কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:০৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস নিয়ে জর্ডানের রাজার বিস্ফোরক মন্তব্য

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সংকট নিয়ে বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসের পথে যাবে।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে সতর্ক করে বলেন, আগেও বহুবার ব্যর্থ হতে হয়েছে; কিন্তু এবার যদি রাজনৈতিক সমাধানের কোনো দিগন্ত না খোলা হয়, তাহলে আবারও সংঘাত শুরু হবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে জর্ডানের রাজা বলেন, তার কথায় কোনো বিশ্বাস নেই। তবে ইসরায়েলে এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের সঙ্গে আরব দেশগুলো কাজ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গাজা চুক্তির বিস্তারিত অংশেই লুকিয়ে আছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রকে এই প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ মেয়াদে সম্পৃক্ত থাকতে হবে।

গত ১০০ বছর ধরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে যাচ্ছে গাজাবাসী। এর জন্য প্রাণ হারিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে বিশ্বনেতারা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে বেশ তৎপর হয়ে ওঠে। এই তৎপরতায় গতি পায় গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের পর। ওই অধিবেশনে বিশ্বের বেশকিছু শক্তিধর দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। পাশাপাশি আবর ও মুসলিশ বিশ্বের নেতারাও গাজায় শান্তি ফেরাতে বেশ তৎপরতা শুরু করেন।

এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের ঘোষিত ২০ দফা প্রস্তাব ঘোষণা পর মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুতই পটপরিবর্তন হয়। মার্কিন চাপে পড়ে ওই প্রস্তাবে সম্মতি জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। পরে আরব বিশ্বের প্রতিনিধিরা এই প্রস্তাব বাস্তবায়নে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন গোষ্ঠীদের নিয়ে আলোচনা শুরু করেন। এক পর্যায়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীও যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মেনে নেয়। গত ১০ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বড় কোনো সংঘাত ছাড়াই বন্দিবিনিময় কার্যকর করা হচ্ছে।

কালবেলা/এএএম/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ফিজিওথেরাপি অ্যাসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা

বস্ত্র খাতের সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন

জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলা ইসরাফিলের ফেসবুক পোস্ট

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা 

সকালের নাশতা ছাড়া ব্যায়াম করা কি নিরাপদ? জানুন

২০২৭ সালের মধ্যে ‘সড়ক নিরাপত্তা আইন’ প্রণয়ন করবে সরকার

সুদানের চার অঙ্গরাজ্যে কলেরার সংক্রমণ, বাড়ছে উদ্বেগ

শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত হাটহাজারী থেকে গ্রেপ্তার

ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দিনব্যাপী শাখা দায়িত্বশীল কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সেতুর পাশে পড়ে ছিল অজ্ঞাত নারীর মরদেহ 

১০

শোকেরও ছুটি নেই

১১

স্বামী ছিলেন জেলে, সংঘবদ্ধ ধর্ষণে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা

১২

ব্যাডমিন্টনের মাধ্যমে প্রবাসে বন্ধন ও সম্প্রীতির বার্তা

১৩

‘ইকোফিল’ উদ্যোগ চালু করল এনার্জিপ্যাক

১৪

টানা উত্তেজনায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বোচ্চে তেলের দাম

১৫

প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে দাবি / এমপি নজরুলের নির্দেশে হামলা হয়েছিল ড্রাইভারের ওপর

১৬

বিশ্ববাজারে দুই সপ্তাহের সর্বোচ্চে স্বর্ণের দাম

১৭

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর সুপারিশ ইকোসকের

১৮

থালাপতি বিজয়ের ‘জন নায়াগান’ / ৪৮ ঘণ্টায় বিক্রি ১৫ কোটি টাকার টিকিট

১৯

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার

২০
X