের দেশে বন্যার শঙ্কা

গণভোটের বিরুদ্ধে গিয়ে সংবিধান বাস্তবায়ন করছে বিএনপি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১০

যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের মরদেহ গ্রহণ সবচেয়ে কঠিন কাজ: ট্রাম্প

১১

জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কল্যাণে কাজ করবে, লুটপাট করা তাদের দ্বায়িত্ব না: খোকন

১২

আমেরিকানরা ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে নয়, দাবি ট্রাম্পের

১৩

‘যতবার হরমুজের জাহাজে হামলা ততবার ইরানের বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হবে’

১৪

কারও কাছে মাথা নত করতে রাজনীতি করি না: খোরশেদ আলম

১৫

ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মকবুল তিন দিনের রিমান্ডে

১৬

মহিলা কলেজে চাকরি করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা

১৭

নারীকাণ্ডে বহিষ্কার এমপি নজরুলের বিষয়ে যে তথ্য জানালেন ইসি আনোয়ারুল

১৮

সৌদি আরবের ওপর হুতিদের নৌ অবরোধ, নিন্দা জানাল ঢাকা

১৯

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

২০
X